خبرگزاری شبستان

سه شنبه ۲۱ آذر ۱۳۹۶

الثلاثاء ٢٤ ربيع الأوّل ١٤٣٩

Tuesday, December 12, 2017

বিজ্ঞাপন হার

ইমাম মাহদীর(আ.) জ্ঞানের প্রকৃতি ও উতস

মাহদাবিয়াত বিভাগ: ইমাম জাফর সাদিক (আ.) বলেছেন: জ্ঞান-বিজ্ঞানের ২৭টি অক্ষর রয়েছে নবীগণ যা এনেছেন তা হচ্ছে মাত্র ২টি অক্ষর এবং জনগণও এই দুই অক্ষরের বেশী কিছু জানে না। যখন আমাদের কায়েম কিয়াম করবে বাকি ২৫টি অক্ষর বের করবেন এবং মানুষের মধ্যে তা প্রচার করবেন। অতঃপর ওই দু’অক্ষরকেও তার সাথে যোগ করে মানুষের মাঝে প্রচার করবেন।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Thursday, November 16, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27736

ইমাম হাসান(আ.)-এর শাহাদাত বার্ষিকী
মাহদাভিয়াত বিভাগ: ২৮ সফর হযরত ইমাম হাসান (আ.)-এর শাহাদাত দিবস। ৫০ হিজরির এই দিনে মাত্র ৪৬ বছর বয়সে তিনি মদীনায় শাহাদাত বরণ করেন। মদীনার জান্নাতুল বাকীতে তাঁর মাজার রয়েছে।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: ইমাম হাসান ছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর দৌহিত্র এবং আমীরুল মুমিনীন হযরত আলী (আ.) ও খাতুনে জান্নাত হযরত ফাতেমা (আ.)-এর জ্যেষ্ঠ পুত্র। তাঁর মূল নাম ‘আল-হাসান’। ‘আল-মুজতবা’ ছিল তাঁর উপাধি। আর ‘আবু মুহাম্মা’ছিল তাঁর ডাকনাম।

মহানবী (সা.)-এর ওপর যখনই কোন অহী অবতীর্ণ হতো এবং তা তিনি তাঁর সাহাবীদের কাছে প্রকাশ করতেন তখনই ইমাম হাসান তা অবহিত হতেন। মহানবী (সা.) নতুন নাযিল হওয়া কোন অহী হযরত ফাতিমা (আ.)-এর কাছে ব্যক্তিগতভাবে জানানোর আগেই তিনি তা হুবহু তেলাওয়াত করে শুনিয়ে তাঁকে হতবাক করে দিতেন। এ ব্যাপারে হযরত ফাতিমাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান যে, ইমাম হাসানের মাধ্যমে ঐ অহী সম্পর্কে অবহিত হয়েছেন।

মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর ওফাত লাভের পর থেকে ইসলামী বিশ্বে নানা ধরনের অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটতে থাকে। কিন্তু এই ধরনের একটি পরিস্থিতির মধ্যেও ইমাম হাসান (আ.) শান্তিপূর্ণ পন্থায় ইসলামের প্রচার ও শিক্ষা বিস্তারের পবিত্র মিশনে নিজেকে নিষ্ঠার সাথে নিয়োজিত রাখেন। আর এটাই ছিল তাঁর মহান পিতা ইমাম আলী (আ.)-কে সাথে নিয়ে নবী করিম (সা.)-এর শিক্ষা ও মিশন।

আল্লামা জালালুদ্দিন সুয়ূতি ইমাম হাসান (আ.) এর চারিত্র্যিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়েছেন খুবই চমৎকারভাবে। তিনি তাঁর জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করেছেন। নৈতিকতা, ব্যক্তিত্ব, আমানতদারী, ক্ষমাশীলতা, দানশীলতা ইত্যাদি তাঁর চরিত্রের সৌন্দর্যকে আরো বেশি ফুটিয়ে তুলেছে। ইতিহাসে এসেছে, ইমাম হাসান (আ.) বেশ কয়েকবার তাঁর সকল ধন-সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় বিলিয়ে দিয়েছেন। তিনি কখনোই কোনো সাহায্য-প্রার্থীকে খালি হাতে ফেরান নি।

ক্ষমতা গ্রহণের পর মুআবিয়া শান্তিচুক্তির বিপরীতে নবী-পরিবার ও তাদের প্রতি অনুরক্তদেরকে নানাভাবে প্রবল চাপের মধ্যে রাখে। ইমাম হাসানকে খুবই কষ্ট, কঠোরতা, অত্যাচার-নির্যাতন ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে জীবন অতিবাহিত করতে হয়।

ইমাম হাসানের প্রতি তাঁর বিরোধীদের বিদ্বেষ শেষ পর্যন্ত তাঁকে হত্যা করার চক্রান্তে রূপ নেয়। এই চক্রান্তের সাথে যুক্ত হয় ইমাম হাসানের স্ত্রী যাদা। যাদা একদিন ইমাম হাসানকে শরবতের সাথে বিষপান করায় যা তাঁর পাকস্থলিতে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। এভাবে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে পঞ্চাশ হিজরির ২৮ সফর ইমাম হাসান শাহাদাত বরণ করেন। ইমাম হোসাইন (আ.) ও হাশিমী পরিবারের সদস্যরা তাঁর জানাযা ও দাফনে শরীক হন। মদীনার জান্নাতুল বাকীতে তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়।

তাকাওয়া-পরহেজগারীর দিক দিয়ে ইমাম হাসান ছিলেন তাঁর মাতামহ মহানবী (সা.)-এর এক খাঁটি দৃষ্টান্ত তাঁর পিতা ইমাম আলী (আ.)-এর এক স্মারক।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য