خبرگزاری شبستان

چهارشنبه ۱ آیان ۱۳۹۸

الأربعاء ٢٤ صفر ١٤٤١

Wednesday, October 23, 2019

বিজ্ঞাপন হার

ইরাকের রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় বসরা শহরের ইরানি কনস্যুলেটে দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদ জানাতে আজ (শনিবার) ভোরে তেহরানে নিযুক্ত ইরাকি রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। এ সময় ইরানি কনস্যুলেটের নিরাপত্তা রক্ষার ব্যাপারে ইরাকি নিরাপত্তা কর্মীদের অবহেলার প্রতিবাদ জানানো হয়।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Wednesday, May 4, 2016 নির্বাচিত সংবাদ : 23512

ইমাম মাহদীর(আ.) আবির্ভাবের প্রয়োজনীয়তা কি?
মাহদাভিয়াত বিভাগ: ইমামের অস্তিত্বের প্রয়োজনীয়তার জন্য অসংখ্য দলিল প্রমাণ রয়েছে তবে আমরা এখানে একটি অতি সাধারণ দলিল বর্ণনা করেই ক্ষান্ত হব। নবীর প্রয়োজনীয়তার জন্য যে সকল দলিল উপস্থাপন করা হয়েছে তা ইমামের প্রয়োজনীয়তার দলিলও বটে। এক দিকে যেহেতু ইসলাম সর্ব শেষ দ্বীন এবং হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর সর্ব শেষ নবী সেহেতু ইসলামকে অবশ্যই কিয়ামত পর্যন্ত মানুষের সকল সমস্যার সমাধান দিতে হবে ,অপর দিকে আল কোরআনে (ইসলামের) মৌলিক বিষয় ,আহকাম সম্পর্কিত নির্দেশাবলী এবং ঐশী তথ্যাবলী বর্ণিত হয়েছে এবং তার ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণের দায়িত্ব রাসূল (সা.)-এর উপর অর্পিত হয়েছে।

ইমাম মাহদীর(আ.) আবির্ভাবের প্রয়োজনীয়তা কি?

মাহদাভিয়াত বিভাগ: ইমামের অস্তিত্বের প্রয়োজনীয়তার জন্য অসংখ্য দলিল প্রমাণ রয়েছে তবে আমরা এখানে একটি অতি সাধারণ দলিল বর্ণনা করেই ক্ষান্ত হব। নবীর প্রয়োজনীয়তার জন্য যে সকল দলিল উপস্থাপন করা হয়েছে তা ইমামের প্রয়োজনীয়তার দলিলও বটে। এক দিকে যেহেতু ইসলাম সর্ব শেষ দ্বীন এবং হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর সর্ব শেষ নবী সেহেতু ইসলামকে অবশ্যই কিয়ামত পর্যন্ত মানুষের সকল সমস্যার সমাধান দিতে হবে ,অপর দিকে আল কোরআনে (ইসলামের) মৌলিক বিষয় ,আহকাম সম্পর্কিত নির্দেশাবলী এবং ঐশী তথ্যাবলী বর্ণিত হয়েছে এবং তার ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণের দায়িত্ব রাসূল (সা.)-এর উপর অর্পিত হয়েছে।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: এটা স্পষ্ট যে রাসূল (সা.) মুসলমানদের নেতা হিসাবে সমাজের প্রয়োজনীয়তা এবং ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী আল্লাহর আয়াতকে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করেছেন। অতএব তার এমন যোগ্য উত্তরাধিকারীর প্রয়োজন যিনি তার মত আল্লাহর অসীম জ্ঞানের সাথে সম্পৃক্ত থাকবেন ,তাহলেই তিনি রাসূল (সা.) যে সকল বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে যান নি তার ব্যাখ্যা দিতে পারবেন এবং ইসলামী সমাজের সকল যুগের সকল সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। এমন ইমামই রাসূল (সা.)-এর রেখে যাওয়া দ্বীন ইসলামের রক্ষী এবং কোরআনের প্রকৃত মোফাসসের। আর তারাই পারেন ইসলামকে সকল প্রকার শত্রুর হাত থকে রক্ষা করে কিয়ামত পর্যন্ত পাক ও পবিত্র রাখতে।

১ - ব্যাপক ন্যায়বিচার : বিভিন্ন রেওয়ায়াতে বর্ণিত হয়েছে যে ,ইমাম মাহ্দী (আ.)-এর মহান বিপ্লবের প্রধান সাফল্য হচ্ছে সর্বজনীন ন্যায়পরায়ণতা।

ইমাম জা ’ফর সাদিক (আ.) এ সম্পর্কে বলেছেন: আল্লাহর শপথ! ন্যায়বিচারকে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিব যেমনভাবে ঠাণ্ডা ও গরম মানুষের ঘরে প্রবেশ করে।

২- চিন্তা , চরিত্র ও ঈমানের বিকাশ : পূর্বেই বলা হয়েছে যে ,সমাজের মানুষের সঠিক প্রশিক্ষণ ,কোরআন ও আহলে বাইতের সাংস্কৃতির প্রসারের মাধ্যমে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়।

ইমাম বাকের (আ.) বলেছেন: যখন আমাদের কায়েম কিয়াম করবেন নিজের হাতকে মানুষের মাথায় বুলিয়ে দিবেন এবং তার বরকতে তাদের জ্ঞান , বুদ্ধি , বিবেক ও চিন্তাশক্তি পুরিপূর্ণতায় পৌঁছবে।

৩ - ঐক্য ও সহমর্মিতা : ইমাম মাহ্দী (আ.)-এর হুকুমতের সকলেই ঐক্যবদ্ধ ও আন্তরিক হবে এবং হুকুমত প্রতিষ্ঠার সময় কারো প্রতি কারো শত্রুতা ও হিংসা থাকবে না।

ইমাম আলী (আ.) বলেছেন: যখন আমাদের কায়েম কিয়াম করবেন ,সবার মন থেকে হিংসা ও বিদ্বেষ দূরিভুত হবে।

৪ - শারীরিক ও আন্তরিক সুস্থতা : বর্তমান যুগের মানুষের একটি বড় সমস্যা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের দুরারোগ্য ব্যাধির বহিঃপ্রকাশ। এর বিভিন্ন কারণ রয়েছে যেমন: পরিবেশ দূষণ ,রাসায়নিক বোমা ,এটোম বোমা ও জীবাণু বোমা। অনুরূপভাবে মানুষের অবৈধ মেলা-মেশা ,জঙ্গল ধ্বংস করা ,পানি দুষণ ইত্যাদির কারণে বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধি যেমন: ক্যানসার ,এইডস ,মহামারি ,হার্ট এ্যটাক ,পঙ্গুত্ব ইত্যাদি হচ্ছে যার চিকিৎসা প্রায় অসম্ভব। শারীরিক অসুস্থতা ছাড়াও বহু ধরনের আন্তরিক অসুস্থতা রয়েছে যা মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে এবং এটাও মানুষের বিভিন্ন অন্যায়ের কারণে ঘটছে।

৫- অধিক কল্যাণ ও বরকত : কায়েমে আলে মুহাম্মদ (আ.)-এর হুকুমতের আরও একটি সাফল্য হচ্ছে অধিক কল্যাণ ও বরকত। তার হুকুমতের বসন্তে সর্বত্র সবুজ-শ্যামল ও সাচ্ছন্দময় হয়ে উঠবে। আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষিত হবে এবং মাটি থেকে ফসল উৎপন্ন হবে ও ঐশী বরকতে ভরপুর হয়ে যাবে।

ইমাম জা ’ফর সাদিক (আ.) বলেছেন: আল্লাহ তা’আলা তার কারণে আকাশে ও মাটিতে বরকতের বন্যা বইয়ে দিবেন। আকাশ থেকে রহমতের বৃষ্টি বর্ষিত হবে এবং মাটি থেকে ফসল উৎপন্ন হবে ।

৬ - দারিদ্রতা নির্মূল হবে : পৃথিবীর সকল সম্পদ যখন ইমাম মাহ্দী (আ.)-এর কাছে প্রকাশ পাবে এবং তার যামানার মানুষের উপর আকাশ ও মাটির সকল বরকত বর্ষিত হবে ও মুসলমানদের বাইতুল মাল সমভাবে বণ্টিত হবে তখন দারিদ্রতার আর কোন স্থান থাকবে না। ইমাম মাহ্দী (আ.)-এর হুকুমতে সকলেই অভাব ও দারিদ্রতার কালো থাবা থেকে মুক্তি পাবে।

৭ - ইসলামী হুকুমত এবং কাফেরদের উৎখাত : কোরআন পাকে তিনটি স্থানে ওয়াদা করা হয়েছে যে ,আল্লাহ তা ’ আলা পবিত্র ইসলামকে বিশ্বজনীন করবেন:

هُوَ الَّذِي أَرْ‌سَلَ رَ‌سُولَهُ بِالْهُدَىٰ وَدِينِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَ‌هُ عَلَى الدِّينِ كُلِّهِ وَلَوْ كَرِ‌هَ الْمُشْرِ‌كُونَ

মুশরিকরা অপ্রীতিকর মনে করলেও অপর সমস্ত দীনের উপর জয়যুক্ত করার জন্য তিনিই পথনির্দেশ ও সত্য দীনসহ তার রাসূল প্রেরণ করেছেন।

৮ - সর্বসাধারণের নিরাপত্তা : ইমাম মাহ্দী ( আ .)- এর হুকুমতে মানুষের জীবনের প্রতিটি স্তরে সব ধরনের সৎকর্ম ছড়িয়ে পড়বে তখন নি রাপত্তা যা মানুষের সবচেয়ে বড় চাওয়া অর্জিত হবে।

৯ - জ্ঞানের বিকাশ: ইমাম মাহ্দীর ( আ .) হুকুমতে জ্ঞান - বিজ্ঞানের ব্যাপক বিকাশ ঘটবে এবং তাত্বিক জ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটবে।

ইমাম জাফর সাদিক (আ.) বলেছেন: জ্ঞান-বিজ্ঞানের ২৭টি অক্ষর রয়েছে নবীগণ যা এনেছেন তা হচ্ছে মাত্র ২টি অক্ষর এবং জনগণও এই দুই অক্ষরের বেশী কিছু জানে না। যখন আমাদের কায়েম কিয়াম করবে বাকি ২৫টি অক্ষর বের করবেন এবং মানুষের মধ্যে তা প্রচার করবেন। অতঃপর ওই দু’অক্ষরকেও তার সাথে যোগ করে মানুষের মাঝে প্রচার করবেন।

541058

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য