خبرگزاری شبستان

شنبه ۳۱ تیر ۱۳۹۶

السبت ٢٨ شوّال ١٤٣٨

Saturday, July 22, 2017

বিজ্ঞাপন হার

সকল যুদ্ধে জন্য দায়ি হল ইসরাইল আর আমেরিকা: বাদরুদ্ধিন আল হুথি

আন্তর্জাতিক বিভাগ: ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ প্রতিরোধ আন্দোলনের নেতা সাইয়্যেদ আব্দুল মালেক হুথি বলেন, বিশ্বে যত যুদ্ধ সংঘটিত হচ্ছে তার মূলে রয়েছে ইসরাইল আর আমেরিকা।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Sunday, June 25, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 26793

নফসের বিরুদ্ধে বিজয়ের কারণেই ঈদুল ফিতরের আনন্দ
মায়ারেফ বিভাগ: ঈদুল ফিতর আসে দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর। রমজান মাসের রোজা মানুষকে না খেয়ে থাকার কষ্ট বুঝতে সাহায্য করে। এতে করে দরিদ্র মানুষের দুরবস্থা সম্পর্কে ধনিক শ্রেণীর প্রত্যক্ষ ধারণা জন্মে।

নফসের বিরুদ্ধে বিজয়ের কারণেই ঈদুল ফিতরের আনন্দ

মায়ারেফ বিভাগ: ঈদুল ফিতর আসে দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর। রমজান মাসের রোজা মানুষকে না খেয়ে থাকার কষ্ট বুঝতে সাহায্য করে। এতে করে দরিদ্র মানুষের দুরবস্থা সম্পর্কে ধনিক শ্রেণীর প্রত্যক্ষ ধারণা জন্মে।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: রোজা মানুষের কাম-ক্রোধ, ভোগলিপ্সা নিয়ন্ত্রণের শিক্ষা প্রদান করে। এ শিক্ষা সার্থক হয়েছে কিনা তার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায় ঈদ উদযাপনের মধ্য দিয়ে। ঈদের আনন্দ শুধু নিজের এবং নিজের পরিবারের মধ্যে সীমিত না করে এ আনন্দকে যথাসম্ভব সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া, সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেয়ার মধ্যে দিয়েই ঈদের আনন্দ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।

ঈদের দিনে সব শ্রেণীর মানুষ পরস্পর হিংসা-বিবাদ বৈষম্য ভুলে পরস্পর উৎসবে মিলিত হয়। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় এক সুন্দর সামাজিক সংহতি। এই সৌহার্দপূর্ণ সংহতির পরিবেশ সৃষ্টিই ঈদের যথার্থ তাৎপর্য।

ঈদের আনন্দ উপযুক্ত আনন্দের মতো কোনো স্থূল আনন্দ বা অপেক্ষাকৃত সংখ্যাগরিষ্ঠদের আনন্দ নয়। ঈদের আনন্দ সর্বজনীন।

ঈদের শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে ধনী, গরিব, জ্ঞানী, মূর্খ, শাসক-শাসিত সবাই মিলে একসঙ্গে উৎসব করা। ঈদ উপলক্ষে যদি মানুষ ভেদাভেদ ভুলে পরস্পর একাকার না হতে পারে তাহলে তা স্বার্থক ঈদ পালন হয় না। ঈদ উপলক্ষে সবাই যাতে আনন্দ করতে পারে সে পরিবেশ সৃষ্টির দায়িত্ব সব সচেতন মানুষের।

ঈদুল ফিতরের নামাজের মুস্তাহাবসমূহ:

১। ঈদের নামাজ জামাতের সাথে পড়তে হবে।

২। ঈদের নামাজ জোরে পড়তে হবে। এবং নামাজ শেষে দুইট খোতবা দিতে হবে। জুম্মার নামাজে প্রথমে খোতবা দিতে হয় আর ঈদের নামাজের পরে খোতবা দিতে হয়।

৩।  প্রথম রাকাতে সূরা হামদের পর সূরা আলা «سَبِّحِ اسْمِ رَبِّک الاْعْلی»  এবং দ্বিতীয় রাকাতে সূরা হামদের পর সূরা শামস «وَ الشَّمْس»  পড়তে হয়।

৪। ঈদের দিন সকালে উঠে খোরমা দিতে নাস্তা করা।

৫। নামাজের পূর্বে গোসল করা এবং দোয়া এবং যিকির পাঠ করা।

৬। খোলা আকাশে নামাজ পড়া এবং মাটিতে সেজদা দেয়া।

৭। ইমাম হুসাইনের যিয়ারত পাঠ করা।

৮। চাদ দেখার পর থেকে গোটা ঈদের দিন এই দোয়া পাঠ করা: «اَللّهُ اَکبَرُ، اَللّهُ اَکبَرُ، لا إلهَ إلاّ اللّهُ وَ اَللّهُ اَکبَرُ، اللّهُ اَکبَرُ وَ لِلّهِ الْحَمْدُ، اَللّهُ اَکبَرُ عَلی ما هَدانا».

উল্লেখ্য, ফেতরা দেয়া ওয়াজিব এবং ফেতরা দেয়ার সময় হচ্ছে ঈদের চাদ দেখার পর থেকে ঈদের নামাজের আগ পর্যন্ত। যদি কেউ ঈদের নামাজ না পড়ে সে যোহরের নামাজের আগ পর্যন্ত দিতে পারবে। তবে সবাই ঈদের চাদ দেখার পর থেকে ঈদের নাামজের আগ পর্যন্ত ফেতরার টাকা , চাল বা আটা  আলাদা করে রাখতে পারবে এবং পরে সময় মত তা দরিদ্রদের মাঝে দান করে দিবে।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য