خبرگزاری شبستان

شنبه ۱ اردیبهشت ۱۳۹۷

السبت ٦ شعبان ١٤٣٩

Saturday, April 21, 2018

বিজ্ঞাপন হার

হযরত আব্বাসের আদব ও আখলাক

মাহদাভিয়াত বিভাগ: হযরত আবুল ফজলিল আব্বাস (আলাইসাল্লাম) ছিলেন আমিরুল মুমিনিন হযরত আলী (আ.)'র পুত্র তথা হযরত ইমাম হাসান ও ইমাম হুসাইন (আ.)'র সত ভাই। ২৬ হিজরির চতুর্থ শা'বান জন্মগ্রহণ করেছিলেন ইতিহাসের এই অনন্য ব্যক্তিত্ব। অনেক মহত গুণের অধিকারী ছিলেন বলে তাঁকে বলা হত আবুল ফাজল তথা গুণের আধার। চিরস্মরণীয় ও বরেণ্য এই মহামানবের জীবনের নানা ঘটনার মধ্যে রয়েছে শিক্ষণীয় অনেক দিক।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Thursday, December 14, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27944

ইমাম মাহদীকে(আ.) কিভাবে ডাকতে হবে?
মাহদাবিয়াত বিভাগ: অনেকেই প্রশ্ন করেন যে, ইমাম মাহদী(আ.) অন্তর্ধানে থাকা অবস্থায় তাকে কিভাবে ডাকতে হবে এবং কোন উপাধি ব্যবহার করা উত্তম হবে।

ইমাম মাহদীকে(আ.) কিভাবে ডাকতে হবে?      

মাহদাবিয়াত বিভাগ: অনেকেই প্রশ্ন করেন যে, ইমাম মাহদী(আ.) অন্তর্ধানে থাকা অবস্থায় তাকে কিভাবে ডাকতে হবে এবং কোন উপাধি ব্যবহার করা উত্তম হবে।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: মু’মিনিদে দায়িত্ব হচ্ছে ইমাম মাহদীকে তার উপাধিসমূহ দিয়ে ডাকা যেমন: হুজ্জাত, কায়েম, মাহদী, সাহেবুল আমর, সাহেবুজ্জামান। মহানবীও বলেছেন: ইমাম মাহদীর নাম উচ্চারণ করা ঠিক নয় বরং তাকে মিম হে মিম দাল(م ح م د) বলতে হবে।

তবে শিয়া ওলামাদের কাছে মত পার্থক্য রয়েছে যে, ইমাম মাহদীর নাম অর্থাত (মুহাম্মাদ) বলা যাবে কি যাবে না। অনেকে বলেছেন: নাম উচ্চারণ করা হারাম আবার অনেকে বলেছেন, তাকিয়ার পরিস্থিতিত না থাকলে জায়েজ।

স্বল্প মেয়াদি অন্তর্ধানের সময় তাকিয়ার কারণে ইমাম মাহদীর নাম উচ্চারণ করা নিষেধ ছিল। কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদি অন্তর্দানের যুগে তার নাম উচ্চারণ করা জায়েজ।

গ্রন্থ রচনার ক্ষেত্রে ইমাম মাহদীর নাম লেখা জায়েজ। আর বড় দলিল হচ্ছে মহানবীর যুগ থেকে আজ পর্যন্ত ইমাম মাহদীর নাম গ্রন্থে লেখা রয়েছে এবং কেউই তার বিরোধিতা করে নি।

675998

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য