خبرگزاری شبستان

چهارشنبه ۲۹ اسفند ۱۳۹۷

الأربعاء ١٤ رجب ١٤٤٠

Wednesday, March 20, 2019

বিজ্ঞাপন হার

ইরাকের রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় বসরা শহরের ইরানি কনস্যুলেটে দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদ জানাতে আজ (শনিবার) ভোরে তেহরানে নিযুক্ত ইরাকি রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। এ সময় ইরানি কনস্যুলেটের নিরাপত্তা রক্ষার ব্যাপারে ইরাকি নিরাপত্তা কর্মীদের অবহেলার প্রতিবাদ জানানো হয়।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Wednesday, February 22, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 25904

ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইরানের ভূমিকা মুসলিম জাহানের আদর্শ হওয়া উচিত
রাজনীতি বিভাগ: আরব ও পশ্চিমা দেশগুলো মিলে যখন ফিলিস্তিন ইস্যুকে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে তখন এ তেহরানে অনুষ্ঠিত হলো ইন্তিফাদার সমর্থনে আন্তর্জাতিক সম্মেলন। যখন আরব দেশগুলোর উচিত ছিল ফিলিস্তিনের নির্যাতিত জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জবরদখলকৃত ভূমি থেকে ইহুদিবাদীদের বের করে দেয়া তখন তারা উল্টো তেল আবিবকে পূর্ণ মাত্রায় সমর্থন দিচ্ছে।

ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইরানের ভূমিকা মুসলিম জাহানের আদর্শ হওয়া উচিত

রাজনীতি বিভাগ: আরব ও পশ্চিমা দেশগুলো মিলে যখন ফিলিস্তিন ইস্যুকে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে তখন এ তেহরানে অনুষ্ঠিত হলো ইন্তিফাদার সমর্থনে আন্তর্জাতিক সম্মেলন। যখন আরব দেশগুলোর উচিত ছিল ফিলিস্তিনের নির্যাতিত জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জবরদখলকৃত ভূমি থেকে ইহুদিবাদীদের বের করে দেয়া তখন তারা উল্টো তেল আবিবকে পূর্ণ মাত্রায় সমর্থন দিচ্ছে।

শাবিস্তান ডেস্ক: ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে কিছু প্রশ্ন রয়েছে যেগুলোর উত্তর জানা গেলে এই সংকটের সমাধান না হওয়ার কারণগুলো বেরিয়ে আসবে। এরকম একটি প্রশ্ন হচ্ছে, ফিলিস্তিনকে মুসলিম বিশ্বের এক নম্বর সমস্যার স্থান থেকে সরিয়ে দিতে কিছু আরব দেশ চেষ্টা করছে কেন? এর উত্তর হচ্ছে, অবৈধ রাষ্ট্র ইহুদিবাদী ইসরাইলের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। ফিলিস্তিনি ভূমি জবরদখল করে এটি তৈরি করে দিয়েছে আমেরিকা ও ব্রিটেনসহ অন্যান্য পশ্চিমা দেশ।  এখনো পাশ্চাত্যের পূর্ণ পৃষ্ঠপোষকতা নিয়েই ইসরাইল টিকে আছে।

অন্যদিকে রাজা-বাদশাহ শাসিত আরব দেশগুলোর গণ ভিত্তিহীন সরকারগুলিও টিকে আছে পাশ্চাত্যের সমর্থনে। কাজেই পশ্চিমাদের কাছ থেকে যে নির্দেশ আসে তা মেনে নিতে আরব শাসকরা বাধ্য বলেই তারা ফিলিস্তিন ইস্যুকে কোনো সংকটই মনে করছে না।

এ সম্পর্কে তেহরান সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ফিলিস্তিন গণ মুক্তি ফ্রন্টের মহাসচিব আহমাদ জিব্রিল বলেন, আমি কখনোই সৌদি আরবসহ অন্যান্য আরব দেশ সফরে যাই না। ফিলিস্তিনের অনেক নেতা এসব দেশ সফর করতে গর্ব করে। সেখানে গিয়ে বিশাল অঙ্কের অর্থ নিয়ে আসে। আমি মনে করি, এই অর্থের কাছে আরবরা যেমন বিক্রি হয়ে গেছে তেমনি ফিলিস্তিনিদেরকেও কিনে ফেলতে চায় যাতে মুসলিম বিশ্বের প্রধান সংকট সম্পর্কে কথা বলার জন্য এক সময় কোনো লোক খুঁজে পাওয়া না যায়।

এ সম্পর্কে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের মহাসচিব রমাজান আব্দুল্লাহ বলেছেন, যে বিষয়টি ইসরাইলকে শক্তি যোগায় তা হলো- ফিলিস্তিনিদের মধ্যে মতপার্থক্য এবং তাদের প্রতি যথাযথ সমর্থন জানানোর ব্যাপারে আরব ও মুসলিম দেশগুলোর অনীহা।

যখন বেশিরভাগ আরব দেশ পাশ্চাত্যের করুণা লাভের জন্য কুদস দখলদার ইসরাইলের পক্ষ নিয়েছে তখন একমাত্র ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ফিলিস্তিনিদের পক্ষে ঝাণ্ডা হাতে নিয়ে নিজের অবস্থানে অটল রয়েছে। ইরানের সংবিধানেই ফিলিস্তিনি জনগণের পক্ষে অবস্থান নেয়ার কঠোর দিক-নির্দেশনা রয়েছে।  এ সম্পর্কে রমাজান আব্দুল্লাহ বলেন, এ সম্মেলন আয়োজন করে তেহরান প্রমাণ করেছে, নির্যাতিত ফিলিস্তিনি জাতির প্রতি পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার অবস্থান থেকে একচুলও সরে যায়নি ইরান।

বিশ্লেষণও নোট :
|
|
|

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য