خبرگزاری شبستان

چهارشنبه ۲ اسفند ۱۳۹۶

الأربعاء ٦ جمادى الثانية ١٤٣٩

Wednesday, February 21, 2018

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Tuesday, October 10, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27477

কোরআনের দৃষ্টিতে ইমাম মাহদীর মর্যাদা ও দায়িত্ব
মাহদাভিয়াত বিভাগ: পবিত্র কোরআনের ঘোষণা অনুযায়ী সমগ্র বিশ্বের ওপর পরিপূর্ণ ন্যায়বিচারভিত্তিক এবং জুলুমমুক্ত রাজত্ব ও ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টি আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর সর্বশেষ স্থলাভিষিক্ত প্রতিনিধি দ্বাদশ ইমাম তথা ইমাম মাহদী (আ.)-এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। আর কোরআনের এই ঘোষণার ব্যাখ্যা হিসাবে মহানবী থেকে ইমাম মাহদী সম্পর্কে ৫৬০টি হাদিস বর্ণিত হয়েছে।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: সূরা আম্বিয়ার ১০৫ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন: وَلَقَدْ كَتَبْنَا فِي الزَّبُورِ مِنْ بَعْدِ الذِّكْرِ أَنَّ الْأَرْضَ يَرِثُهَا عِبَادِيَ الصَّالِحُونَ

নিঃসন্দেহে আমরা স্মারকবাণী তথা তাওরাতের পর যাবুরেও লিপিবদ্ধ করে দিয়েছিলাম যে, পৃথিবীর  শাসন-ক্ষমতার অধিকারী হবে আমার সৎ বান্দারা।

পূর্ববর্তী ধর্মীয় গ্রন্থ বা আসমানি কিতাবগুলো এবং পবিত্র কুরআন পৃথিবীর আগামী দিনগুলোর অবস্থা সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেছে, সৎ ও মুমিন বান্দারাই হবে রাষ্ট্রীয় শাসন-ক্ষমতার অধিকারী।

সুরা নূরের ৫৫ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন:

 وَعَدَ اللَّهُ الَّذِينَ آَمَنُوا مِنْكُمْ وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَيَسْتَخْلِفَنَّهُمْ فِي الْأَرْضِ كَمَا اسْتَخْلَفَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ وَلَيُمَكِّنَنَّ لَهُمْ دِينَهُمُ الَّذِي ارْتَضَى لَهُمْ وَلَيُبَدِّلَنَّهُمْ مِنْ بَعْدِ خَوْفِهِمْ أَمْنًا يَعْبُدُونَنِي لَا يُشْرِكُونَ بِي شَيْئًا وَمَنْ كَفَرَ بَعْدَ ذَلِكَ فَأُولَئِكَ هُمُ الْفَاسِقُونَ

তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে,আল্লাহ তাদেরকে ওয়াদা দিয়েছেন যে- তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে স্থলাভিষিক্ত করা হবে। যেমনটি তিনি স্থলাভিষিক্ত করেছিলেন তাদের পূর্ববর্তীদেরকে এবং তিনি তাদের জন্য যে ধর্মকে পছন্দ করেছেন সেটাকে অবশ্যই মজবুত ভিত্তিতে সুদৃঢ় করবেন। তাদের ভয়-ভীতিকে শান্তি ও নিরাপত্তায় পরিণত করে দেবেন যাতে  তারা কেবল আমারই এবাদত করে এবং আমার সাথে কাউকে শরিক না করে। এরপর যারা (এ বিশাল নেয়ামতকে) অস্বীকার করবে, তারাই ফাসেক ও অবাধ্য।

বিভিন্ন হাদিসে বর্ণিত হয়েছে- শেষ জামানায় ইমাম মাহদীর (আ.)আবির্ভাব ও তার বিশ্বজনীন শাসন ব্যবস্থার মধ্যদিয়ে এ আয়াতের পরিপূর্ণ প্রয়োগ ঘটবে।

সূরার ৫ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন:

وَنُرِيدُ أَنْ نَمُنَّ عَلَى الَّذِينَ اسْتُضْعِفُوا فِي الْأَرْضِ وَنَجْعَلَهُمْ أَئِمَّةً وَنَجْعَلَهُمُ الْوَارِثِينَ

এবং সেদেশে যাদের হীনবল করা হয়েছিল আমি ইচ্ছা করলাম তাদের প্রতি অনুগ্রহ করতে, তাদেরকে (জনগণের) নেতৃত্ব দান করতে ও দেশের অধিকারী করতে।

ইসলামের বিভিন্ন বর্ণনায় এসেছে, শেষ জামানায় বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ মুস্তফা (সা.)-এর বংশধর হযরত মাহদি (আ.)-এর আবির্ভাব হবে। তিনি অত্যাচারী ও দাম্ভিক শক্তিগুলোর পতন ঘটিয়ে নির্যাতিত জাতিগুলোকে ক্ষমতায় অধিষ্টিত করবেন। আর এভাবে প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্য- সর্বত্র ন্যায়ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য