خبرگزاری شبستان

دوشنبه ۲۵ آذر ۱۳۹۸

الاثنين ١٩ ربيع الثاني ١٤٤١

Monday, December 16, 2019

বিজ্ঞাপন হার

ইরাকের রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় বসরা শহরের ইরানি কনস্যুলেটে দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদ জানাতে আজ (শনিবার) ভোরে তেহরানে নিযুক্ত ইরাকি রাষ্ট্রদূতকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। এ সময় ইরানি কনস্যুলেটের নিরাপত্তা রক্ষার ব্যাপারে ইরাকি নিরাপত্তা কর্মীদের অবহেলার প্রতিবাদ জানানো হয়।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Sunday, August 12, 2018 নির্বাচিত সংবাদ : 29353

প্রতিরোধই ইসরাইলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের একমাত্র হাতিয়ার'
ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির প্রধান খালেদ আল বাত্শ‌ বলেছেন, প্রতিরোধই দখলদার ইসরাইলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের একমাত্র হাতিয়ার। তিনি বলেন, প্রতিরোধ সংগ্রাম ফিলিস্তিনিদের নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে আসার অধিকারের প্রতি সর্বাত্মক সমর্থন জানায়।

'প্রতিরোধই ইসরাইলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের একমাত্র হাতিয়ার'

 

ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির প্রধান খালেদ আল বাত্শ‌ বলেছেন, প্রতিরোধই দখলদার ইসরাইলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের একমাত্র হাতিয়ার। তিনি বলেন, প্রতিরোধ সংগ্রাম ফিলিস্তিনিদের নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে আসার অধিকারের প্রতি সর্বাত্মক সমর্থন জানায়।

দখলদার ইসরাইলের জঙ্গিবিমান গত কয়েক দিনে গাজার বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক বোমা হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ বাহিনীও ইসরাইলের দিকে অন্তত ২২০টি রকেট ছুঁড়েছে। এই পাল্টা আঘাত ইসরাইলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ সংগ্রামের শক্তিমত্বাকে তুলে ধরেছে। ফিলিস্তিনিরা আগুনের জবাবে আগুন দিয়ে ইসরাইলকে বুঝিয়ে দিয়েছে কোনো আগ্রাসনই বিনা জবাবে পার পাবে না।

প্রকৃতপক্ষে, ফিলিস্তিনিদের পাল্টা প্রতিরোধ মধ্যপ্রাচ্যে সম্প্রসারণকামী লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইসরাইলের সব ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনাকে বানচাল করে দিয়েছে। এ ব্যাপারে ফিলিস্তিনি সংসদের উপপ্রধান আহমাদ বাহ্‌র বলেছেন, "ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষা ও দখলীকৃত ভূখণ্ড মুক্ত করার একমাত্র বৈধ ও আইনসংগত অস্ত্র হচ্ছে অব্যাহত প্রতিরোধ সংগ্রাম।"

দখলদার ইসরাইলের বিরুদ্ধে সংগ্রামী ফিলিস্তিনিদের সশস্ত্র সংগ্রাম আন্তর্জাতিকভাবেই স্বীকৃত। ফিলিস্তিনিরা সশস্ত্র সংগ্রাম অব্যাহত রাখা এবং অস্ত্র পরিত্যাগ না করার যে ঘোষণা দিয়েছে তা ইসরাইল এবং তাদের মিত্র আমেরিকা ও কয়েকটি আরব দেশের সরকারের জন্য চপেটাঘাত। কারণ ইসরাইল ও তার মিত্ররা সবসময়ই নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদেরকে সশস্ত্র সংগ্রাম থেকে বিরত রাখা ও অস্ত্র পরিত্যাগের জন্য চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

দখলদার ইসরাইল ও তার মিত্ররা মধ্যপ্রাচ্যে যেকোনো প্রতিরোধ শক্তিকে দুর্বল কিংবা পুরোপুরি নির্মূল করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে যাতে এ অঞ্চলে দখলদারিত্বকে নির্বিঘ্ন করা যায়। ফিলিস্তিনিদের নিরস্ত্র করার মাধ্যমে ইসরাইল এমন এক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে যাতে প্রস্তাবিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রে কোনো সেনাবাহিনী না থাকে। এমনকি আন্তর্জাতিক সমাজকেও এটা মেনে নিতে বাধ্য করার চেষ্টা করছে ইসরাইল। এ অবস্থায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবুজ সংকেত পেয়ে ইসরাইল 'শতাব্দির সেনা চুক্তি' নামক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ব্যাপক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ট্রাম্পের এই প্রস্তাব বা পরিকল্পনায় মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল বিরোধী প্রতিরোধ শক্তিগুলোকে নিরস্ত্র করার কথা বলা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এ পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করে ফিলিস্তিনের সংগ্রামী দলগুলো জানিয়েছে, নিরস্ত্র করার যে কোনো পদক্ষেপ ফিলিস্তিনিদের জন্য রেড লাইন। কারণ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী একটি জাতির নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অধিকার রয়েছে এবং এটা বৈধ। 

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য