خبرگزاری شبستان

سه شنبه ۲۱ آذر ۱۳۹۶

الثلاثاء ٢٤ ربيع الأوّل ١٤٣٩

Tuesday, December 12, 2017

বিজ্ঞাপন হার

ইমাম মাহদীর(আ.) জ্ঞানের প্রকৃতি ও উতস

মাহদাবিয়াত বিভাগ: ইমাম জাফর সাদিক (আ.) বলেছেন: জ্ঞান-বিজ্ঞানের ২৭টি অক্ষর রয়েছে নবীগণ যা এনেছেন তা হচ্ছে মাত্র ২টি অক্ষর এবং জনগণও এই দুই অক্ষরের বেশী কিছু জানে না। যখন আমাদের কায়েম কিয়াম করবে বাকি ২৫টি অক্ষর বের করবেন এবং মানুষের মধ্যে তা প্রচার করবেন। অতঃপর ওই দু’অক্ষরকেও তার সাথে যোগ করে মানুষের মাঝে প্রচার করবেন।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Wednesday, October 11, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27484

আমরা উত্তম না কি পশ্চিমারা উত্তম!
মাহদাভিয়াত বিভাগ: এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মুমিন হয় উত্তম চরিত্রের অধিকারী। অর্থাৎ সে বদমেজাজী, বিদ্বেষ ভাবাপন্ন ও মানুষের সাথে রুক্ষ আচরণকারী হয় না। এখন এই বৈশিষ্ট যাদের মধ্যে রয়েছে তারা্ই বেশী উত্তম, চাই সে যে দেশের অধিবাসী হোক না কেন।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: এখন দেখতে হবে উত্তম আখলাক কী এবং কীভাবে তা অর্জন করা যায়। এটা দীর্ঘ আলোচনার বিষয়। অল্প সময়ে তা আলোচনা করা সম্ভব নয়। এখানে সংক্ষেপে এটুকু বলা যায়, কারো সাথে মুচকি হেসে কথা বলাই উত্তম আখলাক নয়। হ্যাঁ, এটাও উত্তম আখলাকের একটি অংশ। কিন্তু যদি এমন হয় যে, উপরে উপরে মুচকি হেসে কথা বলল, আর মন বিদ্বেষে পরিপূর্ণ থাকল তাহলে সেটা হবে কৃত্রিমতা। এর মাঝে ইখলাস নেই এবং এটা মুমিনের শান নয়।

পশ্চিমা বিশ্ব ও উত্তম ব্যবহার

এখন পশ্চিমা দুনিয়ায় আচার-আচরণ সম্পর্কে অনেক লেখালেখি হচ্ছে-কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করবেন, কীভাবে মেলামেশা করবেন, কীভাবে কথা বলবেন এবং কীভাবে মানুষকে নিজের প্রতি আগ্রহী করবেন ইত্যাদি। এ সকল বিষয় এখন পশ্চিমাদের কাছে খুব জনপ্রিয়। কিন্তু এ সকল প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য হল অন্যকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করা এবং নিজের মহত্ব অন্যের অন্তরে প্রতিষ্ঠিত করা।

কিন্তু দ্বীন ইসলামে যে উত্তম আখলাকের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে তার উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। নবী করীম (সা.) যে উত্তম আখলাকের কথা বলেছেন তার উদ্দেশ্য কখনোই নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য অন্যকে বশে আনা নয়; বরং ভালো  একজন মুসলমান হিসেবে আমার কর্তব্য, অন্যের সাথে সুন্দর আচরণ করা। তো এ দুই শিক্ষার  মাঝে রয়েছে আসমান-যমীনের ব্যবধান।

তাদের ভালো আচরণের উদ্দেশ্য, গ্রাহক আকৃষ্ট করা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে উন্নতি করা। পক্ষান্তরে আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে উত্তম আখলাকের শিক্ষা দিয়েছেন তার উদ্দেশ্য পার্থিব স্বার্থ হাসিল করা নয়। বরং এজন্য যে, একজন মুসলিম হিসেবে আমার কর্তব্য, অন্য মুসলিম ভাইয়ের সাথে হাসিমুখে মিলিত হওয়া এবং ভালো আচরণ করা।

নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তোমরা একে অপরের সাথে হাসিমুখে সাক্ষাত করবে-এটিও ছাদাকাহ।

সাধারণভাবে পশ্চিমাদের যে ভদ্রতা ও সৌজন্য তা ব্যবসায়িক। দোকানের সেলসম্যান যদি গ্রাহকদের সাথে হাসিমুখে কথা না বলে এবং ভদ্র ব্যবহার না করে তাহলে কেউ তার কাছে আসবে না। তাই সে নিজের ব্যবসায়িক স্বার্থে ভালো আচরণ করতে বাধ্য।

আখলাক তো মানুষের অন্তর থেকে হয়, আল্লাহকে রাজিখুশি করার জন্য এবং আখিরাতের ছওয়াবের জন্য হয়, দুনিয়ার কোনো স্বার্থ এর সাথে জড়িত থাকে না।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য