خبرگزاری شبستان

دوشنبه ۲۲ مهر ۱۳۹۸

الاثنين ١٥ صفر ١٤٤١

Monday, October 14, 2019

বিজ্ঞাপন হার

ইরাকের রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় বসরা শহরের ইরানি কনস্যুলেটে দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদ জানাতে আজ (শনিবার) ভোরে তেহরানে নিযুক্ত ইরাকি রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। এ সময় ইরানি কনস্যুলেটের নিরাপত্তা রক্ষার ব্যাপারে ইরাকি নিরাপত্তা কর্মীদের অবহেলার প্রতিবাদ জানানো হয়।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Saturday, August 29, 2015 নির্বাচিত সংবাদ : 21708

ইমাম মাহদীর (আ.) আবির্ভাবের প্রধান অন্তরায় কি?
মাহদাভিয়াত বিভাগ: কোন কিছুই আমাদেরকে আমাদের শিয়াদের থেকে দুরে রাখে না। কিন্তু তাদের গোনাহ এবং অন্যায় আমাদেরকে তাদের থেকে দুরে সরিয়ে দেয়। কেননা আমরা কখনোই অন্যায়কে পছন্দ করি না এবং প্রশ্রয় দেই না। সুতরাং আমাদের প্রকৃত শিয়ারা কখনোই অন্যায় এবং অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয় না।

ইমাম মাহদীর (আ.) আবির্ভাবের প্রধান অন্তরায় কি? 

মাহদাভিয়াত বিভাগ: কোন কিছুই আমাদেরকে আমাদের শিয়াদের থেকে দুরে রাখে না। কিন্তু তাদের গোনাহ এবং অন্যায় আমাদেরকে তাদের থেকে দুরে সরিয়ে দেয়। কেননা আমরা কখনোই অন্যায়কে পছন্দ করি না এবং প্রশ্রয় দেই না। সুতরাং আমাদের প্রকৃত শিয়ারা কখনোই অন্যায় এবং অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয় না।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: পূর্ণতায় পৌছানোর জন্য অবশ্যই ইমামের প্রয়োজন। কেননা একজ পবিত্র ও মাসূম ইমামের পথপ্রদর্শ ছাড়া কেউই আল্লাহর সান্নিধ্যলাভ করতে পারে না।

ইমাম মাহদী(আ.) সম্পর্কে পবিত্র কোরআন বহু আয়াত রয়েছে। এ সম্পর্কিত একটি বিষয় হচ্ছে ইমাম মাহদীর(আ.) অন্তর্ধান।

সূরা মারিয়ামের ৪৮ নং আয়াতে বলা হয়েছে: আর আমি তোমাদের থেকে এবং তোমরা আল্লাহ ব্যতীত যাদের আহ্বান কর, তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছি; এবং আমি আমার প্রতিপালককে আহ্বান করব। আশা করি, আমি আমার প্রতিপালককে আহ্বান করা হতে নিরাশ হব না।

এ কথা বলে হযরত ইব্রাহীম (আ.) বিদায় নিলেন এবং বাবেল থেকে পারস্যের পাহাড়ী অঞ্চলে গেলেন, সাত বছর সেখানে বসবাস করে পুনরায় বাবেলে ফিরে আসলেন এবং মূর্তি পূজার নিন্দা করতে শুরু করলেন। পরিশেষে মূর্তি ধ্বংস করলেন এবং নমরূদ তাঁকে অগ্নিতে নিক্ষেপ করল। আগুন ফুল বাগিচা হয়ে গেল। অতঃপর তিনি তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে হারান-এ পৌঁছলেন এবং সারাহকে বিবাহ করলেন। অতঃপর সারাহ ও তাঁর ভাই হযরত লুত (আ.) সহ সিরিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন।

সূরা কাসাসের ২০ নং আয়াতে বর্নিত হয়েছে: এদিকে এক ব্যক্তি নগরের সীমান্ত হতে দৌড়ে এল ও বলল, ‘হে মূসা! (ফিরআউনের) সভাসদরা তোমাকে হত্যা করার জন্য (দুরভি সন্ধিমূলক) শলাপরামর্শ করছে। সুতরাং তুমি (নগরের) বাইরে চলে যাও, আমি তোমার হিতাকাক্সক্ষী।’ সে (মূসা) সেখান থেকে সন্ত্রস্ত অবস্থায় বহির্গত হল এবং বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে জালিম সম্প্রদায় হতে উদ্ধার কর।

সুতরাং ইমাম মাহদীর(আ.) আবির্ভাব ত্বরান্বিত হওয়ার পথে সব থেকে বড় অন্তরায় হচ্ছে মুসলমানদের অবাধ্যতা এবং গোনাহে লিপ্ত হওয়া।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য