خبرگزاری شبستان

سه شنبه ۲۱ آذر ۱۳۹۶

الثلاثاء ٢٤ ربيع الأوّل ١٤٣٩

Tuesday, December 12, 2017

বিজ্ঞাপন হার

ইমাম মাহদীর(আ.) জ্ঞানের প্রকৃতি ও উতস

মাহদাবিয়াত বিভাগ: ইমাম জাফর সাদিক (আ.) বলেছেন: জ্ঞান-বিজ্ঞানের ২৭টি অক্ষর রয়েছে নবীগণ যা এনেছেন তা হচ্ছে মাত্র ২টি অক্ষর এবং জনগণও এই দুই অক্ষরের বেশী কিছু জানে না। যখন আমাদের কায়েম কিয়াম করবে বাকি ২৫টি অক্ষর বের করবেন এবং মানুষের মধ্যে তা প্রচার করবেন। অতঃপর ওই দু’অক্ষরকেও তার সাথে যোগ করে মানুষের মাঝে প্রচার করবেন।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Tuesday, October 10, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27476

সৎকাজে একে অপরের চাইতে অগ্রবর্তী হবার চেষ্টা করো
মাহদাভিয়াত বিভাগ: পবিত্র কুরআনের সূরা মায়িদার ৪৮ নং আয়াতে বলা হয়েছে; তোমাদের প্রত্যেকের জন্য একটি শরীয়াত ও একটি কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করে রেখেছি। আল্লাহ চাইলে তোমাদের সবাইকে একই উম্মতের অন্তর্ভুক্ত করতে পারতেন। কিন্তু তিনি তোমাদের যা দিয়েছেন তার মধ্যে তোমাদের পরীক্ষা করার জন্য এমনটি করেছেন। কাজেই সৎকাজে একে অপরের চাইতে অগ্রবর্তী হবার চেষ্টা করো। শেষপর্যন্ত তোমাদের সবাইকে আল্লাহর দিকে ফিরে যেতে হবে।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: মানুষকে হেদায়েত করার জন্যে আল্লাহ যুগে যুগে বহু নবী রাসূলকে ধর্ম এবং শরিয়তি বিধিবিধান দিয়ে পাঠিয়েছেন। কিন্তু আল্লাহর নবীদের প্রচারিত শিক্ষাগুলো দুঃখজনকভাবে বহুক্ষেত্রেই যেমন বিকৃত হয়ে গেছে তেমনি বিকৃতির সুযোগে বহু কল্পিত বিষয় এবং কুসংস্কারও ঢুকে পড়েছে। যে আয়াতটি শুনলেন তাতে কোরআনে কারিমের উচ্চ মর্যাদার বিষয়টি স্মরণ করা হয়েছে। বলা হয়েছে,কোরআন যেহেতু পূর্ববর্তী ঐশী গ্রন্থসমূহের সত্যতাকে প্রত্যয়ন করে, সেহেতু কোরআন সেইসব গ্রন্থের রক্ষণাবেক্ষণকারীও বটে। এমনকি পূর্ববর্তী নবীদের মূলনীতি ও আদর্শগুলো রক্ষার ওপর পরিপূর্ণ গুরুত্বও আরোপ করে। এভাবে সেগুলোকে বরং সামগ্রিক এবং পূর্ণ রূপ দিয়েছে।

আয়াতের ধারাবাহিকতায় একটি প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়েছে। প্রশ্নটি হলো অনেকেই ভাবেন, কেন আল্লাহ পাক একটিমাত্র ধর্ম এবং একটিমাত্র উম্মাহ সৃষ্টি করলেন না। তাহলে তো ধর্মে ধর্মে বিবাদ-বিরোধিতা হতো না। জবাব হলো স্কুলে একই ক্লাসে সকল ছাত্রও পড়ে না আর সকল ক্লাসের মানও সমান নয়। যারা নীচের ক্লাসে পড়ে তারা উপরের ক্লাসের পড়া বুঝবে না। ছাত্রের জ্ঞানের মাত্রা যতো বাড়বে ততো উপরের ক্লাসে সে যাবে এবং আরো বড় শিক্ষকের কাছে পড়ার সুযোগ পাবে। একইভাবে আল্লাহও মানব জাতিকে ধীরে ধীরে কাল উপযোগী করে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন এবং কালের উপযুক্ত নবী রাসূলকেও পাঠিয়েছেন। মানুষ যতো জ্ঞান ও বুদ্ধির অধিকারী হয়েছে ততো উন্নত ও উচ্চ পর্যায়ের প্রশিক্ষককে পেয়েছে। সর্বশেষ নবী তাই মানব জাতির জন্যে সবচেয়ে বড় জ্ঞানী এবং শিক্ষক। শরিয়তের এই পার্থক্য মানুষের মধ্যকার সৃজনশীলতার পার্থক্যের মতো। এর ফলে ঝগড়া বিবাদ না হয়ে বরং যে যার সাধ্যমতো মেধা ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে পূণ্য কাজের প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হওয়াটাই সঙ্গত ছিল। জেনে রাখা উচিত আল্লাহ মানুষের সকল কাজ দেখেন, কোনো কিছুই তাঁর অগোচর নয়।

সকল ঐশী গ্রন্থের ওপর কোরআনের শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদা রয়েছে। মাধ্যমিক স্কুলের পাঠ্য বইয়ের চেয়ে ইউনিভার্সিটির বইয়ের যেমন উচ্চ মর্যাদা রয়েছে এবং ভার্সিটির বই যেভাবে নীচু ক্লাসের বইগুলোকে অনুমোদন করে।

ঐশী পরীক্ষার একটি মাধ্যম হলো ইতিহাসের কাল পরিক্রমায় বিভিন্ন দ্বীনের পার্থক্য। পরীক্ষাটি হলো কে সত্য ও ন্যায়কে গ্রহণ করলো আর কে করলো না তা স্পষ্ট হয়ে যাওয়া।

661106

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য