خبرگزاری شبستان

چهارشنبه ۲ خرداد ۱۳۹۷

الأربعاء ٩ رمضان ١٤٣٩

Wednesday, May 23, 2018

বিজ্ঞাপন হার

ইমাম মাহদীর নামে কোরআন খতম দেয়ার ফজিলত

মাহদাভিয়াত বিভাগ: রমজান মাসের ইফতার, সেহেরি এবং শবে কদরে আমাদের প্রধান দোয়া হচ্ছে ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের জন্য দোয়া করা। আমরা যদি এটা করতে পারি তাহলে ইমাম মাহদীর প্রকৃত সৈনিক হতে পারব এবং আমাদের ম্যেধ তার জন্য ত্যাগ স্বীকার করার মনোভাব গড়ে উঠবে।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Sunday, April 22, 2018 নির্বাচিত সংবাদ : 28811

বেহেশতবাসীরা চিরদিন ইমাম হুসাইনের (আ.) মেহমান হিসেবে গণ্য
মায়ারেফ বিভাগ: সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) থেকে একটি বিখ্যাত ও প্রসিদ্ধ হাদীস হচ্ছে- হাসান ও হুসাইন হচ্ছে জান্নাতের যুবকদের নেতা’। এ হাদীস থেকে সুস্পষ্ট হয়ে যায় যে, ইমাম হুসাইন (আ.) সমস্ত বেহেশতবাসীদের নেতা এবং যারাই বেহেশতে গমণ করবে, তারা হবে ইমাম হুসাইনের (আ.) মেহমান।

বেহেশতবাসীরা চিরদিন ইমাম হুসাইনের (আ.) মেহমান হিসেবে গণ্য

 

মায়ারেফ বিভাগ: সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) থেকে একটি বিখ্যাত ও প্রসিদ্ধ হাদীস হচ্ছে- হাসান ও হুসাইন হচ্ছে জান্নাতের যুবকদের নেতা’। এ হাদীস থেকে সুস্পষ্ট হয়ে যায় যে, ইমাম হুসাইন (আ.) সমস্ত বেহেশতবাসীদের নেতা এবং যারাই বেহেশতে গমণ করবে, তারা হবে ইমাম হুসাইনের (আ.) মেহমান।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিশিষ্ট ইসলামি গবেষক ও চিন্তাবিদ হযরত হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন হাবিবুল্লাহ ফারাহজাদ গতকাল ইমাম হুসাইনের (আ.) মহিমান্বিত জন্ম দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে বলেন: পবিত্র শাবান মাসটি হল বছরের মধ্যে ফজিলতপূর্ণ মাসের মধ্যে অন্যতম। আর এ মাসের তৃতীয় তারিখে রাসূলের (সা.) প্রাণপ্রিয় নাতি সাইয়েদুশ শোহাদা ইমাম হুসাইনের (আ.) জন্ম হয়েছে। যাকে উদ্দেশ্য করে রাসূল (সা.) অনেক হাদীস বর্ণনা করেছেন। যিনি বেহেশবাসীদের নেতা। মানব জাতির মধ্যে যারাই বেহেশতে প্রবেশ করার তৌফিক অর্জন করবে, তারাই চিরদিনের জন্য ইমাম হুসাইনের মেহমান হিসেবে সেখানে অবস্থান করবেন। আর এ সৌভাগ্য ও মেজবানির দায়িত্ব ইমাম হুসাইনকে স্বয়ং আল্লাহই দিয়েছেন।

তিনি দরুদ শরীফ পাঠকে পবিত্র শাবান মাসের অন্যতম ফজিলত হিসেবে উল্লেখ করে বলেন: দরুদ শরীফ পাঠের গুরুত্ব ও ফজিলত রাসূলের (সা.) একটি হাদীসের মাধ্যমে সুস্পষ্ট হয়ে যায়। এ হাদীসে তিনি বর্ণনা করেছেন- যে ব্যক্তি আমার প্রতি দরুদ শরীফ পাঠ করে, আমার উপর ফরজ হয়ে যায় তার জন্য আল্লাহর দরবারে শাফায়াত করা।

তিনি বলেন: দরুদ শরীফ সালামের চেয়েও বেশি ফজিলতপূর্ণ। সালামের জবাব দেয়া ফরজ। তেমনিভাবে যদি কেউ রাসূলের (সা.) দরুদ শরীফ পাঠ করে, তবে স্বাভাবিকভাবেই রাসূলের উপরও উক্ত দরুদের জবাব দান জরুরী হয়ে পড়ে। এ কারণে দরুদ শরীফ হচ্ছে সবচেয়ে উত্তম ও কার্যকর জিকির।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য