خبرگزاری شبستان

سه شنبه ۲۱ آذر ۱۳۹۶

الثلاثاء ٢٤ ربيع الأوّل ١٤٣٩

Tuesday, December 12, 2017

বিজ্ঞাপন হার

ইমাম মাহদীর(আ.) জ্ঞানের প্রকৃতি ও উতস

মাহদাবিয়াত বিভাগ: ইমাম জাফর সাদিক (আ.) বলেছেন: জ্ঞান-বিজ্ঞানের ২৭টি অক্ষর রয়েছে নবীগণ যা এনেছেন তা হচ্ছে মাত্র ২টি অক্ষর এবং জনগণও এই দুই অক্ষরের বেশী কিছু জানে না। যখন আমাদের কায়েম কিয়াম করবে বাকি ২৫টি অক্ষর বের করবেন এবং মানুষের মধ্যে তা প্রচার করবেন। অতঃপর ওই দু’অক্ষরকেও তার সাথে যোগ করে মানুষের মাঝে প্রচার করবেন।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Thursday, September 28, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27406

ইমাম হুসাইনের স্মরণ করা মানে সব ইমামদের সম্মান করা
মাহদাভিয়াত বিভাগ: বহু হাদিসে ইমাম হুসাইন(আ.)-এর বিমেষ মর্যদা সম্পর্কে বর্নিত হয়েছে। যেমন: হুসাইন হেদায়াতের বাতি ও মুক্তির তরি। এই হাদিসের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে আমরা সবাই হেদায়াতের বাতি ও মুক্তির তরি কিন্তু হুসাইনের তরি হচ্ছে বৃহত ও দ্রুতগতি সম্পন্য।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: ইমাম হুসাইনের বিশেষ মর্যদা সম্পর্কে বিহারুল অঅনওয়ার গ্রন্থে বর্নিত হয়েছে: إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى عَوَّضَ الْحُسَیْنَ(ع) مِنْ قَتْلِهِ أَنْ جَعَلَ الْإِمَامَةَ فِی ذُرِّیَّتِهِ وَ الشِّفَاءَ فِی تُرْبَتِهِ وَ إِجَابَةَ الدُّعَاءِ عِنْدَ قَبْرِه  মহান আল্লাহ ইমাম হুসাইনের শাহাদাতের বিনিময়ে ইমামতকে তার উরসে দান করেছেন, তার কবরের মাটিতে শাফা বা মুক্তি দান করেছেন, তার মাজারে দোয়া করলে তা কবুল হবে।

একদিন হুসাইন (আ.) মহানবীর পবিত্র ঊরুর ওপর বসেছিলেন। তিনি তাঁকে চুমো দিচ্ছিলেন এবং তাঁকে বলছিলেন:

انت السیّد ابن السیّد ابو السادة- انت الامام ابن الامام ابو الائمة- انت الحجة ابن الحجة ابو الحجج تسعة من صلبک و تاسعهم قائمهم (حجّ)

তুমি নেতা, নেতার সন্তান ও নেতাদের পিতা, তুমি ইমাম, ইমাম-পুত্র ও ইমামদের পিতা; তুমি মহান আল্লাহর নিদর্শন পুরুষ,নিদর্শন পুরুষের সন্তান এবং নয়জন নিদর্শন পুরুষের পিতা। আর এদের মধ্যে নবম নিদর্শন পুরুষই হচ্ছে ইমাম মাহ্দী।

একদিন মহানবী বাড়ি থেকে বের হওয়ার সাথে সাথেই শিশু হাসান ও হুসাইনের কান্নার শব্দ শুনতে পেলেন। মহানবী হযরত ফাতেমার দিকে দ্রূত অগ্রসর হয়ে বললেন,“আমার দৌহিত্রদ্বয় কাঁদছে কেন?” তখন হযরত ফাতেমা তাঁকে বললেন,“ওরা তৃষ্ণার্ত,তাই পানি চাচ্ছে।” মহানবী এ কথা শুনে পানির খোঁজে গেলেন। কিন্তু পানি পেলেন না। তাই তিনি নিজের পবিত্র জিহ্বা হাসান ও হুসাইনের মুখের ভেতর রাখলেন এবং এর ফলে শিশু ভ্রাতৃদ্বয় কান্না থামালেন। আরো অনেক সময় মহানবী ইমাম হাসান ও হুসাইনের মুখের ভেতর জিহ্বা রেখেছেন এবং তাঁরাও তাঁর জিহ্বা চুষে তৃষ্ণা মিটিয়েছেন।

নিজের গাল হুসাইনের গালের সাথে মিশিয়ে বললেন: حسین منی و انا من حسین، احبّ الله من احبّ حسینا. الحسین سبط من الاسباط

হুসাইন আমা হতে আমিও হুসাইন হতে। যে হুসাইনকে ভালবাসবে আল্লাহ্ও তাকে ভালবাসবেন। হুসাইন সৎ কাজের ক্ষেত্রে যেন নিজেই একটি জাতি।

কখনো কখনো হুসাইন মহানবীর কাছে আসতেন। তখন তিনি হযরত আলীকে বলতেন: হে আলী,ওকে ধরো এবং আমার কাছে নিয়ে এসো।” হযরত আলী হুসাইনকে ধরে মহানবীর কাছে নিয়ে আসতেন এবং মহানবী তাঁকে ধরে চুমো খেতেন।

658859

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য