خبرگزاری شبستان

پنج شنبه ۲۶ مهر ۱۳۹۷

الخميس ٨ صفر ١٤٤٠

Thursday, October 18, 2018

বিজ্ঞাপন হার

ইরাকের রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় বসরা শহরের ইরানি কনস্যুলেটে দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদ জানাতে আজ (শনিবার) ভোরে তেহরানে নিযুক্ত ইরাকি রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। এ সময় ইরানি কনস্যুলেটের নিরাপত্তা রক্ষার ব্যাপারে ইরাকি নিরাপত্তা কর্মীদের অবহেলার প্রতিবাদ জানানো হয়।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Wednesday, August 08, 2018 নির্বাচিত সংবাদ : 29326

মদীনার ঐতিহাসিক কুবা মসজিদ
মসজিদ বিভাগ: রাসূল (সা.) মক্কা থেকে মদীনায় হিজরতের অভিমুখে সর্ব প্রথম যে মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন, তার নাম কুবা মসজিদ। এখানে তিনিই সর্ব প্রথম নামায আদায় করেন। এ মসজিদটি মক্কা থেকে ৩২০ কিমি উত্তরে মদীনার উত্তরে অবস্থিত।

মদীনার ঐতিহাসিক কুবা মসজিদ

 

মসজিদ বিভাগ: রাসূল (সা.) মক্কা থেকে মদীনায় হিজরতের অভিমুখে সর্ব প্রথম যে মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন, তার নাম কুবা মসজিদ। এখানে তিনিই সর্ব প্রথম নামায আদায় করেন। এ মসজিদটি মক্কা থেকে ৩২০ কিমি উত্তরে মদীনার উত্তরে অবস্থিত।

         

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: হজরত মোহাম্মদ (সা.) পবিত্র রবিউল আওয়াল মাসের প্রথম দিন আল্লাহর নির্দেশে মক্কা থেকে মদিনা অভিমুখে হিজরত করেন। আর এ হিজরতের মধ্য দিয়ে মদিনা শহরকে কেন্দ্র করে ইসলাম ও কোরআনের বাণী বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। রাসূলের (সা.) হিজরতের পর সাহাবীরাও পর্যায়ক্রমে মদিনা গমন করেন। সাধারণভাবে হিজরতকারীদের বা মুজাহিদ বলা হতো। এই মুজাহিদদের হাতেই গড়ে ওঠে কুবা মসজিদ।

হজরত মোহাম্মদ (সা.) নিজ হাতে মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু করেন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। মূলত তারই তত্ত্বাবধানে মসজিদের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। হজরত মোহাম্মদ (সা.) প্রায় ২০ রাত এই মসজিদে অবস্থান করেন এবং কসর নামায আদায় করেন। হজরত মোহাম্মদ (সা.) কর্তৃক ইসলাম ধর্ম প্রচার শুরু হওয়ার পর পৃথিবীর বুকে নির্মিত প্রথম মসজিদ হলো এই কুবা মসজিদ।

বিংশ শতকে আবদুল ওয়াহেদ আল ওয়াকিলের নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিশন সৌদি আরবের পুরনো সব মসজিদ পুনর্নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ শুরু করে। এ সময় মূল কুবা মসজিদ এতই দুর্বল হয়ে পড়ে, তা ভেঙে পুনর্নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে কুবা মসজিদ চত্বরে মূল মসজিদ ছাড়াও আবাসিক এলাকা, অফিস, অজুখানা, দোকান ও লাইব্রেরি রয়েছে।

 

তবে মসজিদের মূল আকর্ষণ ছয়টি। বিশাল গম্বুজ এবং চার কোণায় চারটি সুউচ্চ মিনার। মসজিদে মহিলাদের নামাজের জন্য পৃথক ব্যবস্থা রয়েছে। মদিনাবাসীর সরলতা এবং মদিনার পবিত্রতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে ১৯৮৬ সালে মসজিদটির পুনর্নির্মাণকালে ব্যাপকভাবে সাদা ব্যাসল্ট পাথর ব্যবহার করা হয়। চতুর্দিকের সুবজ পাম গাছের বলয় মসজিদটিকে বাড়তি সৌন্দর্য প্রদান করেছে।

 

পবিত্র কোরআনের সুরা আল তওবার ১০৭ নং আয়াতে এই মসজিদের কথা উলি্লখিত আছে-

« وَالَّذِينَ اتَّخَذُواْ مَسْجِدًا ضِرَارًا وَكُفْرًا وَتَفْرِيقًا بَيْنَ الْمُؤْمِنِينَ وَإِرْصَادًا لِّمَنْ حَارَبَ اللّهَ وَرَسُولَهُ مِن قَبْلُ وَلَيَحْلِفَنَّ إِنْ أَرَدْنَا إِلاَّ الْحُسْنَى وَاللّهُ يَشْهَدُ إِنَّهُمْ لَكَاذِبُونَ »

 

একাধিক সূত্র এবং হাদিস থেকে জানা যায়, হজরত মোহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “নিজ আবাস্থল বা বাসা থেকে অজু করে কেউ যদি এই মসজিদে আসে এবং দুই রাকাত নফল নামায আদায় করে তবে সে একটি ওমরাহ আদায়ের সওয়াব লাভ করবে।”

উল্লেখ্য, মদিনায় অবস্থানকালে হজরত মোহাম্মদ (সা.) প্রায়ই বিশেষত শনিবারে উটে চড়ে বা হেঁটে এই মসজিদে আসতেন এবং দুই রাকাত নামায আদায় করতেন। সম্ভবত কুবা মসজিদের ফজিলত ও গুরুত্বের কারণেই রাসূল (সা.) সপ্তাহে অন্তত একদিন এ মসজিদে নামায আদায় করতেন।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য