خبرگزاری شبستان

دوشنبه ۲۵ تیر ۱۳۹۷

الاثنين ٤ ذو القعدة ١٤٣٩

Monday, July 16, 2018

বিজ্ঞাপন হার

মহীয়সী ফাতেমা মাসুমা (আ.) মুসলিম নারীদের চিরন্তন আদর্শ

মায়ারেফ বিভাগ: মহীয়সী হযরত ফাতেমা মাসুমা (আ.) ৭ম ইমাম হযরত মুসা কাজীমের (আ.) কন্যা এবং ৮ম ইমাম হযরত আলী ইবনে মুসা রেজার (আ.) বোন; তার মাতার নাম হযরত নাজমে খাতুন। তিনি রাসূলের (সা.) আহলে বাইতের (আ.) অন্যতম মহীয়সী রমনী।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Tuesday, November 14, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27721

নামায কবুলের অন্যতম শর্ত
মায়ারেফ বিভাগ: আল্লাহর দরবারে নামায কবুলের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে নামাযে মনোযোগ ও একাগ্রতা বজায় রাখা। এ কারণে একজন নামাযি ব্যক্তির সব সময় এমন উদ্বেগ থাকে যে, তার নামাযটি সঠিক হচ্ছে কিনা কিংবা নামাযটি সঠিক মনোযোগের সাথে সম্পন্ন হচ্ছে কিনা। এমন উদ্বেগ নিরসনের সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে যখন নামায আদায় করা হবে, তখন অনুধাবন করতে হবে যে, নামাযটি কি গভীর ও একাগ্রতার সাথে সম্পন্ন হচ্ছে কিনা; যদি এটা নিশ্চিত হওয়া যায় যে, নামায যথাযথ মনোযোগ ও গভীর একাগ্রতার সাথে আদায় হচ্ছে- তাহলে মনে করতে হবে যে, নামায নিয়ম মাফিকভাবেই সম্পন্ন হচ্ছে।

নামায কবুলের অন্যতম শর্ত

 মায়ারেফ বিভাগ: আল্লাহর দরবারে নামায কবুলের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে নামাযে মনোযোগ ও একাগ্রতা বজায় রাখা। এ কারণে একজন নামাযি ব্যক্তির সব সময় এমন উদ্বেগ থাকে যে, তার নামাযটি সঠিক হচ্ছে কিনা কিংবা নামাযটি সঠিক মনোযোগের সাথে সম্পন্ন হচ্ছে কিনা। এমন উদ্বেগ নিরসনের সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে যখন নামায আদায় করা হবে, তখন অনুধাবন করতে হবে যে, নামাযটি কি গভীর ও একাগ্রতার সাথে সম্পন্ন হচ্ছে কিনা; যদি এটা নিশ্চিত হওয়া যায় যে, নামায যথাযথ মনোযোগ ও গভীর একাগ্রতার সাথে আদায় হচ্ছে- তাহলে মনে করতে হবে যে, নামায নিয়ম মাফিকভাবেই সম্পন্ন হচ্ছে।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: নামায কবুলের অন্যতম শর্ত হচ্ছে নামায মনোযোগ ও একাগ্রতার সাথে সম্পন্ন হওয়া। আর মনোযোগের বিষয়টি নামাযির মন-অন্তর ও শরীরের অঙ্গ-প্রতঙ্গের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। যদি কেউ গভীর মনোযোগের সাথে নামায আদায় করে, তাহলে তার আত্মিক একাগ্রতা ও শারিরিক স্থিতিশীলতা সে বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করবে। এ সম্পর্কে আমিরুল মু'মিনিন একটি হাদীসে বর্ণনা করেছেন যে, একদা জনৈক ব্যক্তি নামাযরত অবস্থাতে নিজের দাড়িতে বারংবার হাত দিয়ে নাড়াচড়া দিচ্ছিল। এ অবস্থা দেখে রাসূল (সা.) বলেন যে, যদি এ ব্যক্তির মন ও অন্তর নামাযের মধ্যে আবদ্ধ থাকত, তাহলে তার অঙ্গ-প্রতঙ্গেও তা প্রকাশিত হত। অর্থাৎ সে এভাবে হাত দিয়ে দাড়ি নড়াচড়া করত না। মোটকথা হচ্ছে যদি কারও নামাযে একাগ্রতা ও বিনম্রতা পরিলক্ষিত হয়, তাহলে তার মন ও শরীর উভয়ই একাগ্র ও বিনম্র থাকবে।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য