خبرگزاری شبستان

شنبه ۱۶ آذر ۱۳۹۸

السبت ١٠ ربيع الثاني ١٤٤١

Saturday, December 7, 2019

বিজ্ঞাপন হার

ইরাকের রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় বসরা শহরের ইরানি কনস্যুলেটে দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদ জানাতে আজ (শনিবার) ভোরে তেহরানে নিযুক্ত ইরাকি রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। এ সময় ইরানি কনস্যুলেটের নিরাপত্তা রক্ষার ব্যাপারে ইরাকি নিরাপত্তা কর্মীদের অবহেলার প্রতিবাদ জানানো হয়।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Sunday, July 10, 2016 নির্বাচিত সংবাদ : 24056

১৯৬৭ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধে কি ঘটেছিল?
স্পেশাল ডেস্ক: ফিলিস্তিনে অবৈধভাবে ও জবরদখলের মাধ্যমে ইসরাইল নামের একটি রাষ্ট্র চাপিয়ে দেয়ার পর থেকে আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইহুদিবাদী তথা বর্ণবাদী এই জালিম শক্তির যুদ্ধ হয়েছে বেশ কয়েকবার। এইসব যুদ্ধের মধ্যে ১৯৬৭ সালের জুন মাসের যুদ্ধটি অন্যতম।

১৯৬৭ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধে কি ঘটেছিল?

স্পেশাল ডেস্ক: ফিলিস্তিনে অবৈধভাবে ও জবরদখলের মাধ্যমে ইসরাইল নামের একটি রাষ্ট্র চাপিয়ে দেয়ার পর থেকে আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইহুদিবাদী তথা বর্ণবাদী এই জালিম শক্তির যুদ্ধ হয়েছে বেশ কয়েকবার। এইসব যুদ্ধের মধ্যে ১৯৬৭ সালের জুন মাসের যুদ্ধটি অন্যতম।

মাত্র ছয় দিনের এই যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছিল। ৫ জুন থেকে দশই জুন পর্যন্ত সংঘটিত এই যুদ্ধ শুরু করেছিল ইসরাইল। 

তেলআবিব মিশর, সিরিয়া ও জর্দানের ওপর আগ্রাসন চালানো সত্ত্বেও পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো বিশ্ববাসীর কাছে এটা তুলে ধরার চেষ্টা করে যে, ইসরাইল প্রতিরক্ষামূলক বা আত্মরক্ষামূলক যুদ্ধ করেছে মাত্র। আর এ জন্যই ইসরাইল অগ্রিম বা আগাম হামলা চালাতে বাধ্য হয়েছে।

এ যুদ্ধের পটভূমি হল, মিশর আকাবা উপসাগরে তিরান প্রণালীটি বন্ধ করে দেয়। আকাবা উপসাগরের অবস্থান লোহিত সাগরে। কায়রো ইসরাইলি জাহাজগুলোর জন্য এই পানিপথ বন্ধ করে দেয়ায় ইসরাইলের সর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত নতুন বন্দর 'ই-ইলাত' কার্যত অচল হয়ে পড়ে। পূর্বদিকে ইসরাইলের নৌ-যোগাযোগের একমাত্র পথ ছিল আকাবা উপসাগর। পথটি বন্ধ হওয়ায় গোটা ইসরাইলই অচল অবস্থার সম্মুখীন হয়।

আর এই একইসময়ে মিশর, সিরিয়া ও জর্দান সিনাই উপদ্বীপ, গোলান মালভূমি ও পশ্চিম তীরে সেনা মোতায়েন করে যাতে ইসরাইলে হামলা চালানো যায়। ১৯৬৭ সালের ১৪ মে ইসরাইল জানতে পারে যে, মিশরের সেনারা যুদ্ধের জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিয়েছে। ফলে দখলদার ইসরাইলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সিনাই উপত্যকা সংলগ্ন সীমান্তে ইসরাইলি সেনাশক্তি জোরদারের জন্য কয়েকটি সাঁজোয়া ইউনিট পাঠায়। ১৬ মে মিশরের তৎকালীন জামাল আবদুন নাসের জাতিসংঘে এক চিঠি পাঠিয়ে এই সংস্থার শান্তিরক্ষীদেরকে মিশর ও ইসরাইলের সীমান্ত থেকে সরিয়ে নিতে বললে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ১৯ মে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীরা মিশর-ইসরাইল সীমান্ত ছেড়ে চলে গেলে উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে। এ অবস্থায় সীমান্তে মিশরীয় সেনাসংখ্যা ও যুদ্ধের সাজ-সরঞ্জাম বাড়াতে থাকেন নাসের।

অবশেষে ইসরাইল ১৯৬৭ সালের ৫ জুন আকস্মিকভাবে আশপাশের আরব দেশগুলোর বিমানবন্দরসহ কৌশলগত নানা অবস্থানে আগ্রাসন শুরু করে। জঙ্গি বিমান ও সাঁজোয়া যানের ছত্রচ্ছায়ায় হানাদার ইসরাইলি সেনারা ৬ দিনের মধ্যে মিশরের সিনাই উপত্যকা, জর্দান নদীর পশ্চিম তীর ও গাজা, গোলান উপত্যকা ও কানিত্রা শহরটি দখল করে এবং মুসলমানদের প্রথম কিবলা তথা আল-আকসা মসজিদসহ গোটা জেরুজালেম বা বায়তুল মুকাদ্দাস শহরের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। এভাবে ফিলিস্তিন অঞ্চলে ইসরাইলের জবর-দখলকৃত অঞ্চলের পরিমাণ তিন গুণেরও বেশি বেড়ে যায়।

এতক্ষণ পর্যন্ত যা বলা হল তা যুদ্ধের বাহ্যিক দিক মাত্র। এ যুদ্ধ সম্পর্কে ইসরাইল ও তার পক্ষের পশ্চিমা শক্তিগুলোর বহু বছরের প্রচারণায় এটা বলা হত যে, ১৯৬৭ সালের যুদ্ধ তেল-আবিবের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল এবং ইহুদিবাদী এই অবৈধ রাষ্ট্র আত্মরক্ষায় নিয়োজিত হতে বাধ্য হয়েছিল মাত্র। অথচ ইসরাইল ও তার সহযোগী পশ্চিমা শক্তিগুলোই এ যুদ্ধের জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল। পরবর্তীকালে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের কথা থেকেই এই সত্য বা বাস্তবতা বেরিয়ে পড়ে।

 

১৯৮২ সালের আগস্ট মাসে দখলদার ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মোনাচেম বেগিন মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ১৯৬৭ সালের যুদ্ধ সম্পর্কে বলে: " ১৯৬৭ সালের জুন মাসে সিনাই উপত্যকায় নাসেরের সেনা মোতায়েনের উদ্দেশ্য এটা ছিল না যে ইসরাইলে হামলা চালানো হবে। আমাদের উচিত সত্য কথা বলা ও নিজেদের কাছে মিথ্যা কথা না বলা। আসলে ইসরাইলই যুদ্ধ করতে চেয়েছে ও যুদ্ধ শুরু করে।"

ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইসহাক রবিন ১৯৮৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ফরাসি দৈনিক লা-মান্ডেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করে যে নাসের ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ করার উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯৬৭ সালে সিনাইয়ে সেনা মোতায়েন করেননি বলেই তার ধারণা। নাসের সে বছরের ১৩ই মে মাত্র দুই ব্রিগেড সেনা মোতায়েন করেছিল সিনাইয়ে। তাই মিশরীয়রা ও ইসরাইলিরাও খুব ভালো করেই এটা জানতো যে মিশরের তৎকালীন সরকার ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ করার তোড়জোর করছিল না। ৬ দিনের ওই যুদ্ধে জড়িত ইসরাইলের দু'জন সেনা কমান্ডারও তাদের সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রীর এইসব স্বীকারোক্তিকে সমর্থন জানিয়ে বলেছে: "সে সময় ইসরাইল মিশর বা অন্য কোনো আরব দেশের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের হুমকির মুখে ছিল না, বরং ইসরাইলই ব্যাপক পরিকল্পনা ও কর্মসুচি নিয়ে যুদ্ধের আয়োজন করছিল।"

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ম্যারিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক কাসাগ্রান্ডা রায় মনে করেন ১৯৬৭ সালের ৬ দিনের যুদ্ধের ফলে প্রথমত জামাল আবদুন নাসের পরাজিত হন যিনি সে সময় আরব বীরে পরিণত হয়েছিলেন, দ্বিতীয়ত ফিলিস্তিনের আগের চেয়েও বৃহত্তর বা বেশিরভাগ ভূখণ্ডই ইসরাইলের দখলে চলে যায়। আর এই দ্বিতীয় বিষয়টি হলো এই যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদী পরিণাম যা এখনও দু'পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব জিইয়ে রেখেছে। মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নাসের কি ইসরাইলে হামলা চালাতে চেয়েছিলেন?-এ প্রশ্নের উত্তরে কাসাগ্রান্ডা রায় বলেছেন: 'না, মিশর ইসরাইলের সঙ্গে কোনো যুদ্ধই করতে চায়নি এবং সে সময় যুদ্ধ করার মত অবস্থাও তার ছিল না। কারণ, মিশর সে সময় ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ নিয়ে ব্যস্ত ছিল, আর তিরান প্রণালী বন্ধ করাটা ছিল একটা প্রতীকি পদক্ষেপ মাত্র। ইসরাইলের মাত্র দুই শতাংশ বাণিজ্য-বিনিময় ঘটতো এই পানিপথ দিয়ে।'

অবশ্য কাসাগ্রান্ডা রায় মনে করেন, সে সময় ইসরাইল সীমান্ত থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী প্রত্যাহার করতে বলে মিশরের প্রেসিডেন্ট নাসের মারাত্মক ভুল করেছিলেন। রায় বলেছেন, নাসের এই ভুলটি করেছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন জনসনের মিথ্যা প্রতিশ্রুতির কারণে। লিন্ডন নাসেরকে এই ভরসা দিয়েছিলেন যে ইসরাইল হামলার পদক্ষেপ নেবে না।

সম্প্রতি মার্কিন সরকার তার গোপন তথ্যাগার থেকে যেসব তথ্য ফাঁস করেছে সেইসব তথ্য ও টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসন লাইব্রেরির দলিল-প্রমাণের আলোকে দেখা গেছে, মার্কিন সরকার এটা জানতো যে, দখলদার ইসরাইল ও আরব দেশগুলোর মধ্যে যুদ্ধ বেধে গেলে ইসরাইল মিশর ও সিরিয়ার বিমান বাহিনীকে কয়েক দিনের মধ্যেই ধ্বংস করতে সক্ষম হবে। ইসরাইল ঠিক কখন যুদ্ধ শুরু করবে মার্কিন সরকার সে বিষয়ে না জানলেও নানা তথ্য-প্রমাণে দেখা যায়, ইসরাইল যে আরব দেশগুলোতে হামলার পাঁয়তারা করছে ওয়াশিংটন তা ঠিকই জানত।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঠিক তিন দিন আগে অর্থাৎ ১৯৬৭ সালের তেসরা জুন দখলদার ইসরাইলের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান মিইর আমিত ওয়াশিংটনে যায় এবং উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে। তার ওই সফরের উদ্দেশ্য এটাই ছিল যে, ইসরাইল যদি আরব দেশগুলোতে হামলা চালায় তাহলে সেক্ষেত্রে মার্কিন সরকার কোনো প্রতিবাদ বা আপত্তি জানাবে কিনা তা জানা। এই সাক্ষাতের সময় মার্কিন কর্মকর্তারা মিইর আমিতকে জানান, মিশর ইসরাইলে হামলা করতে চায় এমন কোনো তথ্য-প্রমাণ তাদের কাছে নেই, তবে যুদ্ধ যদি সংঘটিত হয় তাহলে ওয়াশিংটন এটা জানে যে ইসরাইল নাসেরের নেতৃত্বাধীন মিশরকে হারিয়ে দিতে সক্ষম হবে। ফলে ইহুদিবাদী ইসরাইল নিশ্চিত হয় যে, ১৯৫৬ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধের বিপরীতে এবারের যুদ্ধে মার্কিন সরকার তেল-আবিবেরই পক্ষ নেবে। ৫৬ সালের যুদ্ধের সময় মিশর থেকে সরে আসার জন্য দখলদার ইসরাইলকে চরমপত্র দিয়েছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ার।

 

যাই হোক, ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধের পর যুদ্ধ-বিরতি প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ২৪২ নম্বর প্রস্তাবে এই যুদ্ধে অধিকৃত আরব দেশগুলোর সমস্ত অঞ্চলের ওপর দখলদারিত্বের অবসান ঘটাতে ইসরাইলকে নির্দেশ দেয়। কিন্তু বর্ণবাদী ইসরাইল মার্কিন মদদের জোরে কেবল এই বাধ্যতামূলক প্রস্তাবই নয় বরং জাতিসংঘের কোনো প্রস্তাবই কখনও বাস্তবায়ন করেনি। অথচ মার্কিন সরকার ইচ্ছা করলে জাতিসংঘের ওই প্রস্তাব মেনে নিতে ইসরাইলকে বাধ্য করতে পারতো এবং ফলে ইসরাইল ১৯৬৭ সালে জবর-দখল করা সমস্ত আরব অঞ্চল ছেড়ে দিতে বাধ্য হতো।

আসলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও ক্ষমতার বিশেষ কাঠামোসহ নানা কারণে দেশটির সরকার ইসরাইলের ওপর এ বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করতে রাজি নয় ও তা করতেও সক্ষম নয়। মার্কিন সরকার প্রতি বছর ইসরাইলকে সাড়ে তিন শত কোটি ডলার অর্থ সাহায্য দিয়ে থাকে। এ ধরনের অর্থ সাহায্য ছাড়া দখলদার ইসরাইল তার আগ্রাসী ও দখলদারিত্বের নীতি অব্যাহত রাখতে সক্ষম নয়। মার্কিন সরকার এ ধরনের সহায়তা বন্ধ করলে বা বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিলেও ফিলিস্তিন দখলদার ইহুদিবাদী নেতারা বিশ্ব-সমাজ ও জাতিসংঘের নির্দেশগুলো মানতে বাধ্য হতো।

কিন্তু মার্কিন সরকার কখনও এ ধরনের হুমকিও দেবে না। আর মার্কিন সরকারের এ ধরনের নীতির কারণেই এই সরকার মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা মুসলিম বিশ্বে এবং অন্যান্যও অঞ্চলেও স্বাধীনচেতা ও মুক্তিকামী জনগণের কাছে ঘৃণার পাত্রে পরিণত হয়েছে। ফিলিস্তিন ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের ব্যাপারে মার্কিন অযৌক্তিক নীতিতে পরিবর্তনের কোনো দূরবর্তী সম্ভাবনাও কেউ দেখছেন না।

যাই হোক, ফিলিস্তিনে ইসরাইলি জবর-দখল মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় অমিমাংশিত সংকট। এর ফলে বেশ কয়েকটি ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই ফিলিস্তিন সংকটের ন্যায্য সমাধান হচ্ছে না বলে গোটা মধ্যপ্রাচ্যেই অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে।

মূলত দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রতি পাশ্চাত্য ও মার্কিন সরকারের অন্ধ সমর্থনের কারণেই এই অবৈধ সরকারের দম্ভ ও ঔদ্ধত্য দিনকে দিন বৃদ্ধি পেয়েছে। ইসরাইল তার সন্ত্রাসী ও সম্প্রসারণকামী তৎপরতাও অব্যাহত রেখেছে। ফলে আরব সরকারগুলোর সঙ্গে আবারও ইসরাইলের যুদ্ধ ও সংঘর্ষ হয়েছে।

বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যের বিষ-ফোঁড়া হিসেবে বিরাজমান ইসরাইলকে পুরোপুরি নির্মূল করা ছাড়া এ অঞ্চলে শান্তি ফিরে আসবে না। আর একমাত্র সশস্ত্র প্রতিরোধ এবং মুসলিম ও আরব দেশগুলোর ঐক্যই এই কাঙ্ক্ষিত শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারে। ফিলিস্তিনিদের ইন্তিফাদা গণজাগরণ ও হামাসের নেতৃত্বে গাজাবাসীর সশস্ত্র প্রতিরোধ এবং লেবাননের হিজবুল্লাহর সশস্ত্র প্রতিরোধের বিস্ময়কর সাফল্যই এই বাস্তবতার সবচেয়ে ভালো দৃষ্টান্ত ও প্রমাণ।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য