অনুসন্ধান صفحه اصلی خبر |
|
মতামতজরিপ : |
Monday, April 16, 2018 |
|
নির্বাচিত সংবাদ : |
28784 |
ইরানের ঘাড়ে দোষ চাপানোর প্রচেষ্টা সফল হবে না: আরব লীগকে তেহরান
ইরান বলেছে, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা সেদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য। আরব লীগের শীর্ষ সম্মেলনে ইরানের বিরুদ্ধে এ সংক্রান্ত যে অভিযোগ আনা হয়েছে তাও নাকচ করে দিয়েছে তেহরান।
গতকাল (রোববার) সৌদি আরবের জাহরান শহরে অনুষ্ঠিত আরব লীগের শীর্ষ সম্মেলন থেকে অভিযোগ করা হয়, কোনো কোনো আরব দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ইরান হস্তক্ষেপ করছে।
এ অভিযোগের ব্যাপারে দুঃখ প্রকাশ করে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাহরাম কাসেমি বলেন, অতীতের মতো এবারও আরব দেশগুলো ময়দানের বাস্তবতা উপেক্ষা করে ইরানের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছে।
কাসেমি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে চলমান সহিংসতা ও যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে এসব দেশে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে জাহরান সম্মেলন থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু আরব লীগের এ শীর্ষ সম্মেলন থেকে প্রকাশিত ইশতেহারে সৌদি আরবের ধ্বংসাত্মক নীতির প্রতিফলন ঘটেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
পারস্য উপসাগরে অবস্থিত তিনটি দ্বীপ তুম্বে কুচেক, তুম্বে বোজোর্গ ও আবু মুসাকে ইরানের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করে বাহরাম কাসেমি বলেন, এসব দ্বীপের নাম পরিবর্তন করার অপচেষ্টা কখনো সফল হবে না।
রোববার আরব লীগের ২৯তম শীর্ষ সম্মেলন থেকে প্রকাশিত ইশতেহারে ইয়েমেনে ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর জন্য ইরানকে অভিযুক্ত করা হয়। সেইসঙ্গে ইরানের তিনটি দ্বীপ তুম্বে কুচাক, তুম্বে বোজোর্গ ও আবু মুসা দ্বীপের ওপর সংযুক্ত আরব আমিরাত যে মালিকানা দাবি করছে তার প্রতি সমর্থন জানানো হয়।
ইরানের বিরুদ্ধে এমন সময় ইয়েমেনে ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর অভিযোগ করা হলো যখন জল, স্থল ও আকাশপথে ইয়েমেনের ওপর কঠোর অবরোধ দিয়ে রেখেছে সৌদি আরব এবং সে অবরোধ ভেদ করে ক্ষেপণাস্ত্রের মতো একটি বিশাল সমরাস্ত্র ইয়েমেনে পাঠানো সম্ভব নয়। এছাড়া, তিন ইরানি দ্বীপের ওপর আরব আমিরাত এমন সময় মালিকানা দাবি করছে যখন ঐতিহাসিকভাবে এসব দ্বীপ ইরানের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল।