خبرگزاری شبستان

سه شنبه ۳۱ مرداد ۱۳۹۶

الثلاثاء ٣٠ ذو القعدة ١٤٣٨

Tuesday, August 22, 2017

বিজ্ঞাপন হার

যাদের প্রশংসা করলেন বাশার আসাদ

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ রাজধানী দামেস্কে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সমাবেশে শত্রুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সহযোগিতার জন্য বিভিন্ন দেশ ও ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করেছেন।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Wednesday, April 19, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 26298

বেলজিয়াম ও জার্মানে ইমাম মুসা কাজিমের শাহাদাত বার্ষিকী পালিত
আন্তর্জাতিক বিভাগ: বাবুল হাওয়ায়েজ ইমাম মুসা কাজিম (আ.)-এর শাহাদত বার্ষিকীর শোক অনুষ্ঠান পালিত হয়েছে বেলজিয়ামের এন্টওয়ার্প এবং জার্মানির হামবুর্গ, ইসলামী সেন্টারে।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: ২৫ রজব ইমাম মুসা ইবনে জাফর আল কাজিম (আঃ) এর শাহাদাত দিবস। ১৮৩ হিজরীর এই দিনে বাগদাদে ৫৫ বছর বয়সে তদানীনন্তীন শাসক হারুন-আর-রশীদের এক চক্রান্তমূলক বিষ প্রয়োগে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।

মাম মুসা ইবনে জাফর আল কাজিম (আ.) ছিলেন ইমামতি ধারার সপ্তম ইমাম। খোদার ইবাদত বন্দেগীতে অন্যান্য নিষ্ঠাবান হওয়ায় তিনি আব্দুস সালেহ বা খোদার নেক বান্দাহ খেতাবে ভূষিত হন। আবুল হাসান নামেও তার যথেষ্ট পরিচিতি ছিল। তাঁর মূল নাম ছিল মুসা। আল-কাজিম ছিল তার উপাধি এবং ডাকনাম ছিল আবু ইবরাহীম।

ইমাম মুসা আল কাজিমের (আ.) পবিত্র জীবনের প্রথম বিশ বছর অতিবাহিত হয় তাঁর মহান পিতার পবিত্র ও আন্তরিক পৃষ্ঠপোষকতায়। পিতা ইমাম জাফর আস সাদেক (আঃ) এর কাছে থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত প্রতিভা ও আলোকোজ্জ্বল দিক-নির্দেশনা ও শিক্ষায় তাঁর ভবিষ্যত ব্যক্তিত্ব বিকশিত হয়। ছেলেবেলা থেকেই তিনি খোদায়ী জ্ঞানে সমৃদ্ধি অর্জন করেন।

ইমাম মুসা আল-কাজিমের (আ.) জীবন অতিবাহিত হয় আব্বাসীয় শাসনের ক্রান্তিকালে। তিনি একাধারে আল মনসুর আদ দাওয়াকিনি, আল মাহদী ও হারুন আর রশীদের শাসনকাল প্রত্যক্ষ করেছেন। আল মনসুর ও হারুন আর রশীদ মহানবী (সা.)-এর বহু ভক্ত অনুসারীকে তরবারির নীচে স্থান দান করে। তাঁর জীবনকালেই বহু লোককে জীবন্ত কবর দিয়ে শহীদ করা হয় এবং অনেককে কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আবদ্ধ করা হয়।

১৬৪ হিজরীতে আল মনসুরের পুত্র আল মাহদী শাসক হিসাবে একবার মাদীনায় আসে এবং ইমাম মুসা আল কাজিমের (আ.) ব্যাপক সুনাম ও সুখ্যাতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে তাঁকে বাগদাদে নিয়ে যায় এবং কারাগারে নিক্ষেপ করে। এক বছর পর ইমামকে মুক্তি দেয়। ১৭০ হিজরীতে হারুন আর রশীদ আব্বাসীয় সাম্রাজ্যের প্রধান হিসাবে ক্ষমতাসীন হলে ইমাম মুসা আল কাজিমকে পুনরায় কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়।

১৭৯ হিজরীতে হারুন আর রশীদ মদীনা সফরে এসে মদীনার জনসাধারণের মধ্যে এই মহান ইমামের বিরাট প্রভাব ও বিপুল জনপ্রিয়তা দেখে হিংসা ও শত্রুতার আগুনে জ্বলে ওঠে। মসজিদে নবীতে নামাজরত অবস্থায় ইমামকে সে গ্রেফতার করে বাগদাদের কারাগারে নিয়ে চার বছর পর্যন্ত আটক করে রাখে।

১৮৩ হিজরীর ২৫ রজব বিষ প্রয়োগ তাঁকে শহীদ করা হয়। তাঁর লাশের সাথেও মানবিক আচরণ করা হয়নি। কারাগার থেকে বের করে তাঁর লাশ বাগদাদ সেতুর উপর ফেলে রাখা হয়। ইমামের ভক্ত ও অনুসারীরা তাঁর লাশ সংগ্রহ করে ইরাকের কাজিমিয়াতে দাফন করেন।

623321

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য