خبرگزاری شبستان

پنج شنبه ۳ فروردین ۱۳۹۶

الخميس ٢٥ جمادى الثانية ١٤٣٨

Thursday, March 23, 2017

বিজ্ঞাপন হার

ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের মাধ্যমে আমাদের পরিস্থিতি উন্নতি হবে

মাহদাভিয়াত বিভাগ: নববর্ষের দোয়াতে যে বলা হয় হে আল্লাহ! আমাদের অবস্থাতে উত্তম অবস্থায় পরিবর্তণ করুন। এটার অর্থ হচ্ছে ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের মাধ্যমে আমাদের পরিস্থিতিকে উন্নত করুন।

নির্বাচিত সংবাদ

মতামতজরিপ  :   Monday, January 05, 2015 নির্বাচিত সংবাদ : 4395

ইমাম হুসাইন(আ.)-এর জন্য রাসূল(সা.)-এর ক্রন্দনের রহস্য শীর্ষক গ্রন্থ
চিন্তা ও দর্শন বিভাগ: সাইয়্যেদুশ শোহাদা হযরত ইমাম হুসাইন(আ.)-এর বয়স যখন দুই বছর মহানবী হযরত মুহাম্মাদ(সা.) সফরে যান। পথিমধ্যে তিনি ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন পাঠ করেন এবং ক্রন্দন করেন।

ইমাম হুসাইন(আ.)-এর জন্য রাসূল(সা.)-এর ক্রন্দনের রহস্য শীর্ষক গ্রন্থ

 

চিন্তা ও দর্শন বিভাগ: সাইয়্যেদুশ শোহাদা হযরত ইমাম হুসাইন(আ.)-এর বয়স যখন দুই বছর মহানবী হযরত মুহাম্মাদ(সা.) সফরে যান। পথিমধ্যে তিনি ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন পাঠ করেন এবং ক্রন্দন করেন।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: আবায়ে নুর পাবলিকেশনের ম্যানেজার, সৈয়দ আলী মীর-হুসাইনী দেহ আবাদি বলেন: " হাবিব ইবনে মাজাহের আসাদীর জীবনী এবং শোকগাথার ইতিহাস" নামক একটি বই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। বইটি লিখেছেন, আয়াতুল্লাহ আলী নামাজি শাহরুদী।  বইটিতে হাবিব ইবনে মাজাহেরের জীবন ইতিহাস বর্ণিত হয়েছে এবং গ্রন্থটিতে দুটি পাঠ রয়েছে।

তিনি বলেন: প্রথম পাঠে পাঁচটি অধ্যায় রয়েছে যাতে হাবিব ইবনে মাজাহের বয়স ফজিলত ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আর দ্বিতীয় পাঠে ইমাম হুসাইন(আ.)-এর জন্য ক্রন্দন ও আজাদারীর ইতিহাস উল্লেখ করা হয়েছে।

জনাব হুসাইনী বলেন: লেখক তার এই গ্রন্থে সংক্ষেপে ইমাম (আ.) এবং সকল মাসুমগণের জন্য ক্রন্দন ও আজাদারীর ইতিহাস ও ফজিলত তুলে ধরেছেন। নবীগণ ইবাদতের পাশাপাশি আজাদারিও করেছেন। আমাদের নবী হযরত মুহাম্মাদ(সা.), হযরত আলী(আ.), মা ফাতিমা যাহরা(আ.) এবং ইমাম হাসান(আ.) ইমাম হুসাইন(আ.)-এর জন্য আজাদারী ও শোক পালন করেছেন।

তিনি বলেন: সাইয়্যেদুশ শোহাদা হযরত ইমাম হুসাইন(আ.)-এর বয়স যখন দুই বছর মহানবী হযরত মুহাম্মাদ(সা.) একটি সফরে যান। পথিমধ্যে তিনি ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন পাঠ করেন এবং ক্রন্দন করেন। রাসূল(সা.)-এর কাছে কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: জিবরাইল আমার কাছে কারবালার ঘটনা এবং আমার সন্তান হুসাইনের শাহাদাতের ঘটনা বর্ণনা করেছে। আমি তার শাহাদতের ঘটনা এবং আমার পরিবারে নারীদের বন্দি হওয়ার ঘটনাকে যেন নিজের চোখে দেখতে পাচ্ছি এবং এটাও দেখতে পাচ্ছি যে, হুসাইনের মথাকে বর্ষার মাথায় করে ইয়াজিদের দরবারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অতঃপর রাসূল(সা.) সফর থেকে ফিরে এক ব্যথা পূর্ণ হৃদয়ে হাসান ও হুসাইনকে সাথে নিয়ে মিম্বারে গেলেন এবং জনগণকে বোঝালেন। তারপর ডান হাত ইমাম হাসানের কাঁধে এবং বা হাত ইমাম হুসাইনের কাঁধে রেখে বললেন: হে আল্লাহ! আমি আপনার বান্দা আর এরা দুজন হচ্ছে আমার আহলে বাইতের মধ্যে সব থেকে প্রিয়। এদেরকে আমার উম্মতের মাঝে রেখে যাচ্ছি। জিবরাইল আমাকে খবর দিয়েছে যে, হাসানকে বিষ প্রয়োগ করে এবং হুসাইনকে তলোয়ার দিয়ে রক্তাক্ত করে শহীদ করা হবে। এর পর হুসাইনের জন্য দোয়া করলেন এবং যারা তাকে হত্যা করবে এবং তাকে সাহায্য করবে না তাদের উপর অভিশাপ ও লানত পাঠ করলেন।

জনাব হুসাইনী বলেন: ১৯২ পৃষ্ঠার এই গ্রন্থটি আবায়ে নুর প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে। ৫০০ কপি ছাপানো হয়েছে এবং দাম রাখা হয়েছে ৮ হাজার তুমান।

মন্তব্য

বইপরিচিতি  :
 ভিডিও সংবাদ:
অন্যান্যলিংক :
আমাদের সম্পর্কে

মন্তব্য