خبرگزاری شبستان

شنبه ۱ اردیبهشت ۱۳۹۷

السبت ٦ شعبان ١٤٣٩

Saturday, April 21, 2018

বিজ্ঞাপন হার

হযরত আব্বাসের আদব ও আখলাক

মাহদাভিয়াত বিভাগ: হযরত আবুল ফজলিল আব্বাস (আলাইসাল্লাম) ছিলেন আমিরুল মুমিনিন হযরত আলী (আ.)'র পুত্র তথা হযরত ইমাম হাসান ও ইমাম হুসাইন (আ.)'র সত ভাই। ২৬ হিজরির চতুর্থ শা'বান জন্মগ্রহণ করেছিলেন ইতিহাসের এই অনন্য ব্যক্তিত্ব। অনেক মহত গুণের অধিকারী ছিলেন বলে তাঁকে বলা হত আবুল ফাজল তথা গুণের আধার। চিরস্মরণীয় ও বরেণ্য এই মহামানবের জীবনের নানা ঘটনার মধ্যে রয়েছে শিক্ষণীয় অনেক দিক।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Tuesday, February 13, 2018 নির্বাচিত সংবাদ : 28411

ইমাম খোমিনির(রহ.) দৃষ্টিতে বিপ্লবের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে মানবিকতা
মাহদাভিয়াত বিভাগ: ইমাম খোমেনি (রহ.) মানবজাতির মানবিকীকরণ ও প্রশিক্ষনকে ইসলামী বিপ্লবের প্রধান উদ্দেশ্যটি বিবেচনা করতেন। যে কোন সমাজে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা যায় কিন্তু ইসলামী বিপ্লবের মূল লক্ষ হচ্ছে সমাজের নৈতিকতা ও নৈতিক মাপকাঠির উন্নয়নের উপর গুরুত্ব দেয়া।

ইমাম খোমিনির(রহ.) দৃষ্টিতে বিপ্লবের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে মানবিকতা       

মাহদাভিয়াত বিভাগ: ইমাম খোমেনি (রহ.) মানবজাতির মানবিকীকরণ ও প্রশিক্ষনকে ইসলামী বিপ্লবের প্রধান উদ্দেশ্যটি বিবেচনা করতেন। যে কোন সমাজে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা যায় কিন্তু ইসলামী বিপ্লবের মূল লক্ষ হচ্ছে সমাজের নৈতিকতা ও নৈতিক মাপকাঠির উন্নয়নের উপর গুরুত্ব দেয়া।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: শহীদ বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. নাজমা কিখা, ইমাম খোমেনির চিন্তাধারার উপর ভিত্তি করে ইসলামী বিপ্লবের দর্শন ব্যাখ্যা করে বলেন: ইমাম খোমিনী যেহেতু বিখ্যাত ফকীহ ও মারজায়ে তাকলীদ ছিলেন তাই তার উচ্চতর দার্শনিক চিন্তাধারার তেমন প্রচার হয় নি।

কিন্তু ফেকাহশাস্ত্রের ক্ষেত্রেও ইমাম খোমিনির দার্শনিক ও নৈতিক চিন্তাধারা দারুনভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

ইমাম খোমিনীর ইসলামী বিপ্লব ছিল নানামুখী। তিনি যেমন ইসলাম ও ফেকাহ শাস্ত্রের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন তেমনি গুরুত্ব দিয়েছেন দর্শন, নৈতিকতা এবং প্রজ্ঞার প্রতি।

ড. নাজমা কিখা বলেন: ইমাম খোমিনি যে একজন উচ্চু মানের বড় দার্শনিক ছিলেন তার বড় প্রমাণ হচ্ছে তার হাতেই গড়ে উঠিছিলেন, শহীদ মোতাহারি, শহীদ বেহেশতি, আয়াতুল্লাহ মোফাততেহ, আল্লামা তাকি জাফারি, আয়াতুল্লাহ জাওয়াদি আমুলি এবং আনসারী শিরাজি প্রমুখ।

তিনি বলেন: ইমাম খোমিনি দীর্ঘদিন দর্শন ও হেকমত শিক্ষা দিয়েছেন আর এর উপর তার অনেক মূল্যবাণ লেখনি রয়েছে, যেমন: আসরারুস সালাত এবং চল্লিশ হাদিস গ্রন্ত উল্লেখযোগ্য।

ড. নাজমা কিখা বলেন: ইমাম খোমিনির আদর্শ যেহেতু মহানবী(সা.) ও পবিত্র আহলে বাইত ছিলেন তাই তিনি সেভাবেই ইসলামী বিপ্লব গঠণ করেন। মহানবী বলেছেন: আমি নৈতিক চরিত্রকে পূর্ণতায় পৌছানোর জন্য নবী হিসাবে প্রেরীত হয়েছি।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য