خبرگزاری شبستان

چهارشنبه ۷ تیر ۱۳۹۶

الأربعاء ٤ شوّال ١٤٣٨

Wednesday, June 28, 2017

বিজ্ঞাপন হার

ইরানে জার্মান যুব দম্পতির ইসলাম গ্রহণ

মায়ারেফ বিভাগ: সম্প্রতি এক জার্মান যুব-দম্পতি ইরানের ধর্মীয় নগরী কোমে একজন প্রখ্যাত আলেমের উপস্থিতিতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Saturday, March 18, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 26092

জীবনসঙ্গি হিসেবে ফাতেমা যাহরাকে (আ.) কেমন পেয়েছিলেন ইমাম আলী (আ.)?
মায়ারেফ বিভাগ: রাসূলের (সা.) ঘোষণা অনুযায়ী নবী নন্দিনী হযরত ফাতেমা যাহরা (আ.) জান্নাতের নারীদের নেতা এবং নারী জাতির মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাবান ও ফজিলতপূর্ণ নারী। তিনি আমিরুল মু’মিনিন আলীর (আ.) সুযোগ্যা স্ত্রী।

জীবনসঙ্গি হিসেবে ফাতেমা যাহরাকে (আ.) কেমন পেয়েছিলেন ইমাম আলী (আ.)?

মায়ারেফ বিভাগ: রাসূলের (সা.) ঘোষণা অনুযায়ী নবী নন্দিনী হযরত ফাতেমা যাহরা (আ.) জান্নাতের নারীদের নেতা এবং নারী জাতির মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাবান ও ফজিলতপূর্ণ নারী। তিনি আমিরুল মু’মিনিন আলীর (আ.) সুযোগ্যা স্ত্রী।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: হাদীসের বর্ণনা অনুযায়ী রাসূল (সা.) সরাসরি আল্লাহর নির্দেশে স্বীয় কন্যা ফাতেমা যাহরাকে (আ.) আলী ইবনে আবি তালিবের (আ.) সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করেন। তাদের উভয়ের বিবাহোত্তর অনুষ্ঠানে রাসূল (সা.) আলীকে জিজ্ঞাসা করেন যে, ফাতেমাকে কেমন পেয়েছ? জবাবে তিনি বলেন:

নিশ্চয়ই আমি তাকে আল্লাহর ইবাদত ও আনুগত্যে একজন সুযোগ্য সহকারি হিসেবে পেয়েছি। এ সংক্ষিপ্ত অথচ অর্থবহ সংজ্ঞার মধ্য দিয়ে আমিরুল মু’মিনিন আলী (আ.) তার জীবনসঙ্গি তথা ফাতেমা যাহরার (আ.) মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব ও ফজিলত আমাদের নিকট তুলে ধরেছেন। প্রকৃতপক্ষে একজন যোগ্য স্বামী কিংবা স্ত্রীর আসল পরিচয় হচ্ছে তারা আল্লাহর ইবাদত ও আনুগত্যের ক্ষেত্রে পরস্পরের সহযোগি হবে; না শয়তানের আনুগত্যের ক্ষেত্রে। সুতরাং একজন আদর্শ স্বামী ও স্ত্রীর বৈশিষ্ট্য এমনই হওয়া উচিত।

নবী নন্দিনীর ফজিলতে এখানে আরও একটি রেওয়ায়েত বর্ণনা করা উপযুক্ত মনে করছি- হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, হযরত মারিয়াম তার যুগের নারীদের মধ্যে  সবচেয়ে উত্তম; হযরত ফাতেমা সমস্ত যুগের নারীদের মধ্যে সর্বোত্তম। কাজেই হযরত মারিয়ামের চেয়েও রাসূলের (সা.) কন্যা অধিক ফজিলতের অধিকারী।

 

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য