خبرگزاری شبستان

جمعه ۳۱ فروردین ۱۳۹۷

الجمعة ٥ شعبان ١٤٣٩

Friday, April 20, 2018

বিজ্ঞাপন হার

কেন ইমাম হুসাইনকে হেদায়েতের আলো এবং মুক্তির তরী বলা হয়?

মাহদাভিয়াত বিভাগ: চতুর্থ হিজরির তৃতীয় শা’বান মানবজাতি ও বিশেষ করে, ইসলামের ইতিহাসের এক অনন্য ও অফুরন্ত খুশির দিন। কারণ, এই দিনে জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)’র প্রাণপ্রিয় দ্বিতীয় নাতি তথা বেহেশতী নারীদের নেত্রী হযরত ফাতিমা (সা.) ও বিশ্বাসীদের নেতা তথা আমীরুল মুমিনিন হযরত আলী (আ.)’র সুযোগ্য দ্বিতীয় পুত্র এবং ইসলামের চরম দূর্দিনের ত্রাণকর্তা ও শহীদদের নেতা হযরত ইমাম হুসাইন (আ.)।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Sunday, June 11, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 26709

প্রকৃত মুসলিম কখনও গালিগালাজ করে না: ইসলামি গবেষক
মায়ারেফ বিভাগ: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের খ্যাতনামা ইসলামি গবেষক ও চিন্তাবিদ হযরত হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন মুহাম্মাদ বাকের আলাভী তেহরানি বলেছেন যে, একজন প্রকৃত ও ঈমান মুসলিম কখনও গালিগালাজ ও অকথ্য ভাষার মাধ্যমে নিজের মুখ ও ভাষাকে কলুষিত করে না।

প্রকৃত মুসলিম কখনও গালিগালাজ করে না: ইসলামি গবেষক

মায়ারেফ বিভাগ: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের খ্যাতনামা ইসলামি গবেষক ও চিন্তাবিদ হযরত হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন মুহাম্মাদ বাকের আলাভী তেহরানি বলেছেন যে, একজন প্রকৃত ও ঈমান মুসলিম কখনও গালিগালাজ ও অকথ্য ভাষার মাধ্যমে নিজের মুখ ও ভাষাকে কলুষিত করে না।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: হযরত হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন মুহাম্মাদ বাকের আলাভী তেহরানি মাহে রমজান উপলক্ষে আয়োজিত ধর্মীয় আলোচনার এক অনুষ্ঠানে বলেন: পবিত্র ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী গালিগালাজ বা অকথ্য ও অসৌজন্য কথাবার্তা জায়েজ না। আর এ ধরনের ভাষা ব্যবহারকারি ইসলামের দৃষ্টিতে গুনাহ বা পাপকর্ম সম্পন্নকারী ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত। গালিগালাজ কখনও একজন মু’মিন ও ঈমানদার ব্যক্তির ভাষা হতে পারে না। কেননা আমাদের রাসূল (সা.) ছিলেন মানব জাতির জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। তিনি আরবের কুরাইশ কাফেরদের অবর্ণনীয় অত্যাচার ও নির্যাতন সত্বেও আদৌ কোন দিন অকথ্য ভাষা প্রয়োগ করেন নি।

তিনি বলেন: একদা জনৈক ব্যক্তি ইমাম হাসান মুজতাবাকে (আ.) উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করে। এমতাবস্থায় ইমাম (আ.) মুসকি হেসে তাকে নিজের কাছে টেনে নিয়ে বলেন যে, ভাই তুমি হয়তো মুসাফির; যদি কোন সমস্যাতে থাক, তবে আমি তোমাকে সহায়তা করতে পারি। লোকটি ইমামের এমন মাধুর্যপূর্ণ ব্যবহারে খুশি হয়ে একজন ঈমানদার ব্যক্তিতে পরিণত হয়। সুতরাং কখনও গালিগালাজের জবাব গালিগালাজ দিয়ে দেয়া উচিত নয়। বরং উত্তম ও ভাল আচরণ অনেক সময় একজন বিপথগামী ব্যক্তিকে সুপথে আনতে পারে।

 

বিশ্লেষণও নোট :
|
|
|

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য