خبرگزاری شبستان

شنبه ۱ اردیبهشت ۱۳۹۷

السبت ٦ شعبان ١٤٣٩

Saturday, April 21, 2018

বিজ্ঞাপন হার

হযরত আব্বাসের আদব ও আখলাক

মাহদাভিয়াত বিভাগ: হযরত আবুল ফজলিল আব্বাস (আলাইসাল্লাম) ছিলেন আমিরুল মুমিনিন হযরত আলী (আ.)'র পুত্র তথা হযরত ইমাম হাসান ও ইমাম হুসাইন (আ.)'র সত ভাই। ২৬ হিজরির চতুর্থ শা'বান জন্মগ্রহণ করেছিলেন ইতিহাসের এই অনন্য ব্যক্তিত্ব। অনেক মহত গুণের অধিকারী ছিলেন বলে তাঁকে বলা হত আবুল ফাজল তথা গুণের আধার। চিরস্মরণীয় ও বরেণ্য এই মহামানবের জীবনের নানা ঘটনার মধ্যে রয়েছে শিক্ষণীয় অনেক দিক।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Sunday, February 04, 2018 নির্বাচিত সংবাদ : 28348

ইমাম মাহদীর প্রতি কৃত ওয়াদা অবশ্যই পালন করতে হবে
মাহদাভিয়াত বিভাগ: সূরা নাহলের ৯১ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন- তোমরা যখনই আল্লাহর নামে অঙ্গীকার করবে তখনই তা পূর্ণ কর, তোমরা আল্লাহকে সাক্ষ্য রেখে শপথ দৃঢ় করবার পর ভঙ্গ কর না। তোমরা যা কর আল্লাহ তা ভালভাবে জানেন।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: প্রতিশ্রুতি আল্লাহর সঙ্গে হোক বা তার বান্দাদের সঙ্গে হোক- প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তিকে তা পালন করতে হবে। কেউ কোনো মানত করলে আকাঙ্ক্ষা পূরণ হলেই মানত পূর্ণ করতে হবে। অর্থনৈতিক বা সামাজিক ক্ষেত্রেও কাউকে  কোনো বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিলে তা পালন করতে হবে। বিনা কারণে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা যাবে না। সেইসঙ্গে অযথা আল্লাহর নামে শপথ করা যাবে না। আর কোনো কারণে যদি শপথ করতেই হয়, তাহলে অবশ্যই তা পালন করতে হবে। শপথ ভঙ্গ করে আল্লাহর নামের মাহাত্ম ও দ্বীনের পবিত্রতা নষ্ট করা যাবে না।

এ আয়াতে আল্লাহ আরো বলেছেন, যদি ক্ষমতার অধিকারই হও, তাহলে তোমার  অধীনস্ত ব্যক্তি, সমাজের দুর্বল ও  ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর প্রতি জুলুম কর না। তাদেরকে অধিকার বঞ্চিত কর না। কারণ এসব আচরণ সুস্পষ্ট জুলুম ও অত্যাচারের সমতুল্য। অবশ্য সামাজিক জীবনেও আল্লাহর সঙ্গে প্রতিশ্রুতি পালনের সুস্পষ্ট উদাহরণ রয়েছে। এরমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল ধর্মীয় নেতা এবং আল্লাহর ওলীদের অনুসরণ করা। আল্লাহ-তায়ালা ধর্মীয় নেতাদেরকে পৃথিবীতে নিজের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন।

ওয়াদা ভঙ্গ করা শুধু অনৈতিক কাজ নয়, বরং কেয়ামতের দিন ওয়াদা ভঙ্গকারীকে আল্লাহর কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।

পথভ্রষ্টতা ও ওয়াদা ভঙ্গের ক্ষেত্র সৃষ্টিকারী একটি উপাদান হলো  ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়া। ক্ষমতা হাতে পেলে আমাদেরকে আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। কারণ, আল্লাহ মানুষকে পরীক্ষা করার জন্য তাকে ক্ষমতা দিয়ে থাকেন।

মহান আল্লাহর প্রতি ওয়াদা পালন করার অর্থ হচ্ছে সঠিকভাবে তার ইবাদত বন্দেগীকরা। ইমাম মাহদীর প্রতি ওয়াদা পালন করা হচ্ছে সঠিকভাবে তাকে চেনা ও তার আনুগত্য করা। আরেকটি হচ্ছে পরিবার ও সামাজের প্রতি যে ওয়াদা তা সঠিকভাবে পালন করা।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য