خبرگزاری شبستان

سه شنبه ۲۲ آیان ۱۳۹۷

الثلاثاء ٥ ربيع الأوّل ١٤٤٠

Tuesday, November 13, 2018

বিজ্ঞাপন হার

ইরাকের রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় বসরা শহরের ইরানি কনস্যুলেটে দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদ জানাতে আজ (শনিবার) ভোরে তেহরানে নিযুক্ত ইরাকি রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। এ সময় ইরানি কনস্যুলেটের নিরাপত্তা রক্ষার ব্যাপারে ইরাকি নিরাপত্তা কর্মীদের অবহেলার প্রতিবাদ জানানো হয়।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Thursday, December 07, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27890

ইমাম মাহদীর(আ.) অন্তর্ধান সম্পর্কে ইমাম সাদিকের হাদিস
মাহদাবিয়াত বিভাগ: ইমাম জাফর সাদিক(আ.) বলেছেন, যখন সত্যবাদী এবং প্রকৃত অনুসারীরা প্রস্তুত হবে তখনই আমাদের কায়েম(আ.) আবির্ভূত হবেন। তিনি যখন কিয়াম করবেন তখন ইসলামের শত্রুরা পরাজিত এবং ধ্বংস হয়ে যাবে।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: ইমাম সাদিক (আ.) -এর সাংস্কৃতিক আন্দোলনের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে হলে তাঁর সমকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও অবস্থা সম্পর্কে সচেতনতা প্রয়োজন। ৩৪ বছরের ইমামতিকালে ইমাম সাদিক (আ.) সর্বমোট ৭ জন শাসকের শাসনকাল দেখেছেন। এদের মধ্যে ৫জন হলো উমাইয়া শাসক আর ২ জন আব্বাসীয়।

আমরা ইমাম মাহদীর(আ.) অন্তর্ধানের প্রকৃত দর্শন সম্পর্কে অবহিত নই্। তবে হাদসে যে সকল কারণ বর্নিত হয়েছে তার মধ্যে একটি হচ্ছে জনগণ, একটি ইমাম মাহদীর(আ.) নিজেই, কিছু হচ্ছে বেয়সাতের দর্শণ, আর এমন কিছু আছে যা আমাদের পক্ষে অনুধাবন করা অসম্ভব।

ইমাম জাফর সাদিক(আ.) বলেছেন: মহান আল্রাহ এমনকি কাফের ও খারাপ লোকদের মধ্যেও কিছু ভাল মানুষ রেখেছেন যারা পরবর্তীতে ইমাম মাহদীর অনুসারী এবং সাহয্যকারী হবে। যেমন হযরত আলী(আ.) তার শত্রুদের মধ্যে অনেককেই হত্যা করেন নি কারণ ভবিষ্যতে তাদের বংশে ভাল মানুষ তৈরি হবে, যারা ইমাম মাহদীকে(আ.) সাহায্য করবেন।

তিনি বলেছেন: উপযুক্ত সংখ্যক সাহায্যকারী প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত ইমাম মাহদী(আ.) আবির্ভূত হবেন না। কেননা তিনি আবির্ভূত হয়ে তার সাহায্যকারীদেরম মাদ্যমে ইসলামের সকল শত্রুদেরকে সাহয্য করবেন।

ইমাম জাফর সাদিক(আ.)আরও বলেছেন: ইমাম মাহদী(আ.) তার আবির্ভাবের পর তার অন্তর্ধানের দর্শন সম্পর্কে বলবেন যে, আমি যখন তোমদের থেকে নিরাশ হয়েছিলাম এবং তোমরা আমাকে হত্যা করার জন্য প্রস্তুত হয়েছিল তখন আমি তোমাদের হাত থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নিয়েছিলাম।

শিয়া মাযহাব ইমাম জাফর সাদিকের (আ) জ্ঞান থেকে বিরতিহীনভাবে গ্রহণ করে হৃষ্টপুষ্ট ও সমৃদ্ধ হয়েছে, আর এ কারণে শিয়া মাযহাব 'জাফরি মাজহাব' হিসেবেও প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। এই খ্যাতি থেকেই প্রমাণিত হয় যে আহলে বাইতের পরিচিতি ও সংস্কৃতিকে সুবিন্যস্ত এবং পরিপূর্ণ করার ক্ষেত্রে তাঁর ব্যাপক ভূমিকা ছিল।

673511

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য