خبرگزاری شبستان

جمعه ۶ اردیبهشت ۱۳۹۸

الجمعة ٢١ شعبان ١٤٤٠

Friday, April 26, 2019

বিজ্ঞাপন হার

ইরাকের রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় বসরা শহরের ইরানি কনস্যুলেটে দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদ জানাতে আজ (শনিবার) ভোরে তেহরানে নিযুক্ত ইরাকি রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। এ সময় ইরানি কনস্যুলেটের নিরাপত্তা রক্ষার ব্যাপারে ইরাকি নিরাপত্তা কর্মীদের অবহেলার প্রতিবাদ জানানো হয়।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Sunday, July 15, 2018 নির্বাচিত সংবাদ : 29162

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ভারতে যাচ্ছেন ইরানি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে আসছেন ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করা ও তাদের কাছ থেকে তেল না কেনার জন্য বলেছে। দেশটি ভারতের উপরেও এ ব্যাপারে চাপ বাড়িয়ে চলেছে।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ভারতে যাচ্ছেন ইরানি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 

 আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে আসছেন ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করা ও তাদের কাছ থেকে তেল না কেনার জন্য বলেছে। দেশটি ভারতের উপরেও এ ব্যাপারে চাপ বাড়িয়ে চলেছে।

আমেরিকা সম্প্রতি ভারতকে জানিয়েছে, আগামী ৪ নভেম্বরের মধ্যে ভারতকে ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ করে দিতে হবে। অন্যথায় ভারতকে আর্থিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে।

জাতিসংঘের মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি সম্প্রতি ভারত সফরে এসে বলেন, ‘ভারতের উচিত ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করা। নয়াদিল্লি কোন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নতি বা অবনতি করবে তা আরো একবার ভেবে দেখা দরকার।’

এরকম পরিস্থিতিতে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান আগামী সপ্তাহে তার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচিকে ভারত সফরে পাঠাচ্ছে। আগামী ৪ নভেম্বর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগেই ভারত ও ইরান তা মোকাবিলা করার জন্য সর্বোত্তম উপায় বের করার চেষ্টা চালাবে।

গত (মঙ্গলবার) ভারতে নিযুক্ত ইরানের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স মাসুদ রেজভানিয়ান রাহাকি দিল্লিতে এক  আলোচনা সভায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘ইরানের পরিবর্তে ভারত যদি সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক কিংবা আমেরিকা থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানির ওপর জোর দেয়, তা হলে নয়াদিল্লিকে ‘বিশেষ সুবিধা’ থেকে বঞ্চিত করা হবে।’

বিষয়টি নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি হলে গত (বুধবার) ইরান দূতাবাসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত কার কাছ থেকে তেল আমদানি করবে তা নয়াদিল্লির নিজস্ব বিষয়। কারণ, বিষয়টির সঙ্গে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক তেলের বাজারের অনিশ্চয়তা জড়িয়ে আছে। ভারতকে ইরানের নির্ভরযোগ্য জ্বালানি অংশীদার বলেও মন্তব্য করা হয়েছে।

২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে তেল আমদানি নিয়ে আমেরিকা, ভারতসহ ছ’টি দেশ একটি  চুক্তি করে। সম্প্রতি আমেরিকা ওই চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেছে। এরপরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গোটা বিশ্বের কাছে ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ করার আবেদন জানিয়েছেন।

এদিকে, গত (বুধবার) ভারতের প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেস ইরান থেকে তেল আমদানি ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘কাগুজে বাঘ’ বলে কটাক্ষ করে তিনি মার্কিন চাপের কাছে নতিস্বীকার করেছেন বলে মন্তব্য করেছে। দলটি কেন্দ্রীয় সরকারের পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করে বলেছে, মোদি সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে ইরান থেকে অশোধিত তেল আমদানি কমিয়েছে, এ থেকে প্রমাণ হচ্ছে পররাষ্ট্র নীতিতে মোদির আঞ্চলিক নীতি বিভ্রান্তিকর ও অর্থহীন।

কংগ্রেসের মুখপাত্র জয়বীর শেরগিল বলেছেন, ইরান থেকে তেল আমদানি হ্রাস করার ফলে সাধারণ মানুষের পকেটে তা সরাসরি প্রভাব ফেলবে এবং সরবরাহ কম হওয়ার ফলে তেলের দাম বৃদ্ধি পাবে। তিনি সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘সরকারি ওই সিদ্ধান্তে সরাসরি  প্রত্যেক দেশবাসী ক্ষতিগ্রস্ত হবে, প্রত্যেক ব্যবসায়ী এবং প্রত্যেক গৃহিণী ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সাধারণ মানুষের পকেট কেটে এর ক্ষতিপূরণ করা হবে, মোদি সরকার করবে না।’

কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সূর্যেওয়ালা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সামনে নতিস্বীকার নিয়ে জবাব দিতে হবে।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য