خبرگزاری شبستان

سه شنبه ۲۳ مهر ۱۳۹۸

الثلاثاء ١٦ صفر ١٤٤١

Tuesday, October 15, 2019

বিজ্ঞাপন হার

ইরাকের রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় বসরা শহরের ইরানি কনস্যুলেটে দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদ জানাতে আজ (শনিবার) ভোরে তেহরানে নিযুক্ত ইরাকি রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। এ সময় ইরানি কনস্যুলেটের নিরাপত্তা রক্ষার ব্যাপারে ইরাকি নিরাপত্তা কর্মীদের অবহেলার প্রতিবাদ জানানো হয়।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Monday, July 13, 2015 নির্বাচিত সংবাদ : 21273

মৃত্যু সম্পর্কে ইমাম আলীর(আ.) কয়েকটি উপদেশ
প্রাদেশিক বিভাগ: হুজ্জাতুল ইসলাম আলী খাতামি বলেন, ইসলাম ধর্মে মসজিদে গুরুত্ব অপরিসীম। আর এ জন্য আমাদের নবী হযরত মুহাম্মাদ(সা.) এবং ইমাম আলী(আ.) মসজিদেই রাষ্ট্রের সকল কাজ আঞ্জাম দিতেন।

মৃত্যু সম্পর্কে ইমাম আলীর(আ.) কয়েকটি উপদেশ

প্রাদেশিক বিভাগ: হুজ্জাতুল ইসলাম আলী খাতামি বলেন, ইসলাম ধর্মে মসজিদে গুরুত্ব অপরিসীম। আর এ জন্য আমাদের নবী হযরত মুহাম্মাদ(সা.) এবং ইমাম আলী(আ.) মসজিদেই রাষ্ট্রের সকল কাজ আঞ্জাম দিতেন।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: তিনি বলেন, মসজিদ হচ্ছে ইসলামী এবং ধর্মীয় শিক্ষার বিশ্ববিদ্যালয়। মহানবীর(সা.)নবুয়্যতি মিশন এবং হযরত আলীর(আ.) ইমামতি মিশন মসজিদ থেকেই পরিচালিত হত।

হুজ্জাতুল ইসলাম আলী খাতামি বলেন, হযরত আলী(আ.) তার যুগের মানুষদের প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন না। তিনি তাদের উদ্দেশ্যে বলতেন: যদি তোমাদেরকে না দেখতাম সেটাই ভাল হত, তোমরা আমার আমার অন্তরকে রক্তাক্ত করেছে। আমার অন্তরকে ব্যাথায় ভরপুর করে দিয়েছো। তোমদের উপর আল্লাহর লানত বর্ষিত হোক।

তিনি বলেন: আমিরুল মু’মিনি হযরত আলী(আ.) নামাজরত অবস্থায় আঘাত প্রাপ্ত হলে বলেন: কাবার প্রভুর শপথ আজ আমি সফল হয়েছি। অর্থাত তিনি মৃত্যুকে মোটেও ভয় পেতেন না বরং তাকে আলিঙ্গল করার জণ্য অপেক্ষায় ছিলেন। ইমাম আলী(আ.) তার শাহাদাতের পূর্বে নিজের সন্তানদেরকে বলেন: আমার তিনটি দিন ছিল গত কাল, আজ এবং আগামী কাল। তোমাদেরও এই তিনিটি দিন আছে। আমি ৬৩ বছর জীবন-যাপন করেছি। যার শুরু এবং শেষ ছিল আল্লাহর ঘর মসজিদ (ইমাম আলীর(আ.) জন্ম পবিত্র কাবা শরীফে আর শাহাদত হচ্ছে কুফার মসিজদে)।

হযরত আলী(আ.) রাসূল(সা.)-এর পর ছিলেন পৃথিবীর শ্রেষ্ট মানুষ। তাকওয়া ইবাদত এবং খোাদমুখিতার ক্ষেত্রে তার কোন তুলনা হয় না।

আমিরুল মু’মিনি হযরত আলী(আ.) নাহজুল বালাগার ২৩ নং পত্রে বলেন: গতকাল আমি তোমাদের সাথেই ছিলাম, অঅজ আমি তোমাদের জন্য শিক্ষা এবং আগামী কাল আমি তোমদের মাঝ থেকে চলে যাব। ইমাম আলি এভাবে আমাদেরকে শিক্ষা দিয়ে গেলেন যে প্রতিটি মানুষেরই এমন হবে। একদিন সে সুস্থ এবং সবল, অঅরেকদিন অসুস্থ এবং তারপর দিন সে এই দুনিয়া ছেড়ে চলে যাবে।

যদিও আমিরুল মু’মিনি হযরত আলী(আ.) হযরত আলীর(আ.) জীবনের সাথে আমাদের ঝীবনের কোন তুলন চলে না। কেননা তিনি ছিলেন ইসলামের ত্রাণকর্তা, আল্লাহর বিশেষ প্রতিনিধি এবং গোটা মানব জাতীর ইমাম। আর তার জীবন ছিল তাকওয়া, ইবাদত-বন্দেগী এবং আল্লাহর গুণগানে পরিপূর্ণ।

471932

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য