خبرگزاری شبستان

شنبه ۹ اردیبهشت ۱۳۹۶

السبت ٣ شعبان ١٤٣٨

Saturday, April 29, 2017

বিজ্ঞাপন হার

সন্ত্রাসকে জোরদার করতে সিরিয়ায় হামলা করছে ইসরাইল: ইরান

সিরিয়ার বিরুদ্ধে ইহুদিবাদী ইসরাইলের বারবার সামরিক আগ্রাসনের কঠোর নিন্দা জানিয়েছে ইরান। ইরান বলেছে, সিরিয়া সন্ত্রাসকে জোরদার করতে হামলা করছে ইহুদিবাদী ইসরাইল।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Tuesday, February 28, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 25950

খেলাফত দখলকারীদের প্রতি ফাতেমা যাহরার (আ.) তীব্র ধিক্কার
মায়ারেফ বিভাগ: রাসূলের (সা.) ওফাতের পর একটি কুচক্রি মহল কর্তৃক খেলাফত দখলের প্রতিবাদে নবী নন্দিনী ফাতেমা যাহরা (আ.) প্রতিবাদমূখর ছিলেন; তিনি সুদীর্ঘ খুতবা ও বক্তব্যের মাধ্যমে এহেন কর্মের বিরুদ্ধে তীব্র ধিক্কার জানিয়েছেন।

 খেলাফত দখলকারীদের প্রতি ফাতেমা যাহরার (আ.) তীব্র ধিক্কার

 

মায়ারেফ বিভাগ: রাসূলের (সা.) ওফাতের পর একটি কুচক্রি মহল কর্তৃক খেলাফত দখলের প্রতিবাদে নবী নন্দিনী ফাতেমা যাহরা (আ.) প্রতিবাদমূখর ছিলেন; তিনি সুদীর্ঘ খুতবা ও বক্তব্যের মাধ্যমে এহেন কর্মের বিরুদ্ধে তীব্র ধিক্কার জানিয়েছেন।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: এগার হিজরীতে রাসূলুল্লাহর (সা.) ওফাতের পর মুসলিম জাহানের উপর এক বিশাল তুফান নেমে আসে। এ তুফান ছিল সাহাবি নামধারী একদল ক্ষমতালোভী রাসূলের (সা.) ঘোষিত খলিফা তথা আমিরুল মু'মিনিন আলীকে (আ.) সরিয়ে নিজেরা খেলাফত দখল করে নেয়। খেলাফত দখলকারী উক্ত মহলের এহেন পদক্ষেপের বিপরীতে আমরা দু'ধরনের অবস্থান দেখতে পাই। প্রথম অবস্থানে ছিলেন স্বয়ং আমিরুল মু'মিনিন আলী (আ.); তিনি উক্ত মহলের এমন পদক্ষেপের জবাবে অত্যন্ত ধৈর্য ও সহিঞ্চুতার পরিচয় দেন এবং যে কোন ধরনের সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকে। এমনটির নেপথ্য কারণ ছিল রাসূল (সা.) আলীর (আ.) প্রতি উক্ত ঘটনার পূর্বাভাস দিয়ে আদেশ করেছিলেন যে, এমতাবস্থায় ধৈর্যধারণ করতে; যাতে মুসলিম উম্মাহ বিভক্তির শিকার না হয়। তাই তিনি শত নির্যাতন সত্বেও দখলকারীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে নেন নি।

আর দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন নবী নন্দিনী ফাতেমা যাহরা (আ.)। যেহেতু রাসূলের (সা.) পক্ষ থেকে এ সম্পর্কে তার প্রতি কোন নির্দেশনা ছিল না; তাই তিনি খেলাফত দখলকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমূখর হয়েছিলেন এবং তাদের প্রকৃত চেহারা মুসলমানদের নিকট তুলে ধরেছিলেন।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য