خبرگزاری شبستان

چهارشنبه ۲۴ مهر ۱۳۹۸

الأربعاء ١٧ صفر ١٤٤١

Wednesday, October 16, 2019

বিজ্ঞাপন হার

ইরাকের রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় বসরা শহরের ইরানি কনস্যুলেটে দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদ জানাতে আজ (শনিবার) ভোরে তেহরানে নিযুক্ত ইরাকি রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। এ সময় ইরানি কনস্যুলেটের নিরাপত্তা রক্ষার ব্যাপারে ইরাকি নিরাপত্তা কর্মীদের অবহেলার প্রতিবাদ জানানো হয়।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Thursday, July 12, 2018 নির্বাচিত সংবাদ : 29146

সিরিয়ার পুনর্গঠন এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই একইসঙ্গে চলবে: বাশার আসাদ
সিরিয়ার পুনর্গঠনের বিষয়ে এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ। ২০১১ সাল থেকে দেশটিতে বিদেশী মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীরা সামরিক এবং বেসামরিক ব্যক্তিদের ওপর নৃশংস হামলা চালিয়ে আসছে।

সিরিয়ার পুনর্গঠন এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই একইসঙ্গে চলবে: বাশার আসাদ

 

সিরিয়ার পুনর্গঠনের বিষয়ে এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ। ২০১১ সাল থেকে দেশটিতে বিদেশী মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীরা সামরিক এবং বেসামরিক ব্যক্তিদের ওপর নৃশংস হামলা চালিয়ে আসছে।

গতকাল (সোমবার) রাজধানী দামেস্কে সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ আল মোয়াল্লেম এবং অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠকে প্রেসিডেন্ট আসাদ বলেন, উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর পাশাপাশি দেশের পুর্নগঠনের বিষয়েও সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

গত কয়েক বছর ধরে বিদেশী মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের হামলায় সিরিয়ার বিদ্যুৎ এবং পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, স্কুল- হাসপাতাল এবং অন্যান্য অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সিরিয়া হামলায় অন্তত ২২ হাজার ৬০০ কোটি ডলর অর্থ মূল্যের সম্পদ বিনষ্ট হয়েছে বলে ২০১৭ সালে বিশ্ব ব্যাংক এক সমীক্ষায় জানিয়েছিল। তবে সিরিয়ার পুনর্গঠনে ২০ হাজার কোটি ডলার প্রয়োজন হতে পারে বলে প্রেসিডেন্ট আসাদ জানিয়েছে। একইসঙ্গে বিপুল পরিমাণ এসব অর্থ সংগ্রহে পাশ্চ্যাত্যের দেশগুলোর কোনো সহায়তা গ্রহণ করা হবে না বলেও তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।  

গত জুন মাসে রাশিয়ার এনটিভি নেটওয়ার্ককে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আসাদ জোর দিয়ে বলেছিলেন, "পশ্চিমা দেশগুলোকে সিরিয়ার পুনর্গঠনে অংশ নিতে কোনো অনুমতি দেয়া হবে না। কারন তারা আমাদের এই কাজে অংশীদার হোক তা আমরা চাই না। এই ক্ষেত্রে তারা অর্থ নিয়ে আসুক বা না আসুক।" এছাড়া একই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন যে দেশকে নতুনভাবে বিনির্মাণে তার সরকার কোনো পশ্চিমা অর্থ গ্রহণ করবে না। তিনি আরো বলেছিলেন, "নিজেদের দেশকে পুর্ননির্মাণে আমাদের যথেষ্ট শক্তি ও সামর্থ রয়েছে। যদি আমাদের কাছে কোনো অর্থ না থাকে তাহলে আমরা আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র্র এবং প্রবাসীদের কাছ থেকে তা সংগ্রহ করব।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য