خبرگزاری شبستان

دوشنبه ۷ خرداد ۱۳۹۷

الاثنين ١٤ رمضان ١٤٣٩

Monday, May 28, 2018

বিজ্ঞাপন হার

আমাদের কাজসমূহে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার মূল কারণ

মাহদাভিয়াত বিভাগ: কাজ যদি আল্লাহর জন্য করা হয় এবং অভিপ্রায় শুধু আল্লাহর জন্য হয়, তাহলে সাধারণত কাজে যে সকল আসে তা আর আসবে না। আমরা যখন অন্যের জন্য কাজ করি তখনই আমরা আমাদের কাজের সওয়াবকে আত্মাহুতি দেই।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Monday, January 22, 2018 নির্বাচিত সংবাদ : 28238

ইরানে তিন দিন ব্যাপী বিশাল সামরিক মহড়া শুরু
রাজনীতি বিভাগ: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সামরিক বাহিনীর বিশাল যৌথ মহড়া শুরু হয়েছে। এতে ইরানের সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী অংশ নিচ্ছে। পাশাপাশি খাতামুল আম্বিয়া বিমান ঘাঁটির ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ইউনিটও যোগ দিচ্ছে এ মহড়ায়।

ইরানে তিন দিন ব্যাপী বিশাল সামরিক মহড়া শুরু

রাজনীতি বিভাগ: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সামরিক বাহিনীর বিশাল যৌথ মহড়া শুরু হয়েছে। এতে ইরানের সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী অংশ নিচ্ছে। পাশাপাশি খাতামুল আম্বিয়া বিমান ঘাঁটির ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ইউনিটও যোগ দিচ্ছে এ মহড়ায়।

ওমান সাগরের উপকূলসহ মাকরান উপকূলের বিশাল এলাকাজুড়ে যৌথ সামরিক মহড়া চালানোর প্রস্তুত নিয়েছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান। মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ (স) নামে এ মহড়া সোমবার ইরানের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সামরিক বাহিনীর সমন্বয় বিষয়ক কমান্ডার হাবিবুল্লাহ সাইয়্যারি।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় তিনি দু দিনব্যাপী এ সামরিক মহড়ার কথা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, স্থলবাহিনী, নৌ ও বিমানবাহিনী এ মহড়ায় অংশ নেবে। পাশাপাশি ইরানের ক্ষেপেণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ইউনিটও মহড়ায় যোগ দেবে।

সামরিক বাহিনীর সমন্বয় বিষয়ক কমান্ডার হাবিবুল্লাহ সাইয়্যারির নির্দেশে ‘মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ (স)’ নামের এ মহড়া আজ (সোমবার) সকালে শুরু হয়। ইরানের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলীয় বিশাল এলাকাজুড়ে যৌথ সামরিক মহড়া চালানোর কথা। ইরানের প্রেস টিভি জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় মাকরান উপকূল এবং ওমান সাগর উপকূলের ৩০ লাখ বর্গকিলোমিটার এলাকায় মহড়া চলবে।

এদিকে, দু দিনব্যাপী মহড়ার প্রথম দিনেই ইরানের সেনারা ফজর-৫ রকেট ও নাজেয়াত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে অনুশীলন করেছে। মহড়ার মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল সাইয়্যেদ মাহমুদ মুসাভি এ তথ্য দিয়েছেন। কল্পিত শত্রুর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয় এসব ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে।

দিনের শেষ দিকে ইরানের স্পেশাল ফোর্স ও কমান্ডো ইউনিট নিজেদের পানিসীমায় অনুপ্রবেশ রুখে দিতে কল্পিত শত্রুর যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করবে। এছাড়া, ইরানের উপকূল রক্ষায় নৌবাহিনীকে সহায়তার মহড়া চালাবে স্থলবাহিনী।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য