خبرگزاری شبستان

پنج شنبه ۲۸ تیر ۱۳۹۷

الخميس ٧ ذو القعدة ١٤٣٩

Thursday, July 19, 2018

বিজ্ঞাপন হার

প্রতি নামাযের পর ইমাম মাহদীর (আ.) আবির্ভাবের জন্য দোয়া

মাহদাভিয়্যাত বিভাগ: ইমাম মাহদী (আ.) ইমামতিধারার সর্বশেষ মাসুম ইমাম। যিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে শেষ জামানায় আবির্ভূত হবেন এবং সারা বিশ্বে ন্যায় ও ইনসাফের হুকুমত প্রতিষ্ঠা করবেন। তাই এ ইমামের আবির্ভাবের জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করা আমাদের প্রত্যেকের ঈমানি দায়িত্ব।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Thursday, April 12, 2018 নির্বাচিত সংবাদ : 28767

নেদারল্যান্ডে পালিত হবে মহানবীর বেয়ছাত দিবস
মাহদাভিয়াত বিভাগ: মহানবী মোহাম্মদ মোস্তফা (সা.) -এর বেয়ছাত তথা নবুয়্যত ঘোণা দিবস উপলক্ষে হেগের আল কাওছার সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে একটি মহৎ উত্সব পালন করা হবে।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট:  ২৭শে রজব, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট ও সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র নবুয়্যত প্রাপ্তি বা ঘোষণা দিবস। এই পবিত্র দিনে মহানবীর(সা.) উপর সূরা আলাক অবতীর্ণ হয়, আর এভাবেই শুরু হয় মহানবীর নবুয়্যতের মিশন।

মানুষকে মহান আল্লাহর প্রকৃত প্রতিনিধি ও বান্দায় পরিণত করার এই মিশন শুরু করেছিলেন প্রথম নবী তথা মানব জাতির আদি পিতা হযরত আদম (আ)। আর একে পূর্ণতার শিখরে পৌঁছে দেয়ার মিশন শুরু করেন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা)। আর ২৭ রজব হচ্ছে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদের (স.) সেই মিশন শুরু করার তথা রেসালাত প্রাপ্তির ঐতিহাসিক দিবস।

ইসলামের দৃষ্টিতে মহান আল্লাহর পবিত্র অস্তিত্ব ছাড়া বিশ্বনবীর (সা) চেয়ে বড় ও মহীয়ান আর কিছুই নেই। বিশ্বনবীর শ্রেষ্ঠ চরিত্র ও শ্রেষ্ঠ সংগ্রামী জীবন ছাড়া শ্রেষ্ঠ ধর্ম  তথা শ্রেষ্ঠ খোদায়ী বিধান ইসলামের বাস্তবায়ন কল্পনাও করা যেত না।  আর এ জন্যই বলা হয় বিশ্বনবী (সা.) যখন রেসালাত পান তখন বড় শয়তান আর্তনাদ করে ওঠে এবং সব সহযোগী শয়তানদের জড়ো করে বলে যে, আমাদের কাজ তো কঠিন হয়ে গেলো!

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দুনিয়ায় সাম্য, শান্তি এবং সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে আমাদের শেষ নবী (সা.) চিরজাগরুক থাকবেন, চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন সে ব্যাপারে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই। দয়ায়, ক্ষমায়, দানে, কর্মে, উদারতায়, মহত্ত্বে, জ্ঞানে, ধর্মে সাইয়িদুল মুরসালিন, প্রিয় নবী (সা.) সর্বকালের মানুষের সর্বোত্কৃষ্ট আদর্শ।

নবুওয়তির ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ মিশন হজরত মোহাম্মদ (সা.)-এর হাতে পূর্ণতা লাভ করে। তাঁর মিশনের লক্ষ্য ছিল জুলুমের অবসান ঘটিয়ে মানব জীবনের সর্বক্ষেত্রে ন্যায়বিচার ও ইনসাফ কায়েম করা। যে লক্ষ্য নিয়ে তিনি দুনিয়ায় আবির্ভূত হন, ২৩ বছরে প্রাণান্তকর প্রয়াস চালিয়ে তিনি তা কার্যকর করেন সার্থকভাবে।

তাঁর উপস্থাপিত জীবন ব্যবস্থা ছিল মানব জীবনের সর্বক্ষেত্রে সবদিক দিয়ে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার নিয়ামক ও চালিকা শক্তি।

আল্লাহ্ তায়ালার নির্দেশনা অনুযায়ী রাসুলুল্লাহ্ (সা.) সমাজে ন্যায়বিচারের মানদণ্ড সুপ্রতিষ্ঠিত করেন। জাতি-ধর্ম, বর্ণ-শ্রেণী, পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন, ধনী-দরিদ্র, প্রভু-ভৃত্য সবাইর ক্ষেত্রে বিচার সমান, এখানে বিন্দুমাত্র হেরফেরের অবকাশ ছিল না। দয়া বা পক্ষপাতিত্ব আল্লাহর বিধান কার্যকরকরণে কোনোরূপ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেনি।

অনুষ্ঠানটি ১৪ই এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে এবং তাতে ঐ দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন দেশের আলেম ও ওলামা বৃন্দু উপস্থিথ থাকবেন।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য