خبرگزاری شبستان

دوشنبه ۲ بهمن ۱۳۹۶

الاثنين ٦ جمادى الأولى ١٤٣٩

Monday, January 22, 2018

বিজ্ঞাপন হার

জামকারান মসজিদের গুরুত্ব এবং আমলসমূহ

মাহদাভিয়াত বিভাগ: জামকারান মসজিদ অতি পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ একটি মসজিদ যা সরাসরি ইমাম মাহদীর নির্দেশে নির্মিত হয়েছে। আর একারণেই মুসলমানদের কাছে এই মসজিদের গুরুত্ব অত্যাধিক।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Friday, October 20, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27512

ইমাম মাহদী(আ.) ন্যায়পরায়ণতাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করবেন
মাহদাভিয়াত বিভাগ: ইমাম সাদিক (আ.) বলেছেন; হযরত কায়েম আল মাহ্দীর অন্তর্ধানকাল এতটা দীর্ঘ হবে যে, এর ফলে সত্য পরিপূর্ণরূপে আলোকোজ্জ্বল এবং আঁধার ও অবিশুদ্ধতা থেকে ঈমানের স্বচ্ছতা পবিত্র ও পৃথক হয়ে যাবে।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: হযরত আলী (আ.) বলেন; তোমরা জেনে রাখ যে, মুহাম্মদ (সা.)-এর আহলে বাইতের উপমা হচ্ছে আকাশের তারকাসমূহের ন্যায়। যখনই কোন তারকা অস্ত যায় তখন আরেকটি তারকার উদয় হয়। যেন আমি দেখতে পাচ্ছি, ঐশী নেয়ামতসমূহ মহানবীর আহলে বাইতের আলোকে তোমাদের ওপর পূর্ণ করা হয়েছে এবং তোমরা তোমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষায় উপনীত হয়েছ (তোমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হয়েছে)।

পবিত্র কোরআনে নবী প্রেরণের দর্শন সম্পর্কে বলা হয়েছে: لَقَدْ أَرْسَلْنَا رُسُلَنَا بِالْبَيِّنَاتِ وَأَنْزَلْنَا مَعَهُمُ الْكِتَابَ وَالْمِيزَانَ لِيَقُومَ النَّاسُ بِالْقِسْطِ؛   আমরা নবী ও রাসূলগণকে স্পষ্ট দলিল, কিতাব এবং মানদন্ড দিয়ে প্রেরণ করেছি যাতে তারা ন্যায়পরায়নতা বাস্তবায়ণ করতে পারেন।

মহানবীসহ ১ লক্ষ ২৪ হাজার পয়গম্বর এই দায়িত্ব পালন করেছেন। তাদের পর ১১জন ইমাম এই দায়িত্ব পালন করেছেন। আর বর্তমানে ১২তম ইমাম এই দায়িত্ব পালন করছেণ এবং তার আবির্ভাবের পর তা চূড়ান্ত লক্ষে পৌছে যাবে।

ইমাম হুসাইন(আ.) জালিম ইয়াজিদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়িয়েছিলেন এই ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্যই।

ইমাম হুসাইন কারবালায় যাওয়ার পথে যি হিসাম্ নামক স্থানে বলেন:

 الا ترون ان الحق لا يعمل به و ان الباطل لا يتناهى عنه؟ فليرغب المؤمن في لقاي ربه محقا

তোমরা কি দেখতে পাচ্ছ না যে, সত্যের ভিত্তিতে কাজ করা হয় না এবং বাতিল থেকে বিরত থাকা হচ্ছে না? অতএব, (এহেন পরিস্থিতিতে) যথার্থভাবেই মু’মিনের উচিত তার রবের সাথে সাক্ষাতের জন্য আগ্রহী হওয়া।

ইমাম হুসাইন কুফার পথে অবস্থিত বাইযাহ্ নামক মনযিলে হূর্‌ বিন্ ইয়াযীদের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর উদ্দেশে প্রদত্ত ভাষণে বলেন:

 من راى سلطاناً جائراً مستحلاً لحرام الله، ناكثاً عهده، مخالفاً لسنة رسول الله، يعمل في عباد الله بالاثم و العدوان فلم يغير عليه بفعل و لا قول كان حقاً على الله ان يدخله مدخله

যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র কৃত হারামকে হালালকারী, তাঁর (আল্লাহ্‌র গৃহীত) অঙ্গীকার ভঙ্গকারী ও রাসূলুল্লাহ্ (সা.)-এর সুন্নাতের বিরোধিতাকারী কোন নিপীড়ক শাসককে আল্লাহ্‌র বান্দাহ্‌দের মধ্যে পাপাচার ও দুর্বৃত্তপনা করতে দেখে, সে যদি তার কাজ বা কথার মাধ্যমে তাকে প্রতিহত না করে, তাহলে আল্লাহ্‌র জন্য দায়িত্ব হয়ে যায় যে, তাকে (প্রতিহতকরণে বিরত ব্যক্তিকে) তার (নিপীড়ক শাসকের) প্রবেশদ্বার দিয়ে (জাহান্নামে) প্রবেশ করাবেন।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য