خبرگزاری شبستان

جمعه ۲۸ مهر ۱۳۹۶

الجمعة ٣٠ المحرّم ١٤٣٩

Friday, October 20, 2017

বিজ্ঞাপন হার

প্রতিরোধ মিডিয়ার সাম্প্রতিক জয়লাভে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে: হাসান নাসরুল্লাহ

আন্তর্জাতিক বিভাগ: লেবাননের হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ, সাম্প্রতিক যুদ্ধক্ষেত্রে বিজয়ে প্রতিরোধ মিডিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Monday, October 09, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27467

ইমাম হুসাইন সম্মানের সাথে শহীদ হয়েছেন যাতে আমরা আশা নিয়ে বাচতে পারি
মাহদাভিয়াত বিভাগ: মদীনা থেকে মক্কায়, মক্কা থেকে কুফায় বিভিন্ন মঞ্জিলে বিভিন্ন জনপদে তিনি বক্তব্য রাখেন। ইমাম হুসাইন(আ.) বলেন, ‘আমি কোনো ধন-সম্পদ বা ক্ষমতার লোভে কিংবা গোলযোগ সৃষ্টির জন্য কিয়াম করছি না, আমি শুধু আমার নানাজানের উম্মতের মধ্যে সংস্কার করতে চাই। আমি সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ করতে চাই এবং আমার নানাজান যে পথে চলেছেন আমিও সে পথে চলতে চাই। (মাকতালু খারাযমী : ১/১৮৮)

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: ইমাম হুসাইন(আ.) আরো বলেন: ইয়াযিদের মত কোন ব্যক্তি যদি ইসলামের রক্ষক হয় তাহলে এখানেই ইসলামের পরিসমাপ্তি।

ইমাম বলেন: তোমরা কি দেখতে পাচ্ছ না যে, সত্যকে অনুসরণ করা হচ্ছে না। তোমরা কি দেখতে পাও না যে, চারদিক ফেতনা-ফ্যাসাদে ছেয়ে গেছে, অথচ কেউ এর প্রতিবাদ করছে না? হে লোকসকল! এই পরিস্থিতিতে আমি মৃত্যুবরণকে কল্যাণ ও মর্যাদাকর ছাড়া আর কিছুই মনে করি না।(তুহাফুল উকুল, ২৪৫)

কারবালার ময়দানে ইমাম হুসাইনের সাথীরা একে-একে যখন সবাই শাহাদাত বরন করছেন এবং হযরত ইমাম হুসাইন(আ.) একা দাড়িয়ে ছিলেন, তখন তিনি বলেন: “কেন আমাকে হত্যা করতে চাও? আমি কি কোন পাপ অথবা অপরাধ করেছি?” এজিদের সৈন্য বাহিনী বোবার মত দাড়িয়ে রইল। পুনরায় ইমাম হুসাইন(আ.) বললেন, “আমাকে হত্যা করলে আল্লাহর কাছে কি জবাব দেবে? কি জবাব দেবে বিচার দিবসে মহানবীর কাছে?” এজিদের সৈন্য বাহিনী পাথরের মত দাঁড়িয়ে আছে।

আবার ইমাম হুসাইন(আ.) বললেন, ‘হাল্ মিন্ নাসিরিন ইয়ানসুরুনা?” আমাদের সাহায্য করার মত কি তোমাদের মাঝে একজনও নাই? তারপরের আহ্বানটি সাংঘাতিক মারাত্বক। ঐতিহাসিকদের মতে এটাই ইমাম হোসাইন(আ.) শেষ আহ্ববান। “আলাম্ তাসমাউ? আলাইসা ফিকুম্ মুসলিমু?” আমার কথা কি শুনতে পাও না? তোমাদের মাঝে কি মাত্র একটি মুসলমানও নাই?

মুসলমানের এই অপদার্থের দল ইমাম হুসাইনের(আ.) কথার কোন জবাব দিতে পারলো না। সমস্ত কারবালা নিরব-নিস্তব্ধ হয়ে গেল। এবার যারা ইমাম পাককে চিঠি লিখে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল তাদের কয়েকজনের নাম ধরে জিজ্ঞেস করতে লাগলেন:

হে শাবস ইবনে রাবয়ী! হে হাযর ইবনে আবযার! হে কায়েস বিন আশআস! হে ইয়াযিদ ইবনে হারেস! হে যায়েদ ইবনে হারেস! হে আমর ইবনে হাজ্জাজ! ইত্যাদি তোমরা কি চিঠি লিখে আমাকে আমন্ত্রণ জানাও নি? তোমরা কি আমাকে কুফায় আসার জন্য বার বার চিঠি লিখে অনুরোধ করো নি? তোমরা কি চিঠিপত্র ও দূত পাঠিয়ে বলো নি যে, আমাদের কোন ইমাম নেই, আপনি আমাদের মাঝে তাশরীফ আনুন এবং আপনার মাধ্যমেই আল্লাহ তায়ালার হয়তো আমাদের সঠিক নির্দেশনা দিবেন। তোমরা এও লিখেছিলে যে, যাদের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতা দাবী করে ও অন্যায় আচরণ করে, তাদের চাইতে ইসলামী শাসন পরিচালনার ক্ষেত্রে আহলে বাইত ই অধিকযোগ্য (বেশি হকদ্বার)।

ইমাম হুসাইন(আ.) কারবালার ময়দানে বলেছিলেন, তোমাদের মাঝে কি একটি মুসলমানও নাই? এজিদের সৈন্যবাহিনীর সবাই মুসলমান অথচ ইমাম হোসাইন(আ.) একি তাক লাগানো কথা বলছেন? “তোমাদের মাঝে কি একটিও মুসলমান নাই?” না, একটিও সত্যিকার ও আসল মুসলমান ছিল না বলেই ইমাম হোসাইন(আ.) এই আহ্বান জানিয়ে পৃথিবীকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন। তিনি বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন যে, যারা দাঁড়িয়ে আছে তারা সবাই নকল মুসলমান।

660251  

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য