خبرگزاری شبستان

سه شنبه ۱۶ آذر ۱۴۰۰

الثلاثاء ٣ جمادى الأولى ١٤٤٣

Tuesday, December 7, 2021

বিজ্ঞাপন হার

ইরাকের রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় বসরা শহরের ইরানি কনস্যুলেটে দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদ জানাতে আজ (শনিবার) ভোরে তেহরানে নিযুক্ত ইরাকি রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। এ সময় ইরানি কনস্যুলেটের নিরাপত্তা রক্ষার ব্যাপারে ইরাকি নিরাপত্তা কর্মীদের অবহেলার প্রতিবাদ জানানো হয়।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Monday, May 7, 2018 নির্বাচিত সংবাদ : 28910

ইমাম মাহদীর(আ.) আমারেদ সব কিছু দেখেন
মাহদাভিয়াত বিভাগ: হাদিস বর্ণিত হয়েছে, আমাদের আমলনামাকে প্রতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার, প্রতি মারেস প্রথম তারিখে এবং প্রতি বছর শবে বরাতে ইমাম মাহদীর কাছে দেয়া হয়। তিনি আমাদের আমলনামা দেখেন এবং আল্লাহর কাছে আমাদের জন্য সুপাশি করেন।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট:  পবিত্র কোরআনেও বর্নিত হয়েছে, আল্লাহর রাসূল এবং মু’মিনরা আমাদের সকল আমল সম্পর্কে অবহিত আছেন।

সুতরাং আমাদেরকে এমনভাবে জীবন-যাপন করতে হবে যাবে ইমাম জামান আমাদের প্রতি রাজি ও খুশি থাকেন।

ইমাম বাকের (আ.) বলেছেন: যখন আমাদের কায়েম কিয়াম করবেন নিজের হাতকে মানুষের মাথায় বুলিয়ে দিবেন এবং তার বরকতে তাদের জ্ঞান , বুদ্ধি , বিবেক ও চিন্তাশক্তি পুরিপূর্ণতায় পৌঁছবে। ১৯৫

ভাল ও সৌন্দর্যসমূহ বিবেক পরিপূর্ণ হওয়ার মাধ্যমে অর্জিত হয়। কেননা ,বিবেক হচ্ছে মানুষের অভ্যান্তরীণ নবী। তা যদি মানুষের শরীর ও জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে মানুষের কর্মও সঠিক পথে পরিচালিত হবে ,আল্লাহর বান্দায় পরিণত হবে এবং সৌভাগ্যবাণ হবে।

ইমাম জা ’ ফর সাদিক (আ.)-এর কাছে প্রশ্ন করা হল যে ,বিবেক কি ?তিনি বললেন: বিবেক হচ্ছে তা যার মাধ্যমে আল্লাহর ইবাদত হয় এবং তার (নির্দেশনার) মাধ্যমে বেহেশত অর্জিত হয়।

ইমাম জা ফর সাদিক (আ.) বলেছেন: আমাদের কায়েম কিয়াম করলে প্রকৃত বন্ধুত্ব ও সঠিক আন্তরিকতা প্রতিষ্ঠিত হবে। তখন প্রয়োজনে একজন অন্য জনের পকেট থেকে প্রয়োজনীয় টাকা নিতে পারবে এবং সে তাতে কোন বাধা দিবে না।

সকল মানুষ যখন একই আক্বীদার অনুসরণ করে ,সামাজিক আচরণেও ইসলামী আখলাক মেনে চলে এবং সমাজের প্রতিটি স্তরে স্তরে ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠিত থাকে তখন জীবনের কোথাও আর ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার কোন অজুহাত থাকতে পারে না। যে সমাজে প্রত্যেকেই তার অধিকার প্রাপ্ত হয় এবং সামান্যতম অপরাধেরও উপযুক্ত শাস্তি হয় সেখানে অতি সহজেই সামাজিক নিরাপত্তা অর্জিত হওয়া সম্ভব।

আমরা যেহেতু অন্যায় ,হিংসা ,অত্যাচার ও সকল প্রকার অসৎকর্মের যুগে বসবাস করছি তাই এমন সোনালী যুগের ধারণাও আমাদের জন্য অতি কঠিন ব্যাপার। এর কারণের দিকে যদি দৃষ্টিপাত করি তাহলে বুঝব যে ,ইমাম মাহ্দী (আ.)-এর হুকুমতের ওই সবের কোন অস্তিত্ব থাকবে না। সুতরাং আল্লাহর ওয়াদা বাস্তবায়িত হবে এবং সমাজ নিরাপত্তায় পরিপূর্ণ হয়ে যাবে।

 

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য