خبرگزاری شبستان

شنبه ۱ اردیبهشت ۱۳۹۷

السبت ٦ شعبان ١٤٣٩

Saturday, April 21, 2018

বিজ্ঞাপন হার

হযরত আব্বাসের আদব ও আখলাক

মাহদাভিয়াত বিভাগ: হযরত আবুল ফজলিল আব্বাস (আলাইসাল্লাম) ছিলেন আমিরুল মুমিনিন হযরত আলী (আ.)'র পুত্র তথা হযরত ইমাম হাসান ও ইমাম হুসাইন (আ.)'র সত ভাই। ২৬ হিজরির চতুর্থ শা'বান জন্মগ্রহণ করেছিলেন ইতিহাসের এই অনন্য ব্যক্তিত্ব। অনেক মহত গুণের অধিকারী ছিলেন বলে তাঁকে বলা হত আবুল ফাজল তথা গুণের আধার। চিরস্মরণীয় ও বরেণ্য এই মহামানবের জীবনের নানা ঘটনার মধ্যে রয়েছে শিক্ষণীয় অনেক দিক।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Saturday, October 14, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27494

সৎকর্ম হল উচ্চতর জীবন অর্জনের চাবিকাঠি
চিন্তা ও দর্শন বিভাগ: আয়াতুল্লাহ জাভিদান বলেন, ভাল কাজ বা সত কর্ম হল মানুষের উচ্চতর জীবন অর্জনের চাবিকাঠি। আর এই মর্যাদা মানুষ নিজের ইচ্ছায়ই আর্জন করতে পারে।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: সূরা আছরে বর্নিত হয়েছে, আসরের নামাযের শপথ, মানুষ২ অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত, তবে তারা ব্যাতিরেকে যারা বিশ্বাসী ও সৎকর্ম পরায়ণ এবং পরস্পরকে সত্যের নির্দেশ ও ধৈর্যের উপদেশ দেয়।

ইবনে মারদুইয়্যা হযরত ইবনে আব্বাস হতে বর্ণনা করেছেন যে, এ সূরায় উল্লিখিত ক্ষতিগ্রস্ত ইনসান বা মানুষ দ্বারা আবু জাহল আর ‘আল্লাযিনা আমানু’ দ্বারা হযরত আলী ও অন্যান্য মু’মিন মুসলমানকে বুঝানো হয়েছে। (তাফসীরে দুররে মানসূর, ৬ষ্ঠ খ-, পৃ. ৩৯২, মুদ্রণ মিশর দ্রষ্টব্য)

সূরা আলে ইমরানের ১০৪ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে: وَلْتَكُنْ مِنْكُمْ أُمَّةٌ يَدْعُونَ إِلَى الْخَيْرِ وَيَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَأُولَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ

মুসলমানদের মধ্যে এমন একটি দল থাকা উচিত,যারা মানুষকে সৎ কাজের আহ্বান জানাবে এবং অসৎ কাজে নিষেধ করবে। এরাই হলো সফলকাম।

মানুষের জীবন সমাজবদ্ধ জীবন। সামাজিক জীবনে কোন আচার আচরণ ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় অন্যদের ওপরও প্রভাব ফেলে। এদিক থেকে মানব সমাজ যেন একটি বড় জাহাজের মত। কোন অসচেতন বা হিংসুক ব্যক্তি এই জাহাজ ফুটো করে সবার মৃত্যু ঘটাতে পারে। তাই এ জাহাজের যাতে কোন ক্ষতি না হয়, সেজন্য সমাজের প্রত্যেক সদস্যেরই দায়িত্ব রয়েছে। আর বিবেকের এই নির্দেশই ইসলাম ধর্মে প্রতিফলিত হয়েছে। যেখানে সৎ ও ভালো কাজের চর্চা নেই, সেখানে সৎ কাজের দিকে আহ্বান জানানো প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব। আর যেখানে অন্যায় বা অসৎ কাজ হচ্ছে সেখানে বাধা দেয়া বা নিষেধ করাও প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব। তাই প্রত্যেক মুসলমানকে তার সাধ্য অনুযায়ী এ দু'টি দায়িত্ব পালন করতে হবে।

মুমিন বা প্রকৃত বিশ্বাসীকে শুধু নিজের মুক্তির কথা চিন্তা করলেই হবেনা,সমাজের অন্যান্য সদস্যদের মুক্তি ও তাদের উন্নতির জন্যেও চেষ্টা করতে হবে।

সৎ কাজের আদেশকে মন্দের প্রতিরোধের চেয়ে বেশী প্রাধান্য দেয়া উচিত। সৎ কাজের প্রচলন ঘটাতে পারলে অন্যায় বা মন্দ কাজের পরিবেশও সংকুচিত হয়ে পড়বে।

661793

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য