خبرگزاری شبستان

جمعه ۳۱ فروردین ۱۳۹۷

الجمعة ٥ شعبان ١٤٣٩

Friday, April 20, 2018

বিজ্ঞাপন হার

কেন ইমাম হুসাইনকে হেদায়েতের আলো এবং মুক্তির তরী বলা হয়?

মাহদাভিয়াত বিভাগ: চতুর্থ হিজরির তৃতীয় শা’বান মানবজাতি ও বিশেষ করে, ইসলামের ইতিহাসের এক অনন্য ও অফুরন্ত খুশির দিন। কারণ, এই দিনে জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)’র প্রাণপ্রিয় দ্বিতীয় নাতি তথা বেহেশতী নারীদের নেত্রী হযরত ফাতিমা (সা.) ও বিশ্বাসীদের নেতা তথা আমীরুল মুমিনিন হযরত আলী (আ.)’র সুযোগ্য দ্বিতীয় পুত্র এবং ইসলামের চরম দূর্দিনের ত্রাণকর্তা ও শহীদদের নেতা হযরত ইমাম হুসাইন (আ.)।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Sunday, June 18, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 26751

যে রজনীতে মানুষের ভাগ্য নির্ধারিত হয়
মায়ারেফ বিভাগ: শবে কদরে পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছে। মূলত এজন্যই রমজান মাস কিংবা এ রাতের এত গুরুত্ব ও তাৎপর্য। পবিত্র কুরআন যদি রমজান ব্যতীত অন্য কোন মাসে নাজিল হতো, তাহলে ঐ মাসেরই গুরুত্ব ও ফজিলত থাকতো। শবে কদরের এক রাতের ইবাদতকে পবিত্র কুরআনে হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

যে রজনীতে মানুষের ভাগ্য নির্ধারিত হয়

মায়ারেফ বিভাগ: শবে কদরে পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছে। মূলত এজন্যই রমজান মাস কিংবা এ রাতের এত গুরুত্ব ও তাৎপর্য। পবিত্র কুরআন যদি রমজান ব্যতীত অন্য কোন মাসে নাজিল হতো, তাহলে ঐ মাসেরই গুরুত্ব ও ফজিলত থাকতো। শবে কদরের এক রাতের ইবাদতকে পবিত্র কুরআনে হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: পবিত্র কুরআনে ‘কদর’ নামে স্বতন্ত্র একটি সূরা নাজিল করে আল্লাহতায়ালা শবে-কদরের গুরুত্ব অল্প কথায় বুঝিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেছেন আমি একে নাজিল করেছি শবে-কদর। শবে-কদর সম্বন্ধে আপনি কি জানেন? শবে-কদর হলো হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এতে প্রত্যেক কাজের জন্য ফেরেশতাগণ ও রুহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশে। এটা নিরাপত্তা- যা ফজর উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।

২৩ রমজান দিবাগত রাত পবিত্র লাইলাতুল কদর! কদরের শাব্দিক অর্থ মর্যাদা ও মাহাত্ম্য। অফুরন্ত মর্যাদা ও মাহাত্ম্যের পরপ্রেক্ষিতে এ রাতকে লাইলাতুল কদর বলা হয়।

রাসূল (সা) আরো বলেছেন,শবেক্বদরে যারা রাতভর জেগে থেকে ইবাদাত করে পরবর্তী বছর পর্যন্ত তাদের শাস্তি মওকুফ হয়ে যায়। তাই রাসূল ( সা ) এই রাতে জাগ্রত থাকার ব্যাপারে অবহেলা প্রদর্শন করতে বিশেষ করে একুশতম,তেইশতম,পচিশতম ও সাতাশতম রমযানের রাতে ইবাদাত করার ব্যাপারে অমনোযোগী হতে নিষেধ করেছেন। তাই এই রাতগুলোকে জীবনের শ্রেষ্ঠ রাত মনে করে সর্বপ্রকার অলসতা থেকে নিজেকে দূরে রেখে ইবাদাত বন্দেগিতে আত্মনিবেদন করবেন এটাই প্রত্যাশা। মনে রাখবেন এ কটা রাত খাওয়া-দাওয়া যতোটা পরিমিত এবং ইসলাম নির্দেশিতভাবে করার সুযোগ হবে রাত জেগে ইবাদাত করার ব্যাপারে স্বাস্থ্য ততো বেশি।

অনুকূল থাকবে-তাতে কোনো সন্দেহ নেই। খাবার দাবার যতো বেশি করবেন শরীর ততোটাই বিশ্রাম করতে চাইবে।

ইমাম জাফর সাদিক (আ.) বলেছেন, যে ব্যক্তি শবেক্বদরকে রাতভর জেগে থেকে রুকু-সেজদার মধ্য দিয়ে কাটিয়েছে এবং নিজের পাপ-কালিমার স্তুপকে মূর্তমান করে তুলে অনুশোচনায় কান্নাকাটি করে কাটিয়েছে, ঐ ব্যক্তিকে সাবাস দেই,সাধুবাদ জানাই। যারা এভাবে শবেক্বদরকে উদযাপন করেছে আশা করি তারা নিরাশ হবে না এবং নিজস্ব লক্ষ্যে পৌঁছুতে সক্ষম হবে। ইমামের এই আশাবাদ যেন আমাদের সবার জীবনে বাস্তব হয়ে ওঠে সেই দোয়া হোক পরস্পরের জন্যে।

 

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য