خبرگزاری شبستان

پنج شنبه ۳ فروردین ۱۳۹۶

الخميس ٢٥ جمادى الثانية ١٤٣٨

Thursday, March 23, 2017

বিজ্ঞাপন হার

ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের মাধ্যমে আমাদের পরিস্থিতি উন্নতি হবে

মাহদাভিয়াত বিভাগ: নববর্ষের দোয়াতে যে বলা হয় হে আল্লাহ! আমাদের অবস্থাতে উত্তম অবস্থায় পরিবর্তণ করুন। এটার অর্থ হচ্ছে ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের মাধ্যমে আমাদের পরিস্থিতিকে উন্নত করুন।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Monday, March 20, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 26096

'আরব সরকারগুলো সন্ত্রাসীদের জন্য অর্থ ব্যয় না করে ফিলিস্তিনিদের সহায়তা করতে পারত'
লেবাননের ইসরাইল বিরোধী প্রতিরোধ সংগঠন হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেছেন, রাজতান্ত্রিক আরব সরকারগুলো সিরিয়ায় সন্ত্রাসীদের পেছনে যে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছে তা দিয়ে তারা ফিলিস্তিনের অসহায় মানুষকে সাহায্য করা ও গাজার পুনর্গঠনে অবদান রাখতে পারত। নবী নন্দিনী হযরত ফাতেমা জাহরা (সা.)'র শুভ জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে এক ভাষণে এ কথা বলেছেন তিনি।

'আরব সরকারগুলো সন্ত্রাসীদের জন্য অর্থ ব্যয় না করে ফিলিস্তিনিদের সহায়তা করতে পারত'

লেবাননের ইসরাইল বিরোধী প্রতিরোধ সংগঠন হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেছেন, রাজতান্ত্রিক আরব সরকারগুলো সিরিয়ায় সন্ত্রাসীদের পেছনে যে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছে তা দিয়ে তারা ফিলিস্তিনের অসহায় মানুষকে সাহায্য করা ও গাজার পুনর্গঠনে অবদান রাখতে পারত। নবী নন্দিনী হযরত ফাতেমা জাহরা (সা.)'র শুভ জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে এক ভাষণে এ কথা বলেছেন তিনি।

হিজবুল্লাহ মহাসচিব বলেন, সিরিয়ার বিরুদ্ধে ব্যাপক ষড়যন্ত্র করেও সাম্রাজ্যবাদী বৃহৎ শক্তিগুলো এবং এ অঞ্চলের কয়েকটি আরব দেশ তারা তাদের লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি। তিনি বলেন, সিরিয়াসহ এ অঞ্চলের প্রতিরোধকামী শক্তিকে নির্মূল করার জন্য এ পর্যন্ত কোটি কোটি ডলার ব্যয় করা হয়েছে। কিন্তু সিরিয়াকে দখল করা সম্ভব হবে বলে যারা ভেবেছিল তাদের সে ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে এবং ব্যর্থ হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, হিজবুল্লাহ মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহর এ বক্তব্য থেকে এ অঞ্চলের দেশগুলোর বিরুদ্ধে আমেরিকা ও দখলদার ইসরাইলের যৌথ ষড়যন্ত্রের বিষয়টি উপলব্ধি করা যায়। আমেরিকা ও তার মিত্র দেশগুলো সারা বিশ্ব থেকে সন্ত্রাসী সংগ্রহ করে সিরিয়ায় পাঠিয়েছে যাতে এ অঞ্চলে ইসরাইল বিরোধী প্রতিরোধ শক্তিগুলোকে ধ্বংস করে দেয়া যায়। এমনকি এ লক্ষ্যের কথা তারা স্বীকারও করেছে। বলা যায়, দায়েশসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো আমেরিকা, ইসরাইল ও রাজতন্ত্র শাসিত আরব দেশগুলোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ ষড়যন্ত্র শুধু সিরিয়ার জন্য নয় বরং সমগ্র ওই অঞ্চলের জন্য বিরাট বিপদজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অবস্থান পর্যালোচনা করে আমেরিকা, ইসরাইল ও এ অঞ্চলে তাদের পদলেহী সরকারগুলো এখন এটা বুঝতে পেরেছে যে, ইসরাইল বিরোধী প্রতিরোধ শক্তিগুলোই তাদের সামনে প্রধান বাধা। এ কারণে প্রতিরোধ শক্তিকে নির্মূল করার প্রথম ধাপ হিসেবে তারা সিরিয়াকে টার্গেট করেছে। একই সঙ্গে লেবাননের হিজবুল্লাহ'র বিরুদ্ধেও তারা কঠিন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

আমেরিকা, ইসরাইল, ইউরোপ, সৌদি আরব, কাতার, তুরস্কসহ আরো কয়েকটি দেশের সহযোগিতায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো ২০১১ সালের মার্চ থেকে সিরিয়ায় হামলা শুরু করে এবং দেশটিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়। কিন্তু সিরিয়ার সরকার ও জনগণের তীব্র প্রতিরোধের কারণে শত্রুদের সব ষড়যন্ত্র বানচাল হয়ে গেছে। এই পরাজয় সন্ত্রাসীদের সমর্থক দেশগুলোকে চিন্তিত করে তুলেছে এবং চূড়ান্ত পরাজয় ঠেকানোর জন্য তারা সিরিয়ার অভ্যন্তরে আরো বেশি হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে যাতে পরবর্তীতে লেবাননের হিজবুল্লাহকেও পুরোপুরি শেষ করে দেয়া যায়। এ ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের জন্য আমেরিকা এখন সরাসরি সিরিয়ায় সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা নিয়েছে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইসরাইলও সিরিয়ায় বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে, সন্ত্রাসীদের অন্যতম মদদদাতা সৌদি আরবও শান্তির কথা বলে সিরিয়ায় সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। মোটকথা, ইসরাইল, আমেরিকা ও সৌদি সমর্থিত ওয়াহাবি গোষ্ঠীগুলো এ অঞ্চলে সংকট সৃষ্টি করে চলেছে। লেবাননের হিজবুল্লাহ মহাসচিবও ঠিক এ বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন, এ কারণেই তাকফিরি গোষ্ঠীগুলো ও তাদের সমর্থক দেশগুলো রাজনৈতিক উপায়ে সিরিয়া সমস্যা সমাধানের চেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং যুদ্ধ জিইয়ে রেখেছে।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য