خبرگزاری شبستان

چهارشنبه ۲۵ مهر ۱۳۹۷

الأربعاء ٧ صفر ١٤٤٠

Wednesday, October 17, 2018

বিজ্ঞাপন হার

ইরাকের রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় বসরা শহরের ইরানি কনস্যুলেটে দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদ জানাতে আজ (শনিবার) ভোরে তেহরানে নিযুক্ত ইরাকি রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। এ সময় ইরানি কনস্যুলেটের নিরাপত্তা রক্ষার ব্যাপারে ইরাকি নিরাপত্তা কর্মীদের অবহেলার প্রতিবাদ জানানো হয়।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Saturday, June 02, 2018 নির্বাচিত সংবাদ : 29045

আমেরিকায় ড্যাভিডিয়ানদের পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় কেন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না'
১৯৯৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ড্যাভিডিয়ান সম্প্রদায়ের সদর দফতরে নৃশংস হামলা চালিয়েছিল মার্কিন গোয়েন্দা বাহিনী। টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ওয়াকো শহরে অবস্থিত ওই দফতরে মার্কিন ঘরোয়া গোয়েন্দা বাহিনী এফবিআই'-এর বর্বোরোচিত হামলায় নিহত হয়েছিল ড্যাভিডিয়ান সম্প্রদায়ের ৭৬ জন নারী, পুরুষ ও শিশু।

আমেরিকায় ড্যাভিডিয়ানদের পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় কেন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না'

 

 ১৯৯৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ড্যাভিডিয়ান সম্প্রদায়ের সদর দফতরে নৃশংস হামলা চালিয়েছিল মার্কিন গোয়েন্দা বাহিনী।  টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ওয়াকো শহরে অবস্থিত ওই দফতরে মার্কিন ঘরোয়া গোয়েন্দা বাহিনী এফবিআই'-এর বর্বোরোচিত হামলায় নিহত হয়েছিল ড্যাভিডিয়ান সম্প্রদায়ের ৭৬ জন নারী, পুরুষ ও শিশু।  

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী ওই বর্বরোচিত ঘটনার সমালোচনা করে বলেছেন, "আমেরিকায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের এমন কিছু ঘটনা রয়েছে যেগুলোর বিষয়ে জাতিসংঘকে অবশ্যই আন্তরিকতার সঙ্গে পদক্ষেপ নিতে হবে। এর কোনো কোনোটি প্রথম থেকেই উপেক্ষিত হয়ে এসেছে। এর একটি হলো, ক্লিনটনের সময় ড্যাভিডিয়ান সম্প্রদায়ের সদর দপ্তরে অগ্নিসংযোগ। কেন এ ঘটনার বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না?"

 

তিনি বলেন, "১৯৯৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ড্যাভিডিয়ান সম্প্রদায়ের কিছু লোক একটি ভবনে সমবেত হয়েছিল। কোনো কারণে এই সম্প্রদায়ের সঙ্গে সরকারের বিরোধ ছিল। বিরোধের কারণ যাই হোক, সেটা সঠিকও হতে পারে আবার ভুলও হতে পারে। ধরুন সরকারের অবস্থানই সঠিক ছিল। এ অবস্থায় কী করা হয়। গ্রেপ্তার করা হয় অথবা আটক করে কোথাও নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তারা তা না করে ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়। ওই ঘটনায় বহু নারী-পুরুষ ও শিশুকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছে। তারা এ পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছে। কিন্তু কেন এর বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না?"

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা প্রশ্ন রাখেন- "এমন রেকর্ডের অধিকারী হওয়ার পরও কি আমেরিকা অন্যদেরকে মানবাধিকার ইস্যুতে দিকনির্দেশনা দেওয়ার অধিকার রাখে? জাতিসংঘকে অবশ্যই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে। এটি একটি মৌলিক ইস্যু। এ বিষয়ে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নিতে হবে।"

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য