خبرگزاری شبستان

سه شنبه ۳ مهر ۱۳۹۷

الثلاثاء ١٥ المحرّم ١٤٤٠

Tuesday, September 25, 2018

বিজ্ঞাপন হার

ইরাকের রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় বসরা শহরের ইরানি কনস্যুলেটে দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদ জানাতে আজ (শনিবার) ভোরে তেহরানে নিযুক্ত ইরাকি রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। এ সময় ইরানি কনস্যুলেটের নিরাপত্তা রক্ষার ব্যাপারে ইরাকি নিরাপত্তা কর্মীদের অবহেলার প্রতিবাদ জানানো হয়।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Tuesday, October 10, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27479

ইমাম হুসাইনের (আ.) বিপ্লবের উদ্দেশ্য ছিল নানার উম্মাতকে সংশোধন করা
মাহদাভিয়াত বিভাগ: ইমাম হুসা্নি (আ.) তার বিপ্লবের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলেন, আমি প্রবৃত্তির তাড়নার বশবর্তী হয়ে বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে বা যালিম হিসাবে (মক্কা থেকে) বের হইনি । আমি তা বের হয়েছি আমার নানার উম্মতকে সংশোধন করার জন্য। আমি সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ করতে চাই এবং আমি আমার নানা ও পিতা আলী ইবনে আবি তালিবের জীবন পদ্ধতির ওপর চলতে চাই। এটা থেক বোঝা যায় মানুষ মহানবীর গাদীরে খুমের ভাষণ ভুলে গিয়ে মাওলা আলীকে ছেড়ে গোমরাহ হয়ে গিয়েছিল।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: ইমাম হোসাইন বলে ছিলেন; হে লোকসকল! মহানবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো অত্যাচারী, আল্লাহর হারামকে হালাল (বৈধ) কারী, প্রতিজ্ঞা ভঙ্গকারী এবং রাসূলের সুন্নাত বিরোধী কোনো শাসককে প্রত্যক্ষ করবে যে আল্লাহর বান্দাদের মাঝে পাপাচার এবং আল্লাহর সাথে শত্রুতামূলক  মনোবৃত্তি পোষণ করে, সে যদি কথা বা কাজের দ্বারা ঐ শাসককে বাধা না দেয় তাহলে এ ব্যক্তিকে জাহান্নামে ঐ শাসকের ঠিকানায় প্রবেশ করানো মহান আল্লাহর জন্য হক বা অধিকার হয়ে যাবে।

ইমাম হোসাইন এসব বক্তব্যে তার কিয়াম বা বিপ্লবের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং অন্তর্নিহিত বাণী সমূহকে চমৎকারভাবে জনগণকে অবহিত করেছেন।

উম্মতের ইসলাহ বা সংস্কার এতই গুরুত্বপূর্ণ যে, ইমাম হোসাইন নিজের ও সঙ্গী-সাথীদের জীবন এর জন্য উৎসর্গ করতে কুণ্ঠাবোধ করেননি । সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের বাধা দান করতে গিয়ে হোসাইন ও তার সঙ্গী-সাথীদের জীবনও যদি উৎসর্গ করতে হয় এবং এর ফলে যদি ইসলাম ধর্ম বিকৃতি ও বিচ্যুতির হাত থেকে রক্ষা পায় তাহলে সেটাই হবে ফরয (অবশ্য পালনীয়) । তাই ইমাম হোসাইন (আ.) পাপিষ্ঠ ইয়াযিদী স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বিপ্লব করে নিজ ও সঙ্গী-সাথীদের জীবন উৎসর্গ করে ইসলামকে রক্ষা করে গেছেন।

এটা সত্য যে,যদি ইমাম হোসাইন (আ.) আন্দোলন না করতেন এবং মযলুমভাবে শহীদ না হতেন তাহলে বনী উমাইয়্যা এবং ইয়াযীদ ইসলামের নাম-নিশানা মিটিয়ে দিত। ইসলামের আর কিছুই বিদ্যমান থাকতনা।

ইমাম হোসাইনের শাহাদাত ছিল বস্তুত লম্পট ইয়াযীদ ও বনী উমাইয়্যা প্রশাসনের ওপর রক্তের বিজয়। এখানে তরবারির ওপর রক্ত বিজয়ী হয়েছে। ইমাম হোসাইনের আন্দোলন না ছিল নিছক হুকুমত বা শাসন কর্তৃত্ব লাভের জন্য,না ছিল তা ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য। বরং এটা ছিল ইসলামে বনী উমাইয়্যা কর্তৃক যে বিচ্যুতির ধারা সৃষ্টি হয়েছিল সেটার বিরুদ্ধে নিরলস সংগ্রাম।

ইমাম হোসাইন (আ.)-এর বক্তব্যে ‘ইয়াযীদের মতো,‘আমার মতো’ এসব শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে যা থেকে প্রতীয়মান হয় যে,আমার ব্যক্তিগত লাভ-লোকসন অথবা ইয়াযীদের ব্যক্তিগত লাভ-লোকসন আলোচ্য বিষয় নয়। বরং আলোচ্য বিষয় হচ্ছে,যে কেউ আমার মতো হবে সে যখনই ইয়াযীদের সরকারের মতো কোনো সরকারের সম্মুখীন হবে তখন সে এ সরকারের বাইআত করবেনা। (আর এ কাজটাই করেছেন বর্তমান শতাব্দীতে হযরত ইমাম খামেইনী)। আর যখন ইয়াযীদের মতো শাসক জনগণের ওপর হুকুমত করবে তখন অবশ্যই ইসলামকে বিদায় জানাতে হবে।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য