خبرگزاری شبستان

پنج شنبه ۳۱ خرداد ۱۳۹۷

الخميس ٨ شوّال ١٤٣٩

Thursday, June 21, 2018

বিজ্ঞাপন হার

মদীনার ঐতিহাসিক জান্নাতুল বাকী কবরস্থান

স্পেশাল ডেস্ক: মদীনার জান্নাতুল বাকী মুসলিম জাহানের সবচেয়ে পবিত্রতম কবরস্থান। যেখানে শায়িত আছেন ইসলামের নক্ষত্রতূল্য ব্যক্তিত্বগণ। ঐতিহাসিক মদীনায় মসজিদুন্নবী ও রাসূলের (সা.) রওজা মোবারকের পার্শ্বে অবস্থিত এ কবরস্থানটি।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Wednesday, October 11, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27482

আল্লাহর সাহায্য থেকে উপকৃত হওয়ার পন্থা
মাহদাভিয়াত বিভাগ: সূরা মুহাম্মাদের ৭ নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِن تَنصُرُوا اللَّهَ يَنصُرْكُمْ وَيُثَبِّتْ أَقْدَامَكُمْ হে বিশ্বাসীগণ! যদি তোমরা আল্লাহকে সাহায্য কর, আল্লাহ তোমাদেরকে সাহায্য করবেন এবং তোমাদেরকে দৃঢ়প্রতিষ্ঠ করবেন।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: সুতরাং আল্লাহর সাহায্য পেতে হলে অবশ্যই আল্লাহর দ্বীনের অনুসরণ করতে হবে আর আল্লাহর দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নিজের জীবনকে প্রয়োজনে উতসর্গ করতে হবে।

সূরা আলে ইমরানের ১২৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে: وَلَقَدْ نَصَرَكُمُ اللَّهُ بِبَدْرٍ وَأَنْتُمْ أَذِلَّةٌ فَاتَّقُوا اللَّهَ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ

বদরের যুদ্ধে যখন তোমরা হীনবল ছিলে, আল্লাহ তোমাদের সাহায্য করেছিলেন। অতএব আল্লাহকে ভয় কর। হয়তো তোমরা কৃতজ্ঞ হবে।

এই আয়াতে এইসব মুসলমান ও অন্যান্য মুসলমানদের বলা হচ্ছে, তোমরা তো বদর যুদ্ধে আল্লাহর সাহায্য দেখেছ। তোমাদের জনবল ও অস্ত্র খুব কম থাকা সত্ত্বেও আল্লাহ শক্তিশালী শত্রুর মোকাবেলায় তোমাদেরকেই জয়ী করেছেন। তাই এই যুদ্ধ ক্ষেত্রে এসে কেন হতাশ হচ্ছো এবং নিজ ধর্ম রক্ষার জন্য কেন কঠোর ও দৃঢ়তর হচ্ছো না? শত্রুকে ভয় পেয়ো না বরং আল্লাহর নির্দেশ অমান্যের ব্যাপারে ভয় রাখ। আল্লাহ ছাড়া আর কারো ওপর ভরসা করো না। আর এভাবেই তোমরা আল্লাহর দয়ার ব্যাপারে কৃতজ্ঞ হতে পারবে।

সূরা মায়িদার ২৪ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে: قَالُوا يَا مُوسَى إِنَّا لَنْ نَدْخُلَهَا أَبَدًا مَا دَامُوا فِيهَا فَاذْهَبْ أَنْتَ وَرَبُّكَ فَقَاتِلَا إِنَّا هَاهُنَا قَاعِدُونَ

তারা বলেছিল হে মুসা! যতক্ষণ তারা সেখানে আছে ততক্ষণ আমরা সেখানে প্রবেশ করবই সুতরাং তুমি এবং তোমার প্রভু যাও এবং যুদ্ধ কর আমরা এখানেই বসে থাকব এবং পর্যবেক্ষণ করব।

হযরত মুসা (আ.)এর আহ্বান এবং গোত্রের নেতাদের প্রেরণা সত্ত্বেও বনি ইসরাইল লড়তে রাজি ছিল না বরং পরিপূর্ণ ঔদ্ধত্য দেখিয়ে তারা মুসাকে বলেছিল, আমরা কেন যুদ্ধে যাব তুমি যাও। তোমার পরওয়ারদেগারতো তোমার সাথে রয়েছে, অবশ্যই বিজয়ী হবে। তুমি যখন শহর দখল করবে আমরাও তখন প্রবেশ করবো।

সূরা মায়েদার ২৬ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে: قَالَ فَإِنَّهَا مُحَرَّمَةٌ عَلَيْهِمْ أَرْبَعِينَ سَنَةً يَتِيهُونَ فِي الْأَرْضِ فَلَا تَأْسَ عَلَى الْقَوْمِ الْفَاسِقِينَ

আল্লাহ বললেন, অতএব এই পবিত্র ভূমি চল্লিশ বছর তাদের জন্য নিষিদ্ধ করা হলো দেশে দেশে তারা উদভ্রান্তের ন্যায় ঘুরে বেড়াবে। তুমি কিন্তু এসব সত্য ত্যাগী বিদ্রোহী লোকদের দুঃখ করো না।

ঐশী শাস্তি যে কেবল কেয়ামতেই হবে তা ঠিক নয় বরং কখনও কখনও আল্লাহপাক কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে এই দুনিয়াতেই তাদের কুকাজের শাস্তি দেন।

বনী ইসরাইলের অজুহাত অন্বেষণ এবং নাফরমানির শাস্তি দিতে আল্লাহ চল্লিশ বছর তাদেরকে সিনাই প্রান্তরে আশ্রয়হীনভাবে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পবিত্র এই ভূখণ্ডের বরকত থেকে তারা বঞ্চিত ছিল। মজার ব্যাপার হল, স্বয়ং তৌরাতে এ ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সিনাই প্রান্তরে চল্লিশ বছর ধরে উদভ্রান্তের মত ঘুরে বেড়ানোর পর এবং হযরত মুসা (আ.)কে হারানোর পর পুণরায় শহরে প্রবেশ করার জন্য সামরিক হামলা করতে বাধ্য হয় এবং তাদের প্রথম পর্যায়ের অলসতা তাদেরকে এই চল্লিশ বছরের উদভ্রান্ত জীবন ছাড়া আর কিছুই দেয়নি।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য