خبرگزاری شبستان

شنبه ۱ اردیبهشت ۱۳۹۷

السبت ٦ شعبان ١٤٣٩

Saturday, April 21, 2018

বিজ্ঞাপন হার

হযরত আব্বাসের আদব ও আখলাক

মাহদাভিয়াত বিভাগ: হযরত আবুল ফজলিল আব্বাস (আলাইসাল্লাম) ছিলেন আমিরুল মুমিনিন হযরত আলী (আ.)'র পুত্র তথা হযরত ইমাম হাসান ও ইমাম হুসাইন (আ.)'র সত ভাই। ২৬ হিজরির চতুর্থ শা'বান জন্মগ্রহণ করেছিলেন ইতিহাসের এই অনন্য ব্যক্তিত্ব। অনেক মহত গুণের অধিকারী ছিলেন বলে তাঁকে বলা হত আবুল ফাজল তথা গুণের আধার। চিরস্মরণীয় ও বরেণ্য এই মহামানবের জীবনের নানা ঘটনার মধ্যে রয়েছে শিক্ষণীয় অনেক দিক।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Saturday, October 14, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27493

ইয়েমেনের ৯২ শতাংশ জনগণ কলেরায় আক্রান্ত: জাতিসংঘ
আন্তর্জাতিক বিভাগ: যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনে নতুন করে কলেরার প্রকোপে এ পর্যন্ত অন্তত ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিচ্ছেন আরও অন্তত সাড়ে আট হাজার মানুষ। রাজধানী সানায় জারি করা হয়েছে স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: দেশটির হুথি সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, কলেরা পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক আকার ধারণ করেছে এবং সরকার এ দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণে অক্ষম।

দেশটিতে নিযুক্ত রেডক্রসের পরিচালক ডোমিনিক স্টিলহার্ট এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, গত ২৭ এপ্রিল থেকে ১৩ মে পর্যন্ত কলেরায় আক্রান্ত হয়ে অন্তত ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে প্রায় সাড়ে আট হাজার মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা কলেরার ভয়াবহ সংক্রমণ মোকাবেলা করছি। এক বছরের ব্যবধানে ইয়েমেনে কলেরা সংক্রমণের এটা দ্বিতীয় ঘটনা।

জাতিসংঘের মতে, দেশটির দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ সুপেয় পানির অভাবে ভুগছেন। অন্যদিকে লোহিত সাগরের বন্দর অবরুদ্ধ থাকায় যে কোনো সময়ের তুলনায় খাবার সরবরাহ কম। দুর্ভিক্ষের মুখে রয়েছেন দেশটির অন্তত ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ, যা দেশটির মোট জনসংখ্যার ৭৫ শতাংশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, যুদ্ধের কারণে দেশটির অন্তত ৩০০টি হাসপাতাল ও ক্লিনিক ধ্বংস হয়ে গেছে। বর্তমানে ইয়েমেনের মাত্র ৪৫ শতাংশ হাসপাতাল জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে। এটা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

সৌদি আগ্রাসনে ইয়েমেনের স্বাস্থ্য, পানি ও পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইতিমধ্যেই ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, কলেরায় এ পর্যন্ত ২ হাজার ৩০০ জন প্রাণ হারিয়েছে। এর এক-চতুর্থাংশই শিশু। দেশটিতে কলেরায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

পানিবাহিত এ রোগ সহজে নিরাময়যোগ্য হলেও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে সবার জন্য চিকিৎসা নিশ্চিত করা বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। চলতি বছর এপ্রিলে ইয়েমেনে কলেরাকে মহামারি ঘোষণা করা হয়। কলেরার পাশাপাশি দুর্ভিক্ষের মতো মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে ইয়েমেন। অপুষ্টিতে ভোগা শিশুরা হাসপাতালে গিয়েও বাঁচতে পারছে না। হাসপাতালে বিদ্যুৎ নেই। অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি সব ধরনের চিকিৎসা যন্ত্রপাতি বন্ধ রয়েছে।

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিসলে বলেন, খাবারের অভাবে ইয়েমেনের লাখো শিশুর মৃত্যু ঘটবে। আগ্রাসী সৌদি আরবকে এটা বুঝতে হবে যে, যুদ্ধের অস্ত্র খাবার হওয়া উচিত নয়। খাবার হলো শান্তির অস্ত্র।

 

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য