خبرگزاری شبستان

شنبه ۱ اردیبهشت ۱۳۹۷

السبت ٦ شعبان ١٤٣٩

Saturday, April 21, 2018

বিজ্ঞাপন হার

হযরত আব্বাসের আদব ও আখলাক

মাহদাভিয়াত বিভাগ: হযরত আবুল ফজলিল আব্বাস (আলাইসাল্লাম) ছিলেন আমিরুল মুমিনিন হযরত আলী (আ.)'র পুত্র তথা হযরত ইমাম হাসান ও ইমাম হুসাইন (আ.)'র সত ভাই। ২৬ হিজরির চতুর্থ শা'বান জন্মগ্রহণ করেছিলেন ইতিহাসের এই অনন্য ব্যক্তিত্ব। অনেক মহত গুণের অধিকারী ছিলেন বলে তাঁকে বলা হত আবুল ফাজল তথা গুণের আধার। চিরস্মরণীয় ও বরেণ্য এই মহামানবের জীবনের নানা ঘটনার মধ্যে রয়েছে শিক্ষণীয় অনেক দিক।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Sunday, January 14, 2018 নির্বাচিত সংবাদ : 28159

আখেরি মোনাজাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও মুসলিম বিশ্বের ঐক্য কামনা
আখেরি মোনাজাতে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি, মুসলিম বিশ্বের ঐক্য, দেশ ও মানবতার কল্যাণ কামনার মধ্যদিয়ে ঢাকার অদূরে টঙ্গীর তুরাগতীরে শেষ হল ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমায় প্রথম পর্ব।

আখেরি মোনাজাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও মুসলিম বিশ্বের ঐক্য কামনা

আখেরি মোনাজাতে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি, মুসলিম বিশ্বের ঐক্য, দেশ ও মানবতার কল্যাণ কামনার মধ্যদিয়ে ঢাকার অদূরে টঙ্গীর তুরাগতীরে শেষ হল ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমায় প্রথম পর্ব।

আজ (রোববার) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে মোনাজাত শুরু হয়ে শেষ হয় বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে। প্রথমবারের মতো বাংলা ভাষায় আখেরি মোনাজাত করেন কাকরাইল মসজিদের ইমাম তাবলিগের শুরা সদস্য মাওলানা হাফেজ জোবায়ের । তাবলিগ জামাতের আমির ভারতের মাওলানা জোবায়রুল হাসানের মৃত্যুর পর গত দুই বছর দিল্লির মাওলানা সাদ কান্ধলভী আরবি কিংবা উর্দুতে মোনাজাত পরিচালনা করতেন। নানা বিতর্ক আর তাবলিগ জামাতের একাংশের বিক্ষোভের পর মাওলানা সাদকে এবার ইজতেমায় অংশ না নিয়েই ভারতে ফিরে যেতে হয়েছে। সাদের অনুপস্থিতিতে আখেরি মোনাজাত পরিচালনার দায়িত্ব পড়ে বাংলাদেশের মাওলানা জোবায়েরের ওপর। তার মোনাজাতের প্রথম ১৪ মিনিট ছিল আরবিতে। পরের ২১ মিনিট বাংলায়।

এ মোনাজাতে মুসলিম জাহানের কল্যাণ কামনা করা হয়। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা অশ্রুসিক্ত নয়নে নিজ নিজ গুনাহ মাফ ও আত্মশুদ্ধির পাশাপাশি মুসলিম উম্মাহর সমৃদ্ধি, সংহতি, অগ্রগতি এবং দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন। মোনাজাত প্রচারের জন্য গণযোগাযোগ অধিদপ্তর ও গাজীপুর জেলা তথ্য অফিস বিশেষ ব্যবস্থা নেয়।

প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ বঙ্গভবনে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তার গুলশানের বাসভবন থেকে এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ ইজতেমা প্রাঙ্গণে সশরীরে আখেরি মোনাজাতে শরিক হন।

গত শুক্রবার ভোরে আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। এই পর্বে অংশ নেন ঢাকাসহ ১৭ জেলার মুসলমানরা। চার দিন বিরতি দিয়ে ঢাকা ছাড়াও আরও ১৫ জেলার মুসলমানদের অংশগ্রহণে ২০ জানুয়ারি শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। ২১ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্যামে শেষ হবে বিশ্ব তাবলিগ জামাতের এই বার্ষিক সম্মিলন। এর বাইরে দেশের বাকি ৩২টি জেলার মানুষ আগামী বছর দুই পর্বে ইজতেমায় অংশ নেবেন।

 

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য