خبرگزاری شبستان

شنبه ۱ اردیبهشت ۱۳۹۷

السبت ٦ شعبان ١٤٣٩

Saturday, April 21, 2018

বিজ্ঞাপন হার

কেন ইমাম হুসাইনকে হেদায়েতের আলো এবং মুক্তির তরী বলা হয়?

মাহদাভিয়াত বিভাগ: চতুর্থ হিজরির তৃতীয় শা’বান মানবজাতি ও বিশেষ করে, ইসলামের ইতিহাসের এক অনন্য ও অফুরন্ত খুশির দিন। কারণ, এই দিনে জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)’র প্রাণপ্রিয় দ্বিতীয় নাতি তথা বেহেশতী নারীদের নেত্রী হযরত ফাতিমা (সা.) ও বিশ্বাসীদের নেতা তথা আমীরুল মুমিনিন হযরত আলী (আ.)’র সুযোগ্য দ্বিতীয় পুত্র এবং ইসলামের চরম দূর্দিনের ত্রাণকর্তা ও শহীদদের নেতা হযরত ইমাম হুসাইন (আ.)।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Monday, November 06, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27674

চলতি বছরেও উমরা হজ্বে না যাবার কারণ ব্যাখ্যা দিল ইরান
রাজনীতি বিভাগ: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিটির সদস্য মুহাম্মাদ জাওয়াদ জামালি বলেছেন যে, নানাবিধ কারণে চলতি বছরেও সৌদি আরবে পবিত্র উমরা হজ্ব পালন থেকে ইরানি মুসলমানরা বিরত থাকছে।

চলতি বছরেও উমরা হজ্বে না যাবার কারণ ব্যাখ্যা দিল ইরান

 

রাজনীতি বিভাগ: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিটির সদস্য মুহাম্মাদ জাওয়াদ জামালি বলেছেন যে, নানাবিধ কারণে চলতি বছরেও সৌদি আরবে পবিত্র উমরা হজ্ব পালন থেকে ইরানি মুসলমানরা বিরত থাকছে।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিটির সদস্য মুহাম্মাদ জাওয়াদ জামালি আজ সোমবার শাবিস্তান প্রতিবেদক চলতি বছরেও উমরা হজ্ব পালন থেকে বিরত থাকার কারণ ব্যাখ্যা করেন।

তিনি বলেন: বিগত ২০১৬ সালে ইরান সৌদি সরকারের হজ্ব ব্যবস্থাপনায় অযোগ্যতা এবং অদক্ষতা এবং মিনা ট্রাজেডির কারণে হজ্ব পালন থেকে বিরত ছিল। কিন্তু চলতি বছরে ইরান সরকার ও সৌদি সরকারের বিশেষ সমঝোতার কারণে ইরানি মুসলমানরা হজ্ব পালন করে। যেহেতু হজ্ব এ তামাত্তু হচ্ছে মাত্র এক সপ্তাহের বিষয় এবং সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে হজ্ব পালনে সৌদি গমণকারীরা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করে। কিন্তু উমরা হজ্ব সাধারণত সারা বছর ব্যাপী পালিত হয় যা নিয়ন্ত্রণ এবং তাদারকি করা উভয় দেশের মধ্যে দীর্ঘ মেয়াদি সমঝোতার প্রয়োজন। অথচ আপাতত সে সমঝোতা এখন ইরান ও সৌদির মধ্যে নেই।

তিনি বলেন: বর্তমানে সৌদি আরবের সাথে ইরানের কোন ধরনের কুটনৈতিক সম্পর্ক নেই এবং উভয় দেশের দূতাবাসের কোন কার্যক্রম নেই। এমতাবস্থায় উমরা হজ্ব পালনের জন্য ইরানিদের ভিসা ও অন্যান্য সুবিধা দেয়ার মত কোন পরিবেশ বিদ্যমান নেই। এ কারণে দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত উমরা হজ্ব পালনের মত কোন সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হচ্ছে। 

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য