خبرگزاری شبستان

سه شنبه ۲۸ شهریور ۱۳۹۶

الثلاثاء ٢٨ ذو الحجّة ١٤٣٨

Tuesday, September 19, 2017

বিজ্ঞাপন হার

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার দাবি মানবাধিকার সংস্থার

স্পেশাল ডেস্ক: মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বা এইচআরডাব্লিউ।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Sunday, July 16, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 26877

ইমাম মাহদীর (আ.) রাষ্ট্রের কর্ম পদ্ধতি কেমন হবে?
মায়ারেফ বিভাগ: সমগ্র সৃষ্টি জগতের উদ্দেশ্য যেহেতু পূর্ণতার পৌছান এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভ। সেহেতু এ মহান উদ্দেশ্য পৌছানোর জন্য প্রয়োজন তার প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করা। আর ইমাম মাহদীর বিশ্বজনীন হুকুমতের উদ্দেশ্যও হচ্ছে আল্লাহর নৈকট্য লাভ এবং এ লক্ষ্যে পৌছাতে আমাদের করণীয় হচ্ছে সব বাধা উপেক্ষা করা।

ইমাম মাহদীর (আ.) রাষ্ট্রের কর্ম পদ্ধতি কেমন হবে?

মায়ারেফ বিভাগ: সমগ্র সৃষ্টি জগতের উদ্দেশ্য যেহেতু পূর্ণতার পৌছান এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভ। সেহেতু এ মহান উদ্দেশ্য পৌছানোর জন্য প্রয়োজন তার প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করা। আর ইমাম মাহদীর বিশ্বজনীন হুকুমতের উদ্দেশ্যও হচ্ছে আল্লাহর নৈকট্য লাভ এবং এ লক্ষ্যে পৌছাতে আমাদের করণীয় হচ্ছে সব বাধা উপেক্ষা করা।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: মানুষ যেহেতু শরীর ও আত্মা দিয়ে তৈরী কাজেই তার প্রয়োজনও, পার্থিব ও আধ্যাত্মিক দুই ভাগে বিভক্ত৷ সুতরাং পূর্ণতায় পৌছানোর জন্য দুদিকেই সমানভাবে অগ্রসর হতে হবে৷ ন্যায়পরায়ণতা যেহেতু ঐশী হুকুমতের মূলমন্ত্র কাজেই তা মানুষের দুদিকেই উন্নত করার জামানত দিতে পারে৷

ইমাম হুসাইন (আ.) বলেছেন: যদি মহাপ্রলয়ের মাত্র একটি দিনও অবশিষ্ট থাকে আল্লাহ তায়ালা সে দিনকে এত বেশী দীর্ঘায়ীত করবেন যে, আমার বংশ থেকে একজন আবির্ভূত হবে এবং পৃথিবী যেমনঃ অন্যায়-অত্যাচারে ভরে গিয়েছিল তেমনিভাবে ন্যায়নীতিতে ভরে তুলবেন৷ রাসূল(সা.)-এর কাছে আমি এমনটি শুনেছি (কামালুদ্দিন, খণ্ড-১, বাব ৩০, হাঃ ৪ এবং৫৮৪)৷

ইমাম মাহ্দী (আ.)-এর হুকুমত সম্পর্কে যে সকল রেওয়ায়াত বর্ণিত হয়েছে তা থেকে বোঝা যায় যে, তাঁর হুকুমতের প্রধান তিনটি কর্মসূচী রয়েছে এবং তা হচেছ: সাংস্কৃতিক কর্মসূচী, সামাজিক কর্মসূচীএবং অর্থনৈতিক কর্মসূচী৷

ইমাম আলী (আ.) ইমাম মাহ্দী (আ.)-এর কোরআনী হুকুমতকে স্পষ্ট ভাষায় এভাবে বর্ণনা করেছেন: যখন মানুষের নফস হুকুমত করবে তখন (ইমাম মাহ্দী আবির্ভূত হবেন) এবং হেদায়াত ও সাফল্যকে নফসের স্থলাভিষিক্ত করবেন৷ যেখানে ব্যক্তির মতকে কোরআনের উপর প্রাধান্য দেওয়া হত তা পরিবর্তন হয়ে কোরআনকে সমাজের উপর হাকেম করা হবে (নাহজুল বালাগা খোতবা ১৩৮)৷

তিনি অন্যত্র আরো বলেছেন: আমি আমার শিয়াদেরকে দেখতে পাচিছ যে, কুফার মসজিদে তাবু বানিয়ে কোরআন যেভাবে অবতীর্ণ হয়েছিল সেভাবে জনগণকে শিক্ষা দিচেছ (গাইবাতে নোমানি বাব ২১, হাঃ ৩, পৃ.-৩৩৩)৷

নৈতিকতার প্রসার, পবিত্র কোরআন ও আহলে বাইতের শিক্ষাতে মানুষের চারিত্রিক ও আধ্যাত্মিক উন্নতির প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে৷ কেননা, মানুষের উদ্দেশ্যের পথে অগ্রগতি ও উন্নতির মূলমন্ত্র হচেছ তার উত্তম চরিত্র৷ রাসূল (সা.) নিজেও তাঁর নবুয়্যতের উদ্দেশ্যকে চারিত্রিক গুনাবলীকে পরিপূর্ণতায় পৌঁছানো বুঝিয়েছেন।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য