خبرگزاری شبستان

سه شنبه ۲۱ آذر ۱۳۹۶

الثلاثاء ٢٤ ربيع الأوّل ١٤٣٩

Tuesday, December 12, 2017

বিজ্ঞাপন হার

ইমাম মাহদীর(আ.) জ্ঞানের প্রকৃতি ও উতস

মাহদাবিয়াত বিভাগ: ইমাম জাফর সাদিক (আ.) বলেছেন: জ্ঞান-বিজ্ঞানের ২৭টি অক্ষর রয়েছে নবীগণ যা এনেছেন তা হচ্ছে মাত্র ২টি অক্ষর এবং জনগণও এই দুই অক্ষরের বেশী কিছু জানে না। যখন আমাদের কায়েম কিয়াম করবে বাকি ২৫টি অক্ষর বের করবেন এবং মানুষের মধ্যে তা প্রচার করবেন। অতঃপর ওই দু’অক্ষরকেও তার সাথে যোগ করে মানুষের মাঝে প্রচার করবেন।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Tuesday, December 05, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27882

মসজিদ মহানবীর(সা.) রাজনৈতিক ঘাটি ছিল
মাহদাবিয়াত বিভাগ: হজরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনায় হিজরত করার পর সর্বপ্রথম সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। এ মসজিদেই ইসলামী রাষ্ট্রের কার্যালয় স্থাপিত হয়। এটা একাধারে প্রার্থনাগৃহ, রাষ্ট্রীয় দফতর ও নবীর দরবার ছিল।

মসজিদ মহানবীর(সা.) রাজনৈতিক ঘাটি ছিল      

মাহদাবিয়াত বিভাগ: হজরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনায় হিজরত করার পর সর্বপ্রথম সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। এ মসজিদেই ইসলামী রাষ্ট্রের কার্যালয় স্থাপিত হয়। এটা একাধারে প্রার্থনাগৃহ, রাষ্ট্রীয় দফতর ও নবীর দরবার ছিল।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: ইসলামী আদর্শের পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন, ইসলামের সর্বাত্মক বিজয় প্রতিষ্ঠা এবং ইসলামের মাধ্যমে জনগণের সার্বিক কল্যাণ সাধনই ছিল মদিনায় প্রতিষ্ঠিত ইসলামী প্রজাতন্ত্রের একমাত্র লক্ষ্য।

মসজিদ থেকেই মহানবী(সা.) রাষ্ট্রের যাবতীয় কাজ পরিচালনা করতেন। শাসনকার্যে চূড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও নবী করিম (সা.) তার ঘনিষ্ঠ সহচরদের সাহায্য ও পরামর্শ নিতেন। ওহির মারফত তিনি যেসব বিষয়ে আল্লাহর সুস্পষ্ট ইচ্ছা জানতে পারতেন, শুধু সেসব ক্ষেত্রেই তার ব্যতিক্রম হতো। সরকারি কাজে নিয়োগের ব্যাপারে কৌলীন্য বা আভিজাত্যকে কোনো মূল্য দেওয়া হতো না। যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তিগণকে শাসনকার্যে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হতো। মসজিদে বসে নবী করিম (সা.) বিদেশি শাসক ও উপজাতীয় নেতাদের কাছে লিপি ও দূত প্রেরণ করতেন এবং সন্ধি সম্পাদন করতেন।

বিদেশি দূত ও উপজাতীয় প্রতিনিধিদের তিনি মসজিদ প্রাঙ্গণে সংবর্ধনা জানাতেন এবং সেখান থেকে প্রাদেশিক শাসনকর্তা ও কর-সংগ্রাহকদের উদ্দেশ্যে আদেশ জারি করতেন। মসজিদ ছিল তার বিচারালয়। সেখানে বসে তিনি মামলা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করতেন। বিচারকার্যে জাতি-ধর্ম-বর্ণ ও গোত্রের কোনো পার্থক্য করা হতো না। সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ও লিপিকাররা মসজিদের মধ্যে বসে কাজ করতেন। সুতরাং মসজিদ ছিল তার শাসনকার্য পরিচালনার দফতর।

সূরা মায়িদার ৪৮ নং আয়াতে বর্নিত হয়েছে: (হে নবী) আমি সত্য ও সঠিকভাবে তোমার প্রতি ও কিতাব নাযিল করেছি, তা পূর্ববর্তী গ্রন্থসমূহের সত্যতা প্রতিপন্ন করে এবং তার সংরক্ষণ করে। সুতরাং আল্লাহ যা কিছু নাযিল করেছেন, তদানুযায়ী লোকদের মধ্যে তুমি ফায়সালা করো। আর মানুষের প্রবৃত্তির অনুবর্তন করতে গিয়ে তোমার নিকট আগত সত্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে না।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য