خبرگزاری شبستان

شنبه ۳۰ تیر ۱۳۹۷

السبت ٩ ذو القعدة ١٤٣٩

Saturday, July 21, 2018

বিজ্ঞাপন হার

ইমাম মাহদীর (আ.) সাথে আত্মিক সম্পর্ককে জোরদার করা জরুরী

মাহদাভিয়াত বিভাগ: ইমাম মাহদী(আ.) আল্লাহর হুজ্জাত তিনি আমাদের হেদায়াতের জন্য নির্ধারিত হয়েছেন। সুতরাং আমাদের জানতে হবে যে তিনি আমাদের কাছে কি চান এবং তার প্রতি আমাদের কর্তব্য কি।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Tuesday, January 09, 2018 নির্বাচিত সংবাদ : 28134

তাকওয়া সম্মান ও মর্যাদার মাপকাঠি
মায়ারেফ বিভাগ: তাকওয়ার অর্থ হচ্ছে আল্লাহর ভয় ও খোদাভীতি। অর্থাৎ মানুষ সর্বাবস্থার এমন আকিদা ও বিশ্বাসপোষণ করবে যে, আল্লাহ তাকে দেখছে এবং আল্লাহর নিকট তাকে নিজের প্রতিটি কাজের জবাবদিহিতা করতে হবে।

তাকওয়া সম্মান ও মর্যাদার মাপকাঠি

 

মায়ারেফ বিভাগ: তাকওয়ার অর্থ হচ্ছে আল্লাহর ভয় ও খোদাভীতি। অর্থাৎ মানুষ সর্বাবস্থার এমন আকিদা ও বিশ্বাসপোষণ করবে যে, আল্লাহ তাকে দেখছে এবং আল্লাহর নিকট তাকে নিজের প্রতিটি কাজের জবাবদিহিতা করতে হবে।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিশিষ্ট আলেম ও গবেষক হযরত হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন আলী আকবার রাশাদ এক অনুষ্ঠানে বলেছেন: পবিত্র কোরআনের আয়াত এবং মাসুমগণের (আ.) হাদীসসমূহের মধ্যে অত্যন্ত সামঞ্জস্যতা বিদ্যমান। কারণ কোরআন যেমনভাবে আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের হেদায়েতের জন্য নাজিল হয়েছে, তেমনভাবে নিস্পাপ মাসুমগণও মানব জাতিকে দিকনির্দেশনা ও খোদামুখী করতে এ পৃথিবীতে আগমণ করেছেন।

তিনি মানব জীবনে তাকওয়ার গুরুত্ব ও তাৎপর্যের প্রতি ইশারা করে বলেন: যেমনভাবে পবিত্র কোরআনের সূরা হুজরাতের ১৩ নং আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে-

إِنَّ أَكرَمَكُم عِندَ اللَّهِ أَتقاكُم

অর্থাৎ তোমাদের মধ্যে সেই হচ্ছে আল্লাহর নিকট ততবেশি সম্মানিত যে ব্যক্তি যতবেশি তাকওয়ার অধিকারী। অনরূপভাবে এ সম্পর্কে আমিরুল মু’মিনিন আলীর (আ.) একটি জ্ঞানগর্ভ বাণী নাহজুল বালাগার ১১৩ নং হিকমতে বর্ণিত হয়েছে;

তাকওয়ার চেয়ে সম্মানজনক অন্য কিছু নেই।

তিনি তাকওয়াকে মানুষের সম্মান ও মর্যাদার মানদণ্ড হিসেবে অভিহিত করে বলেন: পবিত্র কোরআনের ভাষ্য অনুযায়ী সম্পদ, বংশীয় পরিচয় কিংবা প্রতিপত্তি কোন কিছুই মানুষের সম্মান ও মর্যাদার মানদণ্ড নয়; বরং তাকওয়া ও খোদাভীতিই হচ্ছে মাপকাঠি।

 

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য