خبرگزاری شبستان

شنبه ۱ اردیبهشت ۱۳۹۷

السبت ٦ شعبان ١٤٣٩

Saturday, April 21, 2018

বিজ্ঞাপন হার

কেন ইমাম হুসাইনকে হেদায়েতের আলো এবং মুক্তির তরী বলা হয়?

মাহদাভিয়াত বিভাগ: চতুর্থ হিজরির তৃতীয় শা’বান মানবজাতি ও বিশেষ করে, ইসলামের ইতিহাসের এক অনন্য ও অফুরন্ত খুশির দিন। কারণ, এই দিনে জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)’র প্রাণপ্রিয় দ্বিতীয় নাতি তথা বেহেশতী নারীদের নেত্রী হযরত ফাতিমা (সা.) ও বিশ্বাসীদের নেতা তথা আমীরুল মুমিনিন হযরত আলী (আ.)’র সুযোগ্য দ্বিতীয় পুত্র এবং ইসলামের চরম দূর্দিনের ত্রাণকর্তা ও শহীদদের নেতা হযরত ইমাম হুসাইন (আ.)।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Wednesday, March 01, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 25959

শবে কদরের ন্যায় ফাতেমা যাহরার (আ.) ফজিলত মানুষের অজ্ঞাত: গবেষক
মায়ারেফ বিভাগ: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও গবেষক হযরত হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন মির বাকেরী বলেছেন যে, যেমনভাবে শবে কদরের ফজিলত ও মর্যাদা মানুষের পক্ষে অনুধাবন করা সম্ভব নয়, তেমনভাবে নবী নন্দিনী ফাতেমা যাহরার (আ.) ফজিলত অনুধাবন কারও পক্ষে সম্ভব নয়।

শবে কদরের ন্যায় ফাতেমা যাহরার (আ.) ফজিলত মানুষের অজ্ঞাত: গবেষক

 

মায়ারেফ বিভাগ: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও গবেষক হযরত হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন মির বাকেরী বলেছেন যে, যেমনভাবে শবে কদরের ফজিলত ও মর্যাদা মানুষের পক্ষে অনুধাবন করা সম্ভব নয়, তেমনভাবে নবী নন্দিনী ফাতেমা যাহরার (আ.) ফজিলত অনুধাবন কারও পক্ষে সম্ভব নয়।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: ইরানের বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও গবেষক হযরত হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন মির বাকেরী গতকাল এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে বলেন: হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহ তায়ালা ফাতেমার অসন্তুষ্টিতে অসন্তুষ্ট এবং ফাতেমার রাগন্বিতে রাগন্বিত হন। এ হাদীসটির মাধ্যমে নবী নন্দিনীর সুউচ্চ সম্মান, মর্যাদা এবং ফজিলতের বিষয়টি আমরা কিছুটা হলেও অনুধাবন করতে পারি। এখানে দেখার বিষয় হচ্ছে কখন একজন ব্যক্তিত্বের সন্তুষ্টি কিংবা অসন্তুষ্টিতে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা সন্তুষ্ট কিংবা অসন্তুষ্ট হন। যখন কেউ আল্লাহর সবচেয়ে নিকটতম ও সান্নিধ্যপ্রাপ্ত হয়, তখনই কেবল এমন অবস্থানে উন্নীত হতে পারে।

তিনি বলেন: রাসূল (সা.) থেকে বর্ণিত“ফাতেমা আমার অস্তিত্বের অংশবিশেষ। যা কিছু তাকে কষ্ট দেয় তা আমাকেও কষ্ট দেয়। আর যা কিছূ তাকে পীড়িত করে, তা আমাকেও পীড়িত করে।”

নিঃসন্দেহে পিতা ও সন্তানের মধ্যকার পারস্পরিক ভক্তি ও ভালবাসা কখনও এরূপ অবস্থার ব্যাখ্যা দিতে পারে না। কেননা, মহানবী (সাঃ) “রাসূলুল্লাহ” হিসেবে আল্লাহ্র ইচ্ছা ব্যতীত অন্য কোন ইচ্ছা করতে পারেন না। আর ফাতেমা যাহ্রা (আঃ)-এর ইচ্ছার সাথে আল্লাহ্ ও তার রাসূল (সাঃ)-এর ইচ্ছার সম্পৃক্ততা, এটারই প্রমাণ বহন করে যে, তাঁর (ফাতেমার) আশা-আকাংখা ও ইচ্ছা কেবল মহান আল্লাহর শ্বাশ্বত ইচ্ছাতে পরিসমাপ্ত ঘটে।

613902

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য